• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • তীব্র বিস্ফোরণ! চোখের নিমেষে গুঁড়িয়ে গেল ট্রাম্প প্লাজা

তীব্র বিস্ফোরণ! চোখের নিমেষে গুঁড়িয়ে গেল ট্রাম্প প্লাজা

আটলান্টিক সিটির একসময়ের গর্ব ট্রাম্প প্লাজা গুঁড়িয়ে দেওয়া হল

আটলান্টিক সিটির একসময়ের গর্ব ট্রাম্প প্লাজা গুঁড়িয়ে দেওয়া হল

বুধবার সকাল ৯টা ৮ মিনিটে ডিনামাইট দিয়ে ধ্বংস করা হয় ট্রাম্প প্লাজা। মুহূর্তেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এলাকাটি।

  • Share this:

    #ওয়াশিংটন: আটলান্টিক সিটিতে সকাল হয়েছে কয়েক ঘণ্টা আগে। হঠাৎ প্রচন্ড বিস্ফোরণ। কেঁপে উঠল এলাকা। কিছুক্ষণের জন্য হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যাওয়ার জোগাড়! এমনিতেই করোনা সামলাতে গিয়ে ব্যাকফুটে আমেরিকা। তবে কী এর মধ্যে আবার জঙ্গি আক্রমণ হল? না, সেরকম কিছু ঘটনা ঘটেনি। মার্কিন প্রশাসন গুঁড়িয়ে দিয়েছে ট্রাম্প প্লাজা। বুধবার সকাল ৯টা ৮ মিনিটে ডিনামাইট দিয়ে ধ্বংস করা হয় ট্রাম্প প্লাজা। মুহূর্তেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এলাকাটি।

    রাজনীতিতে নামার আগে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা ছিল ট্রাম্পের। এখনও কিছু ব্যবসা রয়ে গিয়েছে তাঁর। ট্রাম্প প্লাজায় হোটেল এবং ক্যাসিনো দুটোই চলত। ম্যাডোনা থেকে শুরু করে মাইক টাইসন, অফ্রা উইনফ্রে থেকে স্ট্যালোন, বিখ্যাত সেলিব্রিটিদের আড্ডার জায়গা ছিল এই ট্রাম্প প্লাজা। বেশ কিছু সিনেমার শুটিং হয়েছে এই জায়গায়। ১৯৮৪ সালে ট্রাম্প প্লাজা হোটেল অ্যান্ড ক্যাসিনো চালু হয়, তবে ২০১৪ সালে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পর্যটকদের অন্যতম গন্তব্যস্থল ছিল এই প্লাজা।

    নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণার পর ট্রাম্প প্লাজার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের। নিলামে কার্ল সি একাহান স্থাপনাটি কিনে নেন। তবে ট্রাম্পের নামেই চলছিল এই স্থাপনা। গত ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হয়ে ক্ষমতা ছাড়তে হয় ট্রাম্পকে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনের শপথের এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হল এই ট্রাম্প প্লাজা।

    এমনিতেই বাইডেন জানিয়েছিলেন ইমপিচমেন্ট না হয়ে সঠিক বিচার হয়নি। এই আটলান্টিক শহরের মেয়র নির্দেশ দেন নির্মাণটি ভেঙে ফেলার। কয়েকদিন আগেই নোটিশ জারি করা হয়েছিল। সেই মত ওই এলাকার বিভিন্ন হোটেল প্যাকেজ টুর শুরু করে। অর্থাৎ বিভিন্ন মূল্যে টিকিট কিনে মানুষ ট্রাম্প প্লাজা ধ্বংসের দৃশ্য নিজের চোখে দেখার সাক্ষী থেকেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু মানুষকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে। আবার কিছু মানুষের মন খারাপ শহরের এই ঐতিহ্যশালী বিল্ডিং ভেঙে ফেলায়।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: