TRENDING:

Rare Deep-Space Solar Eclipse: অতল মহাকাশে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ! চন্দ্রাভিযানে অনন্ত সময় ধরে দেখলেন আর্টেমিস-২ অভিযানের মহাকাশচারীরা

Last Updated:
Rare Deep-Space Solar Eclipse: নাসার আর্টেমিস ২ মহাকাশযানের নভোচারীরা মঙ্গলবার ভোরে চাঁদের সবচেয়ে কাছে পৌঁছেছিলেন। নভোচারী দলটি এখন পৃথিবীর দিকে ফিরে আসছে।
advertisement
1/8
অতল মহাকাশে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ! চন্দ্রাভিযানে অনন্ত সময় ধরে দেখলেন আর্টেমিস-২ অভিযানের মহাকাশচারীরা
নাসার আর্টেমিস ২ অভিযানের চারজন নভোচারী এমন এক মহাজাগতিক দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছেন যা পৃথিবীর কোনও মানুষ দেখতে পায় না। ওরিয়ন মহাকাশযানটি চাঁদের আড়ালে চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নভোচারীরা পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের পর্যায়ে প্রবেশ করেন। গভীর মহাকাশে তাদের সুবিধাজনক অবস্থান থেকে চাঁদ সূর্যকে সম্পূর্ণরূপে ঢেকে দেয়, ফলে দিনের আলো গভীর অন্ধকারে পরিণত হয়। ( ছবির বাঁ দিকের অংশ AI দ্বারা নির্মিত)
advertisement
2/8
ভারতীয় সময় সকাল ৬:০৫ মিনিটে শুরু হওয়া এই বিরল অবস্থানটি চার সদস্যের ক্রু-কে সৌর চাকতির তীব্র ঝলকানি ছাড়াই সূর্যের সর্ববহিঃস্থ বায়ুমণ্ডল, যা সৌর করোনা নামে পরিচিত, তা পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ করে দিয়েছিল।
advertisement
3/8
এই গভীর মহাকাশের সূর্যগ্রহণটি মঙ্গলবার ভারতীয় সময় সকাল ৭:০২ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। পৃথিবীতে হওয়া সূর্যগ্রহণ যেখানে মাত্র কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়, সেখানে মহাকাশযানটির গতিপথ এবং চাঁদের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এই ঘটনাটি অনেক বেশি সময় ধরে প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পান মহাকাশচারীরা।
advertisement
4/8
সৌর করোনা একটি অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক আগ্রহের অঞ্চল, কারণ এটি সূর্যের পৃষ্ঠের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি উষ্ণ—একটি চিরস্থায়ী রহস্য যা সৌর পদার্থবিদরা এখনও ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন। চাঁদকে প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নভোচারীরা করোনার ঝিকিমিকি করা, সূক্ষ্ম তন্তুগুলোকে মহাকাশে প্রসারিত হতে পর্যবেক্ষণ করেছেন।
advertisement
5/8
নভোচারী দলটি বিশেষায়িত ক্যামেরা ও সুরক্ষামূলক চশমার সাহায্যে এই বৈশিষ্ট্যগুলো নথিভুক্ত করছে। তাঁদের এই পর্যবেক্ষণ ভূপৃষ্ঠের বিজ্ঞানীদের সৌর বায়ু ও সৌর শিখা সম্পর্কে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেবে, যা পৃথিবীর উপগ্রহ সংক্রান্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ গ্রিডকে প্রভাবিত করতে পারে।
advertisement
6/8
নাসার আর্টেমিস ২ অভিযানের নভোচারীরা মঙ্গলবার ভোরে (ভারতীয় সময় অনুযায়ী) চাঁদের সবচেয়ে কাছে এসেছিলেন। এর আগে, তাদের মহাকাশযানটি চাঁদের দূরবর্তী অংশের পিছন দিয়ে যাওয়ার সময় ৪০ মিনিট ধরে রেডিও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। নভোচারী দলটি এখন পৃথিবীর দিকে ফিরে আসছে।
advertisement
7/8
ওরিয়ন মহাকাশযানটি চাঁদের দূরবর্তী অংশ প্রদক্ষিণ করার সময় চারজন নভোচারী ৪০ মিনিটের জন্য নাসার সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেন। যার ফলে তারা গত ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে যে কোনও মানুষের চেয়ে পৃথিবী থেকে আরও দূরে এবং আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে পাইলট ভিক্টর গ্লোভার বলেছিলেন, “অপর প্রান্তে আপনাদের সঙ্গে দেখা হবে।”
advertisement
8/8
মহাকাশযানটি চাঁদের আড়াল থেকে পুনরায় আবির্ভূত হওয়ার পর, নাসা যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করতে সক্ষম হয়। ওরিয়ন থেকে নীরবতা ভেঙে মিশন স্পেশালিস্ট ক্রিস্টিনা কচ বলেন, “হিউস্টন, ইন্টিগ্রিটি, কম চেক। আবার পৃথিবী থেকে সাড়া পেয়ে খুব ভালো লাগছে।” উত্তরে হিউস্টন মিশন কন্ট্রোল পাল্টা জানায়, “আপনি পৃথিবীতে আছেন, এবং আমরা আপনাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে প্রস্তুত”।
বাংলা খবর/ছবি/প্রযুক্তি/
Rare Deep-Space Solar Eclipse: অতল মহাকাশে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ! চন্দ্রাভিযানে অনন্ত সময় ধরে দেখলেন আর্টেমিস-২ অভিযানের মহাকাশচারীরা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল