COVID19 Maharashtra Lockdown: ১৫ দিনের লকডাউনের পথেই কি হাঁটবে মহারাষ্ট্র?

COVID19 Maharashtra Lockdown: ১৫ দিনের লকডাউনের পথেই কি হাঁটবে মহারাষ্ট্র?

মুম্বইয়ে করোনা

সূত্রমতে, বৈঠকটি প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলল। বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করে লকডাউনের পক্ষে যুক্তি দেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে৷

  • Share this:

    #মুম্বই: করোনার উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বিবেচনায় শনিবার মহারাষ্ট্রের (Maharashtra Lockdown)মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thakrey) সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। যদিও এই বৈঠকে কোনও সমাধানসূত্র সামনে আসেনি৷ তবে বৈঠকে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। উদ্ধব ঠাকরে তাঁর মন্ত্রিপরিষদের সহকর্মী এবং বিরোধী নেতাদের কাছে জানতে চান যে কোন পথে মহারাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ হতে পারে৷ কীভাবে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সেটা নিয়েও তিনি সকলের থেকে পরামর্শ চান৷ মহারাষ্ট্রে করোনার বাড়বাড়ন্ত এবং তার বিধিনিষেধগুলি (15 Days Lockdown) কীভাবে আরও কঠোর করা যায়, তা নিয়েই বৈঠকটি ডাকা হয়েছিল৷ উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে সমস্ত নেতারা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে যোগদান করেন এবং তাদের মতামত প্রকাশ করেন।

    বৈঠকে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ টোপ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিলীপ ভালসায় পাতিল, বালাসাহেব থোরাট, কংগ্রেস নেতা অশোক চৌহ্বান, মহারাষ্ট্র কংগ্রেস সভাপতি নানা পটোল, নগর উন্নয়ন মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে, বিরোধী দলনেতা দেবেন্দ্র ফড়নভিস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মহারাষ্ট্র বিজেপি সভাপতি চন্দ্রকান্ত পাতিল, মুখ্যসচিব সীতারাম কুন্তে, স্বাস্থ্য সচিব প্রদীপ ব্যাস প্রমুখ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্রমতে, বৈঠকটি প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলল। বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করে লকডাউনের পক্ষে যুক্তি দেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে৷ তবে এই প্রস্তাবে তিনি তীব্র বিরোধিতার মুখোমুখি হয়েছিলেন, বিশেষত বিরোধী বিজেপি থেকে।

    বৈঠকে যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয় আলোচিত হয়, সেগুলি হল... -১৫ দিনের কঠোর লকডাউনের কথা ভাবনাচিন্তা হচ্ছে। -টিকা একমাত্র সমাধান নয়। লকডাউনই এখন করোনা মোকাবিলায় একমাত্র আশা। - দ্রুত বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণ খুবই উদ্বেগের কারণ। -কোরোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রথমের চেয়ে মারাত্মক এবং হাসপাতালগুলিতে বেড প্রায় পূর্ণ। -কোভিড -১৯ টাস্কফোর্সের সাথে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে বৈঠক করবেন। নিষেধাজ্ঞার পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। -ভ্যাকসিনের ঘাটতি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। - অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ব্যক্তিদের সহায়তা করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। যদি লকডাউন ঘোষিত হয় তবে অন্য রাজ্যের শ্রমিকদের ফিরে যাওয়ার সময় দেওয়া উচিত।

    Published by:Pooja Basu
    First published: