করোনা পরিস্থিতি বেরিয়ে যাচ্ছে হাতের বাইরে, মহারাষ্ট্র ছাড়াও ‘এই’ রাজ্যগুলিতেও ভয়

করোনা পরিস্থিতি বেরিয়ে যাচ্ছে হাতের বাইরে, মহারাষ্ট্র ছাড়াও ‘এই’ রাজ্যগুলিতেও ভয়

Photo-File

প্রথম ঢেউয়ের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিল আর এরই মধ্যে এসে গেল দ্বিতীয় ঢেউ৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: দেশে করোনার সবচেয়ে বেশি খারাপ প্রভাব দেখা গেছে এখনও অবধি মহারাষ্ট্রে (Maharashtra)৷ আজ সেখানে ২৩ হাজারের বেশি নতুন কেস  (New Covid Cases) সামনে এসেছে৷ বিভিন্ন জেলায় একাধিক নিয়ম এবং নাইট কার্ফু জারি হওয়ার পরেও মহারাষ্ট্রে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব কম হওয়ার নাম নিচ্ছে না৷

    মহারাষ্ট্রে করোনা ভাইরাস মহামারি -র এটা দ্বিতীয় ঢেউ মানছেন বিশেষজ্ঞরা৷ মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ি মহারাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় দফার দাপট শুরু হয়েছে৷ এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে চিঠিও লিখেছেন৷ রাজ্যে র খারাপ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গত সপ্তাহে সেখানে কেন্দ্র থেকে দল গিয়েছিল৷ এই দলের থেকে প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতেই স্বাস্থ্যসচিব চিঠি লেখেন৷ রাজ্যের অব্যবস্থা ও হঠকারিতাকে দোষ দেওয়া হয়৷ তারা জানিয়েছে রাজ্যের এরকম পদক্ষেপ দেখার তারা চিন্তিত৷

    করোনা ভাইরাসের এই হঠাৎ বৃদ্ধি কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারেরই চিন্তা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে৷ মহারাষ্ট্র ছাড়া এবার অন্য রাজ্যগুলি থেকেও দ্রুত করোনা ভাইরাসে সংক্রমিতের হার বাড়তে শুরু করেছে৷ এই তালিকায় পঞ্জাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ২,০৩৯ টি নতুন মামলা সামনে এসেছে৷ এই সময়ে সেরে উঠেছে ১২৭৪ জন৷ মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের৷ পঞ্জাব ছাড়া, গুজরাত, কর্ণাটক, দিল্লিতেও হঠাৎ করেই করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে৷

    গুজরাতের পরিস্থিতি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজের রাজ্য গুজরাতে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১২২ নতুন মামলা সামনে এসেছে৷  ৭৭৫ মানুষ সুস্থ হয়েছেন৷ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ গুজরাতের আহমেদাবাদ, সুরাত, ভদোদরা , রাজকোটে নাইট কার্ফু আরও ২ ঘণ্টা করে বাড়ানো হয়েছে৷

    দিল্লি আর কর্ণাটকে কত আক্রান্ত

    কর্ণাটকেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে দ্রুত গতিতে৷ নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১২৭৫৷ সেরে উঠেছেন ৪৭৯ জন৷ মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের৷ এছাড়া দিল্লিতে আক্রান্তের একদিনে সংখ্যা ৫৩৬৷ সেরে উঠেছেন ৩১৯ জন৷ মারা গেছেন ৩ জন৷

    Published by:Debalina Datta
    First published: