Corona 3rd Wave in India: দ্বিতীয় ঢেউ সামলে উঠতে পারেনি, ভারতে আছড়ে পড়ল করোনার তৃতীয় ঢেউ, দিশেহারা...

Corona 3rd Wave in India: দ্বিতীয় ঢেউ সামলে উঠতে পারেনি, ভারতে আছড়ে পড়ল করোনার তৃতীয় ঢেউ, দিশেহারা...

নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে করোনার (COVID 19) নতুন মিউট্যান্ট (New Mutation)। দেশের চিকিৎসকদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ এই নতুন ধরণের করোনা ভাইরাসকে (Coronavirus triple mutation) মোকাবিলা করা।

নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে করোনার (COVID 19) নতুন মিউট্যান্ট (New Mutation)। দেশের চিকিৎসকদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ এই নতুন ধরণের করোনা ভাইরাসকে (Coronavirus triple mutation) মোকাবিলা করা।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লিঃ করোনা (Coronavirus) সুনামিতে নাজেহাল দেশ। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রামিত হয়েছে প্রায় ৩ লক্ষ  (India reports nearly three lakh cases) মৃত্যু হয়েছে ২০০০ করোনা আক্রান্তের (Biggest jump since the pandemic erupted)। এমতাবস্থায় নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে করোনার নতুন মিউট্যান্ট (New Mutation)। দেশের চিকিৎসকদের  কাছে বড় চ্যালেঞ্জ এই নতুন ধরণের করোনা ভাইরাসকে মোকাবিলা করা।

    এতদিন পর্যন্ত ডবল মিউটেশন (double mutation) নিয়ে আতঙ্কিত ছিলেন চিকিৎসক-বিজ্ঞানীরা। এ বারে তৃতীয় মিউটেশনের (triple mutation) সন্ধান মেলায় আতঙ্ক, ভয়, অসহায়তা অনেকাংশে বেড়ে গিয়েছে একধাক্কায়। চিকিৎসকদের পরিভাষায়, ত্রিপল মিউটেশনের অর্থ করোনার তিনটি স্ট্রেনের একসঙ্গে উপস্থিতি (three different Covid strains combining to form a new variant)। এই নয়া ভেরিয়েন্টের (new variant) ফলে আবারও বদলাতে শুরু করবে করোনার উপসর্গ। অর্থাৎ, যে উপসর্গ এখনকার ভেরিয়েন্টের সংক্রমণের ফলে হচ্ছে, তা আর নাও থাকতে পারে। আবার এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে একাধিক নয়া উপসর্গ।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মহারাষ্ট্র (Maharashtra), দিল্লি (Delhi) এবং বাংলায় (West Bengal) , যেভাবে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, তার পিছনে নয়া এই ট্রিপল মিউট্যান্ট। এমনকি এই নয়া ভেরিয়েন্টের জন্যই সারা বিশ্বেও ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। McGill ইউনিভার্সিটির মহামারী (epidemiology) সম্বন্ধিত বিষয়ের অধ্যাপক মধুকর পাই বলেন, "নয়া এই ভেরিয়েন্টের সংক্রামক ক্ষমতা অনেক বেশি। যার জন্যই এ বারে সংক্রমণ অনেক দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। বহু মানুষ চোখের নিমেশে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তবে আমাদের টিকা নিতেই হবে, ভাইরাসটিকে দমন করতে হলে। "

    অধ্যাপক পাই  আরও বলেন, "কারও শরীরে ভাইরাসের অস্তিত্ব আছে কিনা, সেটা বুঝতে আমরা যতবেশি দেরী করব, ভাইরাস ততবেশী করে ছড়িয়ে পড়বে। ফলে বাড়তেই থাকবে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে ভাততের ক্ষেত্রে এই আরও উন্নত ব্যবস্থা গড়ে তোলা একপ্রকার অসম্ভব বা বলা ভাল বিরাট চ্যালেঞ্জ।"

    *কিন্তু কেন এ ভাবে একাধিক মিউটেশন তৈরি হয়ে যাচ্ছে? 

    চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, একটি ভাইরাস যতবেশি মানুষকে সংক্রামিত করবে, তার মিউটেশন তত বাড়বে। এক্ষেত্রেও সেটি হচ্ছে।

    *ট্রিপল মিউট্যান্ট কি? 

    চিকিৎসকদের পরিভাষায়, ত্রিপল মিউটেশনের অর্থ করোনার তিনটি স্ট্রেনের একসঙ্গে উপস্থিতি (three different Covid strains combining to form a new variant)। এতদিন দুটি স্ট্রেন একত্রিত হয়ে সংক্রামিত করছিল। এ বারে  তিনটি স্ট্রেনের নয়া ভেরিয়েন্ট সম্ভবত আরও দ্রুততার সঙ্গে সংক্রমণ ঘটাবে।

    *কোথায় কোথায় মিলেছে এই নয়া ট্রিপল ভেরিয়েন্টের খোঁজ? 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মহারাষ্ট্র (Maharashtra), দিল্লি (Delhi) এবং বাংলায় (West Bengal) , যেভাবে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, তার পিছনে নয়া এই ট্রিপল মিউট্যান্ট।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: