Good Vibes: বাইকপ্রেম ভুলে করোনায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে অ্যাম্বুল্যান্স চালাচ্ছেন দুই ভাই!

বাইকপ্রেম ভুলে করোনায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে অ্যাম্বুল্যান্স চালাচ্ছেন দুই ভাই!

অফিসযাত্রীরা এখন অক্সিজেন সরবরাহের কাজে নেমেছেন, শিক্ষিকারা বাড়ি থেকে করোনা রোগীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করছেন। নবীন প্রজন্মও নেমে পড়েছে মানুষের সহযোগিতায়।

  • Share this:

    #বেঙ্গালুরু: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে (Coronavirus 2nd Wave) ভারতের অবস্থা বেসামাল। প্রতিদিন করোনায় (Covid-19) আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশে সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছেন মানুষেরাই। মানবসমাজকে রক্ষা করতে হলে এই মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। অফিসযাত্রীরা এখন অক্সিজেন সরবরাহের কাজে নেমেছেন, শিক্ষিকারা বাড়ি থেকে করোনা রোগীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করছেন। নবীন প্রজন্মও নেমে পড়েছে মানুষের সহযোগিতায়।

    বেঙ্গালুরুর এই দুই ভাইও তেমনই মানুষের পাশে দাঁড়াতে একেবারে অ্যাম্বুল্যান্স চালকের বেশে রাস্তায় নেমে পড়েছেন। বাইকপ্রেমী এই দুই ভাই আপাতত দিনরাত এক করে করোনা রোগীদের অ্যাম্বুল্যান্সে হাসপাতালে পৌঁছনোর কাজ করছেন। মোরতাজা জুনেইদ ও মুতিব জোহেব কোনও ভাবেই এই পরিস্থিতিতে ঘরে বসে থাকতে পারছিলেন না। যে ভাবেই হোক সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবাকেই তাঁরা বেছে নিয়েছেন এই করোনার কালবেলায়।

    মুতিব জোহেব এ প্রসঙ্গে বলেছেন, 'সারা দেশ থেকে অক্সিজেন ও বেডের অভাবের ছবি দেখছি, খবর শুনছি। এভাবে মানুষকে কষ্ট পেতে আর দেখতে পারছি না। ঘরে বসে শুধু অভিযোগ জানানো নয়, বরং পথে নেমে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। সে কারণেই আমরা এই অ্যাম্বুল্যান্স চালানোর কথা ভাবি, এবং কাজ শুরু করি।' এই দুই ভাই গোটা ভারতে বাইক নিয়ে বিচরণ করেছেন, বাইক নিয়েই গিয়েছেন অন্য দেশেও। বাইক নিয়ে লাদাখে গিয়ে অক্সিমিটার সরবরাহ করেছেন তাঁরা। সেখানকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

    গত তিন মাস ধরে তাঁরা বেঙ্গালুরুতে অ্যাম্বুল্যান্স চালাচ্ছেন। বহু করোনা রোগীকে পৌঁছে দিচ্ছেন হাসপাতালে। আবার কখনও হাসপাতাল থেকে তাঁদের বাড়িতে। জুনেইদের কথায়, 'এখন মানুষের প্রয়োজনের সময়। রাস্তায় নেমে মানুষের সাহায্য করার সময় এটা। খুবই খারাপ অবস্থা চারিদিকে। শুধু বসে বসে না দেখে, আমরা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে কিছু করতে তো পারি। আমরা সেটাই করার চেষ্টা করছি।'

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: