Coronavirus: সরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ হাজিরা, বাড়ি থেকে কাজ! দশ দফা নির্দেশ জারি করল রাজ্য

ফিরছে পুরনো বিধি নিষেধ৷ প্রতীকী ছবি৷

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রামিত হয়েছেন ৭৭১৩ জন৷ চিন্তা বাড়িয়ে এ দিন মৃতের সংখ্যাও বেড়ে হয়েছে ৩৪৷

  • Share this:

    #কলকাতা: মহারাষ্ট্রে জারি হয়েছে লকডাউন (Lockdown), করোনার (Coronavirus) দ্বিতীয় ধাক্কা সামাল দিতে নাইট কারফিউয়ের পথে হেঁটেছে অন্যান্য বেশ কয়েকটি রাজ্য৷ এখনই অতটা কঠোর পদক্ষেপ না করলেও করোনা সংক্রমণের হার কমাতে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার৷ গত বছর করোনা অতিমারির সময় এই নির্দেশগুিলর অধিকাংশই বলবৎ ছিল রাজ্যে৷ ফের সেই নির্দেশিকাগুলিই জারি করতে বাধ্য হল প্রশাসন৷

    গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রামিত হয়েছেন ৭৭১৩ জন৷ চিন্তা বাড়িয়ে এ দিন মৃতের সংখ্যাও বেড়ে হয়েছে ৩৪৷ সবথেকে খারাপ অবস্থা কলকাতার৷ রাজ্যের রাজধানীতে একদিনে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় দু' হাজার৷ এই পরিস্থিতিতে এ দিন এগারো দফা নির্দেশ জারি করেছে রাজ্য সরকার৷ মূলত মানুষের সমাগম হয় যেখানে, সেখানে যাতে স্বাস্থ্য বিধি মানা হয়, সেটাই নিশ্চিত করার চেষ্টা হল এই নতুন গাইডলাইনের মাধ্যমে৷ এক নজরে দেখে নেওয়া যাক রাজ্য সরকারের জারি করা সেই নির্দেশিকাগুলি-

    ১. সাধারম মানুষের সমাগম হয় এমন সমস্ত জায়গায়, গণপরিবহণে মাস্ক পরা, স্যানিটাইজারের ব্যবহার, শারীরিত দূরত্ব বজায় রাখার মতো বিধিগুলি যাতে মানা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে স্থানীয় প্রশাসনকে৷

    ২. সরকারি, বেসরকারি সমস্ত অফিস, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, শিল্প এবং বাণিজ্য কমপ্লেক্সে সপ্তাহে অন্তত একবার সম্পূর্ণ জীবাণুনাশের কাজ করতে হবে৷

    ৩. ব্যবসায়িক সংগঠনগুলির সাহায্যে গত বছরের মতো সমস্ত বাজারগুলিতে স্যানিটাইজেশনের কাজ করতে হবে৷

    ৪. দৈনিক বা সাপ্তাহিক বাজার, গণপরিবহণে মাস্ক পরা, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতেই হবে৷

    ৫. দোকান, বাজার, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে কাজের সময় ভাগ করে দিতে হবে যাতে একসঙ্গে বেশি মানুষের ভিড় না হয়৷

    ৬. রাজ্য সরকারি অফিসগুলিতে সর্বাধিক ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে প্রতিদিন কাজ চালাতে হবে৷ কর্মীদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে অফিসে আনতে হবে৷

    ৭. বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিতেও যত বেশি সম্ভব কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার ব্যবস্থা ফের শুরু করতে হবে৷

    ৮. কর্মস্থলে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে নিশ্চিত করতে হবে যাতে কর্মীরা মাস্ক পরেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখেন৷

    ৯. শপিং মল, মাল্টিপ্লেক্স, হোটেল, রেস্তোরাঁতে আগের মতোই প্রবেশ এবং বাইরে যাওয়ার পথে স্যানিটাইজার, হ্যান্ডওয়াশ, থার্মাল স্ক্যানিং-এর ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক৷

    ১০. স্টেডিয়াম এবং সুইমিং পুলগুলিতে আগের গাইডলাইনের মতো সমস্ত বিধিনিষেধ মানতে হবে৷

    নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, এই সমস্ত গাইডলাইন না মানলে আইন অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ করা হবে৷ করোনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে তৈরি রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে নিয়মে বাঁধতে না পারলে যে বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হবে,তা বুঝেই ফের কড়া পদক্ষেপের দিকে এগোতে বাধ্য হল প্রশাসন৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: