Hi-Tech Toilet: আপনি কি ক্লান্ত-অবসন্ন? এই হাই-টেক টয়লেটে একবার বসলেই মেপে ফেলবে সব? দেখুন কান্ড...

Hi-Tech Toilet: আপনি কি ক্লান্ত-অবসন্ন? এই হাই-টেক টয়লেটে একবার বসলেই মেপে ফেলবে সব? দেখুন কান্ড...

সব মিলিয়ে অত্যাধুনিক এই পাবলিক টয়লেট জনসাধারণে বেশ আলোড়ন ফেলেছে।

সব মিলিয়ে অত্যাধুনিক এই পাবলিক টয়লেট জনসাধারণে বেশ আলোড়ন ফেলেছে।

  • Share this:

#টোকিও: সারা দিনের পরিশ্রমের সঙ্গে ওতপ্রোত জড়িয়ে থাকে ক্লান্তি। তা দেখা যায় না, শুধু অনুভবে বুঝিয়ে দেয়, এবার সময় হয়েছে বিশ্রামের। আচ্ছা কেমন হত, যদি মেপে ফেলা যেত ক্লান্তির পরিমাণ? বিশেষজ্ঞরা বলছেন এ-ও সম্ভব। একুশ শতকের প্রযুক্তির যুগে, জাপানের কানাগাওয়া পার্ফেকচার এরিনা সার্ভিস নিয়ে এসেছে এমনই এক অত্যাধুনিক টয়লেট, যেখানে পরিমাপ করা যাবে ক্লান্তি ও অবসন্নতা। টোকিও শহর থেকে পঁয়তাল্লিশ মিনিট দূর এই টয়লেট সহজলভ্য ও ব্যবহার-বান্ধব। ক্লান্তি পরিমাপ করা ছাড়াও, এই পাবলিক টয়লেট বিশ্রাম নেবার জন্যও বেশ উপযোগী। টয়লেটের আশেপাশের ফুড জয়েন্টগুলিও স্বাদবদলের জন্য আদর্শ। সব মিলিয়ে অত্যাধুনিক এই পাবলিক টয়লেট জনসাধারণে বেশ আলোড়ন ফেলেছে।

কিন্তু অত্যাধুনিক টয়লেট কাজ করে কী ভাবে? স্থানীয় SoraNews24-এর সঙ্গে কথা বলে জানা গেল বিডেট (Bidet)-এর সঙ্গে সংযুক্ত একটি টাচস্ক্রিন এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা সহজেই একজন মানুষের ক্লান্তি পরিমাপ করতে পারে। ব্যবহারকারীকে প্রথমে নিজের উপযোগী ভাষা নির্বাচন করতে হবে। তার পর নিজের সম্পর্কে সামান্য কিছু তথ্যাদি প্রদান করে, নিজের মতো খানিক সময় কাটানো শুরু করলেই, বিডেটে লাগানো সেন্সর ক্লান্তি পরিমাপ করতে শুরু করবে। সাধারণ ভাবে একজন মানুষের ক্লান্তি পরিমাপ করতে বিডেটের সঙ্গে সংযুক্ত সেন্সরের সময় লাগে মাত্র এক মিনিট।

বিডেটের সঙ্গে সংযুক্ত এই সেন্সর মূলত একজন মানুষের হৃদস্পন্দনের ওঠা ও নামার ভিত্তিতে তার ক্লান্তির পরিমাপ নির্ধারণ করে থাকে। ব্যবহারকারীকে তার নিজের বয়স এবং তারই সঙ্গে তিনি আদৌ ক্লান্ত না কি ক্লান্ত নয়, সেইটুকু জানাতে হয়। তার পরেই প্রযুক্তির সাহায্যে খুব সহজ ভাবে মেপে ফেলা যায় তার ক্লান্তি এবং অবসাদের পরিমাণ।

বর্তমানে নিজেদের কার্যকলাপ সম্পর্কে এই কানাগাওয়া পারফেকচারের এরিনা সার্ভিস কর্তৃত্ব একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। সেই বিজ্ঞপ্তিতে তাঁরা বলেছেন, 'একজন মানুষ যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তখন তাঁর স্বতন্ত্র-নার্ভতন্ত্রের ক্রিয়া বৃদ্ধি পায় ও উপ-সংবেদী স্নায়ুতন্ত্রের ক্রিয়াকলাপ হ্রাস পায়। আমাদের সেন্সর একজন মানুষের হৃদস্পন্দনের ওঠা-নামার হিসাব করে, ও নার্ভতন্ত্রের কার্যকলাপ আন্দাজ করে বুঝতে পারে তিনি ক্লান্ত না কি কান্ত নন। যদি ক্লান্ত হয়ে থাকেন, তাহলে ক্লান্তির পরিমাপও ঠিক এভাবেই করা হয় বলে জানিয়েছেন এরিয়া সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।

Published by:Shubhagata Dey
First published: