নগরায়ণের হাত থেকে বাঁচাতে ১১ হাজার একর অরণ্য কিনে নিল বেসরকারি সংস্থা, চলছে সংরক্ষণের কাজ

নগরায়ণের হাত থেকে বাঁচাতে ১১ হাজার একর অরণ্য কিনে নিল বেসরকারি সংস্থা, চলছে সংরক্ষণের কাজ
ইঙ্গকা গ্রুপ (Ingka Group), যারা বিভিন্ন আইকিয়ার দোকানগুলি সামলায়, তারা এই ১০,৮৪০ একর জঙ্গল কিনে নিয়েছে

ইঙ্গকা গ্রুপ (Ingka Group), যারা বিভিন্ন আইকিয়ার দোকানগুলি সামলায়, তারা এই ১০,৮৪০ একর জঙ্গল কিনে নিয়েছে

  • Share this:

#দক্ষিণ পূর্ব জর্জিয়া: দাও ফিরে সে অরণ্য, লহ এ নগর! এই সব কথা মুখে বলা যত সহজ, কাজে ততটা নয়। কারণ অরণ্য না কাটলে বসতি হবে না, পাওয়া যাবে না সম্পদও। কিন্তু এভাবে জঙ্গল কাটতে কাটতে একদিন এই পৃথিবীতে একটাও গাছ যদি অবশিষ্ট না থাকে, তাহলে আমাদের নিঃশ্বাস নেওয়ার মতো অক্সিজেন কে যোগান দেবে? শুধুই কংক্রিট আর উন্নয়ন বাঁচাতে পারবে কি আমাদের? এই রকম নানা প্রশ্নে পরিবেশবিদরা জেরবার হয়ে যান। কিন্তু এই বিষয়ে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়ে কার্যত চমকে দিল সুইডেনের বিখ্যাত সংস্থা আইকিয়া (Ikea)।

দক্ষিণ পূর্ব জর্জিয়ার ১১ হাজার একর জঙ্গল অঞ্চলকে উন্নয়নের হাত থেকে বাঁচাতে সেই জঙ্গল কিনে নিল এই কোম্পানি। মূলত এই জঙ্গলের বিচিত্র বাস্তুতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছে সুইডেনের এই বিনিয়োগকারী সংস্থা।

ইঙ্গকা গ্রুপ (Ingka Group), যারা বিভিন্ন আইকিয়ার দোকানগুলি সামলায়, তারা এই ১০,৮৪০ একর জঙ্গল কিনে নিয়েছে। এই জঙ্গল অবস্থিত আলতামাহা (Altamaha) নদী উপত্যকায়। গত মাসের ১৪ তারিখে এই ঘোষণা করেছে কোম্পানি। ইঙ্গকা ইনভেস্টমেন্ট এর প্রধান ক্রিসটার ম্যাটসন জানিয়েছেন যে এই পৃথিবীতে থাকার জন্য কিছু দায়িত্ব পালন করতে হয়। এই ভাবে জঙ্গল না বাঁচালে সব একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই যত বেশি উৎপাদন করে সংস্থা, তার চেয়ে অনেক বেশি গাছ লাগাতে হবে।


জর্জিয়ার এই বনাঞ্চল কিনে নেওয়ার ব্যাপারেও যথেষ্ট আশাবাদী তিনি। এই জঙ্গল যেন ছোট ছোট টুকরোয় না ভেঙে চিরকাল একই রকম বিস্তৃত বন হিসেবেই থেকে যায় সেই ব্যবস্থা করতে হবে। দ্য কনজারভেশন ফান্ড নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কাছ থেকে এই জঙ্গল কিনেছে ইঙ্গকা। এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ৩৫০টি গাছ এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে লম্বা পাতাযুক্ত পাইন গাছ এবং গোফার কচ্ছপ।

ইঙ্গকার মতো কোম্পানির এই পদক্ষেপে আশার আলো দেখছেন পরিবেশবিদরা। কারণ এই উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনীতি, পরিবেশ এবং সামাজিক- সব দিক থেকে একটি সমতা বজায় রাখা সম্ভব হবে। ক্লাইমেট পজিটিভ হওয়ার অঙ্গীকার নিয়েছে এই কোম্পানি। অর্থাৎ আগামী দিনে গ্রিনহাউজ গ্যাস কমিয়ে পরিবেশ রক্ষায় বেশি করে সময় নিয়োজিত করবে এই সংস্থা।

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

লেটেস্ট খবর