East Medinipur News: রাজস্থানের ‘শিশমহল’ এবার খেজুরিতে, সন্ধে হলেই ছুটে আসছে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ, ব্যাপারটা কী?
- Reported by:Madan Maity
- Published by:Riya Das
Last Updated:
East Medinipur News: শিশমহলের ছোঁয়ায় আলোকিত খেজুরি, প্রথম দিন থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড়। প্রতিবারের মত এবারও তারা জেলাবাসীর নজর কাড়তে থিমের মণ্ডপ নিয়ে এসেছে। প্রথম দিন থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তের দর্শনার্থীরা ভিড় জমাতে শুরু করেছেন।
advertisement
1/6

দুর্গাপুজো, কালীপুজোর মত এবার বাসন্তী পুজোতেও থিমের চমক পূর্ব মেদিনীপুরে। রাজস্থানের শীষমহলের আদলে তৈরি হয়েছে মণ্ডপ। বসন্তের সন্ধ্যায় চোখ ধাঁধানো আলো ঝলমলে এই মণ্ডপ আপনার মন কাড়বে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরির দেউলপোতা গ্রাম্য গোষ্ঠী পাঁচ দশক ধরে বাসন্তী পুজোর আয়োজন করে আসছে। এবছর তারা ৫৩ তম বর্ষে পদার্পণ করল। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
advertisement
2/6
প্রতিবারের মত এবারও তারা জেলাবাসীর নজর কাড়তে থিমের মণ্ডপ নিয়ে এসেছে। প্রথম দিন থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তের দর্শনার্থীরা ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। সন্ধ্যা নামলেই আলোর সাজে মণ্ডপ একেবারে অন্য রূপে দেখা যাচ্ছে। রাজস্থানের জয়পুরের শিশমহল বা ‘মিরর প্যালেস’ মুঘল ও রাজপুত স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন। সেই ঐতিহাসিক স্থাপত্যের আদলেই তৈরি হয়েছে এবারের মণ্ডপ।
advertisement
3/6
এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এই মহলের ছাদ এবং দেওয়ালগুলো হাজার হাজার ছোট ছোট আয়না এবং রঙিন কাঁচের টুকরো দিয়ে সাজানো। একটিমাত্র মোমবাতি বা প্রদীপ জ্বালালেও সেই আলো চারদিকে প্রতিফলিত হয়। পুরো মহল তখন ঝলমলে আলোয় ভরে ওঠে। ঠিক সেই বৈশিষ্ট্যই মণ্ডপে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন শিল্পীরা।
advertisement
4/6
মণ্ডপের ভেতরে ঢুকলেই দর্শনার্থীরা যেন অন্য এক জগতে পৌঁছে যাচ্ছেন। ছোট ছোট আয়নার আলোয় পুরো পরিবেশ আলোকোজ্জ্বল হয়ে উঠছে। পুরো মণ্ডপ সাজানো হয়েছে রঙিন কাঁচের টুকরো এবং আয়নার কাজ দিয়ে। সঙ্গে রয়েছে আকর্ষণীয় আলোকসজ্জা। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত আলোয় ঝলমল করছে পুরো মণ্ডপ চত্বর।
advertisement
5/6
মেদিনীপুর থেকে আসা এক দর্শনার্থী সৌম কোলে বলেন, 'এই মণ্ডপ দেখতে এসে যেন খেজুরি থেকে সরাসরি রাজস্থানে পৌঁছে গেছি। মণ্ডপের বাইরের অংশেও বিশেষ সাজসজ্জা করা হয়েছে। প্রবেশ পথ থেকে শুরু করে পুরো প্রাঙ্গণেই রয়েছে বসন্তের আমেজ।' এ বছর পুজোর বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। ন’দিন ধরে চলবে মেলা।
advertisement
6/6
দেউলপোতা গ্রাম্য গোষ্ঠীর কর্মকর্তা তনুজ বেরা বলেন, “এবার আমরা সম্পূর্ণ নতুন ধরনের থিম নিয়ে কাজ করেছি। রাজস্থানের শিশমহলের আদল তৈরি করা খুব সহজ ছিল না। কিন্তু শিল্পীরা অনেক পরিশ্রম করে এই মণ্ডপ তৈরি করেছেন। প্রতিদিনই হাজার হাজার দর্শনার্থ মণ্ডপ দেখতে আসছেন। সন্ধ্যার পর দর্শকদের ভিড় আরও বেড়ে যাচ্ছে। মানুষের এত ভালোবাসা পেয়ে আমরা সত্যিই খুব উৎসাহিত।”
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/পূর্ব মেদিনীপুর/
East Medinipur News: রাজস্থানের ‘শিশমহল’ এবার খেজুরিতে, সন্ধে হলেই ছুটে আসছে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ, ব্যাপারটা কী?