SSC Issue: শিক্ষামন্ত্রী-এসএসসি চেয়ারম্যান বৈঠক, শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ?

বৈঠকে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বাকি থাকা চাকরিপ্রার্থীদের কিভাবে নিয়োগ করা সম্ভব সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে

বৈঠকে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বাকি থাকা চাকরিপ্রার্থীদের কিভাবে নিয়োগ করা সম্ভব সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে

  • Share this:

#কলকাতা: এসএসসির চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনের জেরে কি পিছু হটল রাজ্য? মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় বসা বাকি প্রার্থীদের নিয়ে এবার নয়া সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে সরকার। মঙ্গলবার তেমনটাই ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এদিন বিকাশ ভবনে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে শিক্ষা মন্ত্রী দীর্ঘ বৈঠক করেন। বৈঠকে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বাকি থাকা চাকরিপ্রার্থীদের কিভাবে নিয়োগ করা সম্ভব সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রসঙ্গত শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বাড়ির সামনে থেকে শুরু করে একাধিক জায়গায় গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের চাকরিপ্রার্থীরা। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন " মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবার মত এই প্রার্থীদের প্রতিও সহানুভূতিশীল। সরকারও বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গেই দেখছে। আইনি প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখে ন্যায্যতা বিচার করে এদের বিষয়ে পদক্ষেপ করবে স্কুল সার্ভিস কমিশন।"

প্রসঙ্গত ২০১৮-১৯ সালেই এদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করে দিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। তাহলে ফের নিয়োগের সিদ্ধান্ত কেন? এ প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন "করোনা,নির্বাচন প্রভৃতি চলে আসার কারণেই দেরি হয়েছে।" প্রসঙ্গত দীর্ঘ প্রায় ১৯০ দিন ধরে এই প্রার্থীরা রিলে অনশন, অবস্থান চালিয়ে গেছেন। শনিবার সল্টলেকে এই প্রার্থীদের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ হয় পুলিশের। শুধু তাই নয়,একাধিকবার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বাড়ির সামনেই প্রার্থীদের একাংশ গিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। তারপরেই রাজ্য আরো বেশি করে জোর দিয়ে বিষয়টি দেখতে চাইছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে এদিন স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান শুভশংকর সরকারকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন " শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রার্থীদের আবেদন খতিয়ে দেখে যথার্থতা অনুযায়ী তাদের নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে।" তবে কবে থেকে তা শুরু করা যাবে? এ প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান বলেন " উচ্চ প্রাথমিক এর অভিযোগ নিয়ে কেস টু কেস শুনানি পর্ব শুরু হয়েছে মঙ্গলবার থেকে। ৪০ দিন সময় লাগবে। তারপর মাধ্যমিক- উচ্চ মাধ্যমিকের চাকরিপ্রার্থীদের বিষয়টি দেখা হবে।" অন্যদিকে উচ্চ প্রাথমিকে ১৯০০ প্রার্থী ইন্টারভিউ তে উপস্থিত হয়নি। এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এসএসসি চেয়ারম্যান বলেন " দীর্ঘ সময় ধরে চলা প্রক্রিয়ায় এরা অধিকাংশই মাধ্যমিক- উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের চাকরি পেয়ে গিয়েছেন। অনেকেই কলেজে চাকরি পেয়ে গিয়েছেন। আবার কয়েকজনকে দেখা গেছে যারা ভিন রাজ্যে কর্মরত। এই শূন্যপদ সরকারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তী পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত করবে স্কুল শিক্ষা দপ্তর।"

সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় ও উজ্জ্বল রায়

Published by:Ananya Chakraborty
First published: