• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • পঞ্চাশ বছরে প্রথম! শিলিগুড়ি থেকে এত ঝকঝকে কাঞ্চনজঙ্ঘা

পঞ্চাশ বছরে প্রথম! শিলিগুড়ি থেকে এত ঝকঝকে কাঞ্চনজঙ্ঘা

যেন হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যাবে কাঞ্চনজঙ্ঘা।

যেন হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যাবে কাঞ্চনজঙ্ঘা।

শিলিগুড়ির বিভিন্ন জায়গা থেকেই আজ স্পষ্ট দেখা গিয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে। পরিবেশপ্রেমী অনিমেষ বসু জানান, লকডাউনের প্রভাবেই আবহাওয়ার এই মহিমা।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: লকডাউনের প্রভাব পড়েছে পরিবেশেও। যান চলাচলের সংখ্যা কমছে। বন্ধ বড় বড় কলকারখানা। ক্রমেই কমছে দূষণের মাত্রা। বৈশাখেও শীত শীত ভাব নেমে এসছে সমতলে। ঘন কুয়াশার চাদরেও মুড়েছে সমতলের শিলিগুড়ি। মাঝে কয়েক দিন শিলিগুড়ি ও লাগোয়া এলাকার আকাশ ছিল মেঘে ঢাকা। বিকেল হলেই কালবৈশাখের দাপট। ঝড়, বৃষ্টি। আর তাই সমতল থেকে দূরের পাহাড় দেখা পাওয়া ছিল মুশকিল। লকডাউনের দেড় মাসে এর আগে দু'বার সমতল থেকে দেখা গিয়েছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা। আজ ফের সকালে শিলিগুড়িতে রোদ ঝলমলে আবহাওয়া। আর তার জেরেই শিলিগুড়ি থেকে স্পষ্ট দেখা গেল অপরূপা সুন্দরী কাঞ্চনজঙ্ঘাকে। হাতছানি দিয়ে যেন ডাকছে একেবারে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা।

সমতল থেকে সাধারনত কার্তিক মাস অর্থাৎ নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে দেখা যায় এত স্পষ্ট কাঞ্চনজঙ্ঘাকে। কিন্তু মে মাসে! শেষ কবে দেখেছিল শিলিগুড়ি? মনে পড়ে? প্রবীন বাসিন্দাদের দাবি, ৭০-এর দশকে এই ধরনের আবহাওয়া অনুভূত হত শিলিগুড়িতে। ৮০-র দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত ছিল এমনই আবহাওয়া। সেই সময়ে শিলিগুড়ি শহর লাগোয়া একাধীক এলাকা ছিল জঙ্গল ঘেঁষা। ধীরে ধীরে জঙ্গল কেটে গড়ে ওঠে জনবসতি।

সেইসব এখন অতীত। এখন চার পাশ শুধুই কংক্রিট। স্বাভাবিক ভাবেই তার প্রভাব পড়ে শহরের আবহাওয়াতেও। করোনা মোকাবিলায় লকডাউন চলছে। দোকানপাট বন্ধ।চলছে না গাড়ি। নেই কালো ধোঁয়া। দূষণের চোখ রাঙানীও নেই! একেবারে সবুজে মোড়া আবহাওয়া। আর তাই গ্রীষ্মকালেও সমতলে সাদা বরফে মোড়া কাঞ্চনজঙ্ঘা ফিরে এসছে স্বমহিমায়!

শিলিগুড়ির বিভিন্ন জায়গা থেকেই আজ স্পষ্ট দেখা গিয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে। পরিবেশপ্রেমী অনিমেষ বসু জানান, লকডাউনের প্রভাবেই আবহাওয়ার এই মহিমা। স্কুল শিক্ষিকা অভয়া বসু আবার বলছেন, ছোটোবেলার কথা মনে পড়ছে। আজ গত কয়েক বছরের দূষণ এই লকডাউনের জেরে থমকেছে। তারই প্রভাব পড়েছে পরিবেশে। আজ সকালের কাঞ্চনজঙ্ঘা মন ভালো করার সেরা উপহার!

Published by:Arka Deb
First published: