হায় রে মানবতা! রাস্তার ভিক্ষুকদের ওপর টেস্ট করা হচ্ছে নতুন নেশার জিনিস! ড্রাগ মাফিয়াদের নতুন চাল

mafia testing drugs on beggars in gujrat- Photo- Representative

এক একটা ঘটনা শুনলে আতঙ্কে শিউরে উঠতে হবে৷

  • Share this:

    #আহমেদাবাদ:  ড্রাগ মাফিয়া (Drug Mafia) নিজেদের ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য নানারকমের উপায় নেয় যা সমাজের জন্য অসম্ভব ক্ষতিকর৷ এবার এক নতুন পদ্ধতি খুঁজছে তারা যা শুনলে আতঙ্কে শিউরে উঠতে হয়৷ আহমেদাবাদে এই মুহূর্তে ড্রাগ মাফিয়াদের স্বর্গরাজ্য৷ তাঁদের নিশানায় এখনও ভিখারিরা৷ নিজেদের সিন্থেটিক ড্রাগের টেস্ট এরা করছে ভিক্ষুক ও গৃহহীণ মানুষদের ওপর৷ তাদের লক্ষ্য তাদের বানানো ড্রাগ কতটা জোরালো বা কার্যকারী৷ তারা পক্ষী করছে তাদের নেশা কতটা নেশা করাতে সক্ষম বা কতটা কার্যকারী ৷ যদি ট্রায়ালে এই ড্রাগগুলির ফলাফল ভালো আসে তাহলে ব্ল্যাকমার্কেটিং শুরু হয়৷ সেই মার্কেটে তার মোটা দাম পাওয়া যায়৷

    ইংরাজি সংবাদপত্র টাইমস অফ ইন্ডিয়া-র প্রকাশিত খবর অনুযায়ি ড্রাগ মাফিয়ারা এই কাজকর্ম করছে আহমেদাবাদের রেলওয়ে স্টেশন ও বাস গুমটিতে থাকা ভিক্ষুক ও ফুটপাতে বসবাসকারী খুঁজে বার করছে৷ এই ধরণের ড্রাগ যাদের ওপর ব্যবহার করা হয় তাদের জীবনের ঝুঁকি থাকে৷ ক্রাইম ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা জানিয়েছেন ড্রাগ মাফিয়ারা এই ব্যবসার বিষয়ে জেনেছেন৷ কিন্তু এই বিষয় নিয়ে সরকারি ভাবে কোনও অভিযোগ দাখিল হয়নি৷

    খবর অনুযায়ি কালুপুর রেলওয়ে স্টেশনের বাইরে ফুটপাতে বসবাসকারী সলিম মহম্মদ ড্রাগ মাফিয়াদের নিশানা হয়েছিলেন৷ ৩৮ বছরের সেলিম সাধারণ ভাবে গাঁজা খান৷ তাঁকে অন্য ফুটপাতে বসবাসকারী এক ভিক্ষুক অন্য এক নেশার জিনিস দেন৷ এটা সেবন করে তাঁর রক্তবমি হচ্ছিল৷ এমনটাই হয়েছিল ফুটপাতের বাসিন্দা মহেশ দতানির সঙ্গে৷ তাঁকে শোঁকার জন্য পাউডার দেওয়া হয়েছিল৷ যা ব্যবহার করে তিনি প্রচণ্ড হিংসাত্মক হয়ে উঠেছিলেন৷ একটি দেওয়ালে নিজের হাত ঠুকছিলেন তিনি৷ এমন মার মাকেন যে হাত ভেঙে যায়৷

    ২৪ বছরের মহরুমনিসা শেখকে কিছু অজ্ঞাত পরিচয় লোকজন একটি ট্যাবলেট দিয়েছিল৷ তাকে বলা হয়েছিল এটা খেলেই তার সব অসুখ এই ট্যাবলেট খেলে কমে যাবে৷ শেখ জানিয়েছে তাঁকে জল দিয়ে ওষুধটি খেতে বলা হয়েছিল৷ এরপরে তাঁকে সামাণ্য দুধ খেতে দেওয়া হয়৷ ১৫ মিনিট বাদে তার মাথা ঘুরতে শুরু করে৷ ২৪ বছরের রাজু রোহতিকে এরকম ট্যাবলেট খেতে দেওয়া হয়৷ যারপর তার অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছিল৷ তিনি চলাফেরাও করতে পারছিলেন না৷ তিনি কথা বলার অবস্থাতেও ছিলেন না৷

    Published by:Debalina Datta
    First published: