Agra Hospital Shut Down: অক্সিজেন বন্ধ রেখে ‘মক ড্রিল’! ২২ রোগীর মৃত্যুর পর সিল করা হল আগ্রার হাসপাতাল

Photo Source: Twitter

অতিমারি আইনে ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে ৷ হাসপাতাল সিল করে ভর্তি থাকা ৫৫ জন রোগীকে অন্যত্র সরানো হয়েছে ৷

  • Share this:

    আগ্রা: অক্সিজেনের আকাল সামাল দিতে যে কোনও হাসপাতাল এমন কাণ্ডও ঘটাতে পারে, তা হয়তো বিশ্বাস করাই কঠিন ৷ কিন্তু উত্তর প্রদেশের আগ্রায় সম্প্রতি অক্সিজেন বাঁচাতে বেশ কিছুক্ষণের জন্য অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ রাখা হয় ৷ যার জেরে ওই হাসপাতালে ২২ জন রোগীর মৃত্যু হয় বলে দাবি করা হচ্ছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওয়ে ওই বেসরকারি হাসপাতালের মালিককে বলতে শোনা গিয়েছে, গত ২৬ এপ্রিল হাসপাতালে রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাঁচ মিনিটের জন্য অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে কাদের সমস্যা হচ্ছে আর কাদের নয়, তা দেখা হচ্ছিল। এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরই তদন্তের নির্দেশ দেয় জেলা প্রশাসন। অতিমারি আইনে ওই হাসপাতালের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে ৷ হাসপাতাল সিল করে ভর্তি থাকা ৫৫ জন রোগীকে অন্যত্র সরানো হয়েছে ৷

    করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ দেশে আছড়ে পড়ার পর সবচেয়ে বেশি করে প্রকট হয়েছে অক্সিজেনের সংকট (Oxygen Crisis) ৷ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অক্সিজেনের অভাবে প্রিয়জনদের হারাতে হয়েছে হাজার হাজার পরিবারকে৷ জীবনদায়ী অক্সিজেনের জন্য হাসপাতালগুলিতে দেখা গিয়েছে হাহাকার৷ রাজধানী দিল্লির মত শহরেও মানুষকে দেখা গিয়েছে একটু অক্সিজেনের জন্য পথে ঘাটে হাহাকার করতে। সেই অক্সিজেনই ইচ্ছেকৃতভাবে খুলে দিয়ে পাঁচ মিনিটে ২২ জন কোভিড রোগীকে কার্যত মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে আগ্রার হাসপাতালে৷

    কাউকে কিছু না-জানিয়ে চুপিসারে অক্সিজেনের মক ড্রিল (Oxygen Mock Drill) চালানো হয় বলে অভিযোগ৷ অক্সিজেনের সংকটের সময়ে কোন কোভিড রোগী অক্সিজেন ছাড়া থাকতে পারবেন, আর কারা পারবেন না, তা বুঝে নিতে রোগীদের অক্সিজেন দেওয়া বন্ধ করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৷ অভিযোগ, ভাইরাল হওয়া একটি অডিও ক্লিপে এই কথা স্বীকার করেছেন খোদ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একজন। জানা গিয়েছে এমন 'মারণ' মক ড্রিল চলাকালীনই মুহূর্তে নীল হয়ে যায় রোগীদের দেহ ৷

    সকাল ৭টা নাগাদ ৫ মিনিটের জন্য গোটা হাসপাতালে অক্সিজেন বন্ধ রাখা হয় ৷ এতে ২২ জন রোগী সঙ্কটাপন্ন হয়ে পড়েন ৷ অক্সিজেনের অভাবে কাউকে না জানিয়েই 'মক ড্রিল'-এর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। পাঁচ মিনিটের জন্য বন্ধ রাখা হয় অক্সিজেন পরিষেবা। হাসপাতালের মালিকের দাবি, 'প্রয়োজনে রোগীরা অক্সিজেন ছাড়া বেঁচে থাকতে পারেন কি না, তা দেখার জন্যই অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়।'

    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published: