বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

উপসর্গ ইবোলার! কঙ্গোয় নতুন ভাইরাস 'ডিসিজ এক্স' ছড়াচ্ছে আতঙ্ক

উপসর্গ ইবোলার! কঙ্গোয় নতুন ভাইরাস 'ডিসিজ এক্স' ছড়াচ্ছে আতঙ্ক

কঙ্গোর জঙ্গল থেকে খোঁজ পাওয়া গিয়েছে এক নতুন রোগের, যা করোনার চেয়েও দশ গুণ বেশি ভয়াবহ। এর উপসর্গ অনেকটাই ইবোলার মতন। এই রোগের নাম দেওয়া হয়েছে 'ডিসিজ এক্স'।

  • Share this:

#কিনশাসা: গত কয়েক বছরে সার্স, ইবোলা, নিপার মতন ভাইরাসের শিকার হয়েছেন বিশ্ববাসী। তবুও বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির দৌলতে অবশেষে জয়লাভ করেছে মানবজাতি। কিন্তু চলতি বছরে করোনার থাবায় প্রাণ হারিয়েছে গোটা বিশ্বে অনেক মানুষ। তবে এখানেই শেষ নয়, এখনও ঘা খাওয়ার অনেক বাকি আছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কঙ্গোর জঙ্গল থেকে খোঁজ পাওয়া গিয়েছে এক নতুন রোগের, যা করোনার চেয়েও দশ গুণ বেশি ভয়াবহ। এর উপসর্গ অনেকটাই ইবোলার মতন। এই রোগের নাম দেওয়া হয়েছে 'ডিসিজ এক্স'।

কিনশাসা হল কঙ্গোর একটি জায়গা। ওই স্থানে এক মহিলার বেশ কিছু দিন ধরে ধূম জ্বর। চিকিৎসকেরা তাঁকে পরীক্ষা করে দেখেছেন। করোনার কোনও ভাইরাস তার শরীরে মেলেনি। কিন্তু তার রোগের লক্ষণগুলো অনেকটাই ইবোলার মতন।

ওই মহিলাকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা হয়েছে। নিজের পরিবারের সঙ্গেও তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে। ব্রিটেনের সেলের মতন একটি ঘরে তাকে আইসোলেট করে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকেরা তার উপর নজর রেখেছেন। ওই মহিলার পরিচয়ও গুপ্ত রাখা হয়েছে যাতে স্থানীয় লোকজন অযথা আতঙ্কিত হয়ে না পড়েন। তবে ভাল দিক, ইবোলার ভ্যাকসিনকেই প্রধান চিকিৎসার ওষুধ হিসেবে প্রয়োগ করা হয়েছে এবং তাতে আপাতত এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে।

এখন প্রশ্ন হল এই যে রোগটি ধরা পড়েছে, এটা কী আদেও ইবোলা? নাকি নতুন কিছু? সাধারণত একজন ইবোলায় আক্রান্তের ৫০-৯০% মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে।

ওই মহিলার চিকিৎসা করছেন যিনি, ডাক্তার দাদিন বোঙ্কলে জানিয়েছেন, "আমরা খুবই ভয় রয়েছি। যে কোনও সংক্রমণ আমাদের কাছে প্রথমে নতুন থাকে। সেটি করোনা হোক বা ইবোলা! এই অজানা রোগটিও আমাদের কাছে এখন নতুন"।

অধ্যাপক জীন জ্যাকস মুয়েম্বে তামফুম, যিনি ১৯৭৬ সালে প্রথম ইবোলা রোগের ভাইরাসকে চিনিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি জানিয়েছেন মানুষ নতুন এক মারণ ভাইরাসের সম্মুখীন হতে চলেছে। তিনি আরও বলেন আগামী দিনে অতিমারি করোনার থেকেও বেশি শক্তিশালী হবে।

'ডিসিজ এক্স' এর চেহারা অনেকটা ইবোলার মতন। আবার কিনশাসার, কঙ্গো ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ থেকে ওই রোগীর রক্ত পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে যে ইবোলার কোনও উপসর্গ নেই তার। মুয়েম্বের মতে, পশু বাহিত অনেক অজানা ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়াল রোগ মানব দেহে প্রবেশ করতে চলেছে। ইয়েলো ফিভার, নিত্য নতুন ইনফ্লুয়েঞ্জা, রেবিস, ব্রুসেলোসিস এবং লাইম ডিসিজ পশু পাখি থেকে মানব দেহে প্রবেশ করে থাকে যা ইতিহাসে অতিমারির কারণ ছিল। এইচ.আই.ভি হল শিম্পাঞ্জি বাহিত একটি রোগ যা পরে মিউটেট করে হয়ে যায় আধুনিক মারক প্লেগে।

Published by: Somosree Das
First published: December 23, 2020, 12:32 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर