হোয়াইট হাউজ থেকে খেয়েছেন কড়া বকুনি, জানেন কি কে এই মীনা হ্যারিস?

হোয়াইট হাউজ থেকে খেয়েছেন কড়া বকুনি, জানেন কি কে এই মীনা হ্যারিস?
who is meena harris and all about kamla harris niece who recently got a warning from white house

খুব বেশি হলে সপ্তাহখানে আগের ঘটনা। হোয়াইট হাউজের আইনজীবীরা রীতিমতো একটি আইনি চিঠি ধরিয়েছেন মীনা হ্যারিসকে (Meena Harris)। যার বয়ান বলছে স্পষ্টাস্পষ্টি- মার্কিন মুলুকের নতুন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নাম ব্যবহার করে নিজের ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না মীনা!

  • Share this:

খুব বেশি হলে সপ্তাহখানে আগের ঘটনা। হোয়াইট হাউজের আইনজীবীরা রীতিমতো একটি আইনি চিঠি ধরিয়েছেন মীনা হ্যারিসকে (Meena Harris)। যার বয়ান বলছে স্পষ্টাস্পষ্টি- মার্কিন মুলুকের নতুন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নাম ব্যবহার করে নিজের ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না মীনা!

কে এই মীনা হ্যারিস?

যদি বংশপরিচয়ের সূত্র ধরে এগোতে হয়, তাহলে জানা যাচ্ছে যে মীনা ভাইস প্রেসিডেন্টের নিজের ভাইঝি। আর পেশাগত পরিচয়?


হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির স্নাতক এই মীনা পেশায় একজন আইনজীবী, একই সঙ্গে তিনি সোশ্যাল মিডিয়া স্টারও বটে! সৎ-পিতা টোনি ওয়েস্টের (Tony West) সঙ্গে মীনা কিছু দিন কাজ করেছিলেন Uber সংস্থাতেও। পরে তিনি নিজস্ব ব্যবসা শুরু করেন। এই উদ্যোগপতির জনপ্রিয় ব্র্যান্ডটির নাম হল Phenomenal। আলোচার কেন্দ্রে থাকা যা কিছু ঘটছে দুনিয়ায়, তাকে ব্যবহার করে নানা মজাদার ক্যাপশন তৈরি করে এই Phenomenal। তার পর তা নিজেদের টি-শার্টে প্রিন্ট করে বাজারে ছাড়ে। এই সূত্রে সোশ্যাল মিডিয়ায় মীনা জনপ্রিয় তো বটেই, এছাড়া হালফিলে পিসি কমলার সঙ্গে তোলা নানা ছবি পোস্ট করেও তিনি নজর কেড়েছেন বিশ্ব-নাগরিকদের।

কেন মীনাকে তাঁর কাজের জন্য বকুনি দিয়েছে হোয়াইট হাউজ?

কিছুদিন আগেই মীনা একটি সোয়েট শার্ট পরেন, যেখানে লেখা ছিল- ভাইস প্রেসিডেন্ট আন্টি। আবার অন্য একটি সোয়েট শার্টে লেখা ছিল- আই অ্যাম স্পিকিং যা কি না কমলার বক্তৃতার একটি অংশ। এই ভাবে ভাইস প্রেসিডেন্টের ভাবমূর্তি ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউজ।

এছাড়া রয়েছে আরও একটি কারণ! প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) নানা ভাবে ব্যবহার করে মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প (Ivanka Trump) তাঁর লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডের বিক্রি অনেকটাই বাড়িয়েছিলেন। এই ঘটনা সুনজরে দেখেননি মার্কিন আমলারা। একই ঘটনা এবার মীনার হাত ধরে ঘটতে চলেছে বলেও অনুমান করেছেন তাঁরা।

পাশাপাশি বাদ দেওয়া যায় না ভারতের সূত্রে বিতর্কও!

মীনাকে মাঝে মাঝেই ভারতীয় সরকারের নানা নীতির সমালোচনায় মুখর হতে দেখা যায়। কৃষক আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতেও তিনি বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র বিপন্ন বলে মন্তব্য করে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। যাতে তাঁর এই কার্যকলাপে দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক বিঘ্নিত না হয়, সেই দিক থেকেও সচেতন করা হয়েছে তাঁকে।

Published by:Subhapam Saha
First published: