Howrah News: দোকানের সামনে থাকত লম্বা লাইন, কেনার জন্য উতলা হয়ে যেতেন মানুষ! আজ কেউ খোঁজ পর্যন্ত নেয় না
- Reported by:RAKESH MAITY
- hyperlocal
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
Howrah News: মুন্সিরহাট ফতেআলীর মেলা একসময় কালো কলসি বিখ্যাত ছিল, বর্তমানে যা মেলা থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। শুধু রয়ে গিয়েছে নাম।
advertisement
1/7

হারিয়ে গেছে কালো কলসির মেলা! এই মেলায় বিখ্যাত কালো কলসি নিতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে টানেই হাজির হত মানুষ। এই মেলার মূল আকর্ষণ ছিল, কলসি, শুঁটকিমাছ আর পুতুল নাচ। (ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
advertisement
2/7
প্রাচীন এই মেলায় গৃহস্থালির সরঞ্জাম, লোহার তৈরি কাটারি, কোদাল, কাঠের নানা জিনিস সেই সঙ্গে মাটির বয়। নানা জিনিস সংগ্রহ করতে জেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এই মেলায় হাজির হন।
advertisement
3/7
মুন্সিরহাট ফতে আলীর মেলা মানে, সারি সারি মাটির বাসনপত্রের দোকান। সমস্ত দোকানেই ঠাসা বাসনপত্র, তখন প্রত্যেক দোকানে দেখা যেত সার দিয়ে কালো কলসি। সেই সময় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলত মেলা। কালো কলসির জনপ্রিয়তা এতটাই ছিল যে এক একটি দোকানে শতাধিক কলসি বিক্রি হত।
advertisement
4/7
কালো কলসির চাহিদা এতটাই ছিল যে, মেলায় প্রবেশ করে প্রথমেই মানুষ কালো কলসি নিতে আগ্রহ দেখাত। কলসি শেষ হওয়ার আগে সংগ্রহ করতে হুড়োহুড়ি লেগে যেত।
advertisement
5/7
একসময় এই মেলা পুতুল না,চ কালো কলসি ও ভাজা বাদামের জন্য বিখ্যাত ছিল। নিয়ম মেনে প্রাচীন এই মেলা প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হলেও, সময়ের তালে মানুষের জীবন জীবিকার ধরন বদলের সঙ্গে হয়েছে চাহিদার বদল। কালের নিয়মই হারিয়ে গেছে কালো কলসি ও মেলার পুতুল নাচ।
advertisement
6/7
বিক্রেতা শুভজিৎ পাল বংশ-পরম্পরায় এখানে মাটির জিনিস বিক্রেতা। তিনি জানান গত কয়েক বছর আগেও কালো কলসি বিক্রি হয়েছে এই মেলায়। মাটির জিনিসের চাহিদা কমছে। সেই দিক থেকে কালো কলসির চাহিদা একেবারেই কম। আর চাহিদা কমতে কমতে এখন নিশ্চিহ্ন কালো কলসি। কালো কলসি রয়ে গিয়েছে শুধু কিছু মানুষের মুখে মেলার নামকরণে।
advertisement
7/7
বর্তমানে লাল কলসি বিক্রি হচ্ছে যেগুলি ২৫০ থেকে ৫৫০ টাকা পর্যন্ত দামে। তবে মাটির জিনিসের চাহিদা একেবারেই কম। একসময় অসংখ্য মাটির জিনিসের দোকান হত। বর্তমানে ৩-৪ টি দোকানের দেখা পাওয়া যায় গোটা মেলা জুড়ে। (ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
Howrah News: দোকানের সামনে থাকত লম্বা লাইন, কেনার জন্য উতলা হয়ে যেতেন মানুষ! আজ কেউ খোঁজ পর্যন্ত নেয় না