TRENDING:

North 24 Parganas: এই পথেই এসেছিলেন নেতাজি, বসিরহাট থেকে ধান্যকুড়িয়া আজও বহন করে সেই ইতিহাস

Last Updated:
North 24 Parganas: বসিরহাট শহরের ত্রিমোনী এলাকা হয়ে নেতাজি পৌঁছান মার্টিন বার্ন রোডে। এই পথটি তখন মার্টিন বার্ন সংকীর্ণ গেজ রেলপথের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল ছিল। এখানেই স্থানীয় কংগ্রেস কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে তাঁকে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়।
advertisement
1/6
এই পথেই এসেছিলেন নেতাজি, বসিরহাট থেকে ধান্যকুড়িয়া আজও বহন করে সেই ইতিহাস
১৯২৯ সালে কংগ্রেসের প্রাদেশিক সভা শেষে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু বসিরহাট হাই স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে যাত্রা শুরু করেন। সভাস্থল ছিল বর্তমান ভবনের ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর কক্ষ এবং স্কুল মাঠ। সভা শেষে জনতার উল্লাস ও স্লোগানের মধ্যেই তাঁর যাত্রার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
advertisement
2/6
বসিরহাট শহরের ত্রিমোনী এলাকা হয়ে নেতাজি পৌঁছান মার্টিন বার্ন রোডে। এই পথটি তখন মার্টিন বার্ন সংকীর্ণ গেজ রেলপথের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল ছিল। এখানেই স্থানীয় কংগ্রেস কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে তাঁকে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়।
advertisement
3/6
ত্রিমোনী সংলগ্ন স্টেশন বা রেলপথ থেকে নেতাজি মার্টিন বার্ন রেলে আরোহন করেন। এই রেলপথ বসিরহাটকে ধান্যকুড়িয়া ও পার্শ্ববর্তী গ্রামীণ অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করত। ধীরে চলা এই রেলযাত্রায় পথের দুই ধারে মানুষ জড়ো হয়ে নেতাজিকে অভিবাদন জানায়।
advertisement
4/6
রেলপথে যাত্রাকালে বসিরহাট সংলগ্ন একাধিক গ্রামীণ জনপদ, খাল-বিল ও কৃষিজমি অতিক্রম করা হয়। এই সময় বিভিন্ন ছোট ছোট হাল্টে মানুষ নেতাজিকে দেখতে ভিড় জমায়। এই যাত্রাপথেই বসিরহাট ও ধান্যকুড়িয়ার রাজনৈতিক সংযোগ আরও দৃঢ় হয়।
advertisement
5/6
রেলযাত্রা শেষে নেতাজি ধান্যকুড়িয়া এলাকায় পৌঁছান। তৎকালীন ধান্যকুড়িয়া ছিল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক চর্চার কেন্দ্র, রাজবাড়ি ও আশপাশের এলাকায় জাতীয়তাবাদী আলোচনা চলত নিয়মিত।
advertisement
6/6
ধান্যকুড়িয়া পৌঁছে নেতাজি স্থানীয় নেতৃত্ব ও সমাজকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাজবাড়ি-কেন্দ্রিক এলাকা ও পার্শ্ববর্তী জনপদে তাঁর উপস্থিতি স্বাধীনতা আন্দোলনের বার্তাকে আরও ছড়িয়ে দেয়।
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
North 24 Parganas: এই পথেই এসেছিলেন নেতাজি, বসিরহাট থেকে ধান্যকুড়িয়া আজও বহন করে সেই ইতিহাস
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল