East Bardhaman News: আগে কাছে গেলেই গা ঘিনঘিন করত, এখন সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকে লোকে! আইসি'র উদ্যোগে ভোলবদল হাসপাতালের
- Reported by:Bonoarilal Chowdhury
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
East Bardhaman News: একটা সময় সর্বক্ষণ মাছি ভনভন করত। পাশ দিয়ে যেতে গা গুলিয়ে উঠত মানুষের। কিন্তু সেখানেই আজ মনভোলানো দৃশ্য। আবর্জনার স্তূপের জায়গায় এখন চোখ জড়ানো ফুলের বাগান।
advertisement
1/5

বছরখানেক আগেও হাসপাতালের সামনের জায়গাটি ছিল একেবারেই পরিত্যক্ত। সেখানে জমে থাকত ময়লা-আবর্জনার স্তূপ, চারপাশে সারাক্ষণ ভনভন করত মশা-মাছি। তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠতেন হাসপাতালের রোগী, তাঁদের পরিজন থেকে শুরু করে আশপাশের সাধারণ মানুষ। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
2/5
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই দৃশ্য বদলে গেছে আমূল। আবর্জনার স্তূপের জায়গায় এখন চোখ জড়ানো ফুলের বাগান। পরিত্যক্ত জায়গাটি আজ রঙিন ফুলে ভরে উঠেছে, আর দুর্গন্ধের জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে ফুলের মনভোলানো সুবাস।
advertisement
3/5
এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন নাদনঘাট থানার আইসি বিশ্ববন্ধু চট্টরাজ। নিজের কাঁধে দায়িত্ব তুলে নিয়ে তিনি হাসপাতাল পরিষ্কারের উদ্যোগ নেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও কর্মীদের সহযোগিতায় তিনি পরিত্যক্ত জমিতে গড়ে তুলেছেন সুন্দর ফুলের বাগান।
advertisement
4/5
আইসি বিশ্ববন্ধু চট্টরাজ বলেন, “এই জায়গায় আগে নির্বিচারে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হত। সেখান থেকে ব্যাপক দুর্গন্ধ ছড়াত। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পরই ঠিক করি জায়গাটার চেহারাই বদলে দেব।” বর্তমানে এই বাগানে রয়েছে গোলাপ, গাঁদা, ডালিয়া, জবা সহ নানা ধরনের ফুল গাছ।
advertisement
5/5
এদিন শ্রীরামপুর গ্রামীণ হাসপাতালে পরিদর্শনে এসে স্বাস্থ্য ভবনের হেলথ সার্ভিস ডিরেক্টর ডঃ সপন সোরেন এবং সি এম ও এইচ জয় রাম হেমরম এই উদ্যোগ দেখে আপ্লুত হন। ডঃ সপন সোরেন বলেন, “এই বাগান আমার খুবই ভাল লাগলো। আইসি সাহেবের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।” হাসপাতালের রোগীরাও এই পরিবর্তনে দারুণ খুশি। (তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
East Bardhaman News: আগে কাছে গেলেই গা ঘিনঘিন করত, এখন সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকে লোকে! আইসি'র উদ্যোগে ভোলবদল হাসপাতালের