শুধু প্যাংগং নয়, সেনা সরাতে হবে সম্পূর্ণ পূর্ব লাদাখ থেকেই, চিনকে স্পষ্ট বার্তা ভারতের

শুধু প্যাংগং নয়, সেনা সরাতে হবে সম্পূর্ণ পূর্ব লাদাখ থেকেই, চিনকে স্পষ্ট বার্তা ভারতের
photo/dna india

ভারত এবং চিনের মধ্যে নবম কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক চলল ষোলো ঘন্টা। আর এই বৈঠকে চিনকে শুধু প্যাংগং লেক নয়, বরং সেনা সরাতে হবে সম্পূর্ণ পূর্ব লাদাখ থেকে পরিষ্কার করে দিয়েছে ভারত।

  • Share this:

    #লেহ: ভারত এবং চিনের মধ্যে নবম কমান্ডার পর্যায়ের ম্যারাথন বৈঠক চলল টানা ১৬ ঘণ্টা। আর এই বৈঠকে চিনকে শুধু প্যাংগং লেক নয়, বরং সেনা সরাতে হবে সম্পূর্ণ পূর্ব লাদাখ থেকে পরিষ্কার করে দিয়েছে ভারত।

    একদিকে যখন এই বৈঠক চলছে চুসুল সেক্টরের মলডোতে, তখন সকালে খবর এসেছিল কয়েকদিন আগে সিকিমের নাকুলায় দুই দেশের সেনার মধ্যে হাতাহাতির খবর। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, চিন একদিকে যেমন আলোচনার পথ খোলা রেখেছে, তেমনই বিভিন্ন সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি করে ভারতকে ব্যস্ত রাখার রণনীতি নিয়েছে।

    চিন নতুন ফ্রন্ট খুলতে পারে এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। অনেকেই মনে করছেন যেহেতু এখন প্রবল ঠান্ডা, তাই এই মুহূর্তে বড় পদক্ষেপ নেবে না চিন। কিন্তু ঠান্ডা কমলে শুধু পশ্চিম সীমান্তের লাদাখ নয়, পূর্ব সীমান্তের সিকিম এবং মাঝের উত্তরাখণ্ড সীমান্তেও ঝামেলা পাকাতে পারে পিএল এ।


    যাই হোক, ভারতীয় সেনার তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে নিজেদের অবস্থান। চিনকে ভারত জানিয়েছে ডেপসং এবং গোগ্রা অঞ্চল থেকে যদি চিন নিজেদের সেনা এবং অস্ত্রশস্ত্র কমায়, তবেই সেনা সরানোর কথা ভাববে ভারত। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর গত কয়েক মাসে সেপ্টেম্বর চুক্তির নিয়ম ভেঙে ওইসব এলাকায় নিজেদের সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে চিন। কামান এবং ট্যাংক মোতায়েন করেছে পিএলএ।

    বিভিন্ন ফরওয়ার্ড পোস্টে মার্শাল আর্ট জানা কমান্ডোদের পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। অতীতে দুই শিবির আলোচনা করেছিল প্যাংগং লেকের উত্তর দিকে দুই দেশের সেনাই টহল দেবে না, ফলে নো ম্যানস ল্যান্ড তৈরি হলে উত্তেজনা কমবে। কিন্তু আলোচনা শেষপর্যন্ত বাস্তবরূপ পায়নি।

    তাছাড়া ভারত জানে চিনকে বিশ্বাস করলে মূল্য চোকাতে হবে। যদিও যৌথ বয়ানে ভারত বলেছে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, দুই দেশ উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু এগুলো বলতে হয় তাই বলা। আসলে পরিস্থিতি এখনও যথেষ্ট উত্তপ্ত।

    দক্ষিণ প্যাংগং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি ভারতীয় সেনার হাতে আসার পর সেখান থেকে নজর রাখা সম্ভব চিনা গ্যারিসনের দিকে। ভারত নিজেদের সম্পূর্ণ প্রস্তুতি সেরে রেখেছে। দু'দিন আগেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন ভারতের অবস্থান। চিন মুখে এক, কাজে এক নীতি নিয়ে চলে। তবে এবার পুরোপুরি তৈরি ভারত।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published:

    লেটেস্ট খবর