Asian Games : বাংলার মেয়ের বিশ্বরেকর্ড! হাওড়ার কোয়েল ও অনিকের ৩টি সোনার পদক জয়
- Reported by:RAKESH MAITY
- hyperlocal
- Published by:Suman Majumder
Last Updated:
Commonwealth Championship- ভারাত্তোলনে দুর্দান্ত সাফল্য বাংলার ছেলে-মেয়ের। কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপে সোনার পদক জয় হাওড়ার কোয়েল ও অনিকের। ভারাত্তোলন জগতে আশার আলো ভারতের।
advertisement
1/6

হাওড়া, রাকেশ মাইতি : ভারাত্তোলনে দুর্দান্ত সাফল্য বাংলার ছেলে-মেয়ের। কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপে সোনার পদক জয় হাওড়ার কোয়েল ও অনিকের। ভারাত্তোলন জগতে আশার আলো ভারতের। এবার আমেদাবাদে কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপে মঙ্গলবার কোয়েল বর ও অনিক মুদি' র বড়সড় সাফল্য। অনিক ও কোয়েলের হাত ধরে তিনটি সোনা।
advertisement
2/6
কোয়েল বর সাব- জুনিয়র, জুনিয়র ভারাত্তোলন ৫৩ কেজি বিভাগে অংশগ্রহণ করেন । স্নাচ - ৮৫ কেজি এবং ক্লিন এন্ড জার্ক - ১০৭ কেজি ওজন তোলেন। পদক জয়ের পাশাপাশি কোয়েলের দখলে আরও বিশ্ব রেকর্ড। এতদিন এই বিভাগে ১০৫ কেজি ক্লিন এন্ড জার্ক রেকর্ড ছিল, সেই রেকর্ড অতিক্রম করে নতুন রেকর্ড গড়ে কোয়েল বর। একইসঙ্গে স্ন্যাচে ৮৫ কেজি ওজন তুলে বিশ্ব রেকর্ড স্পর্শ করে। (ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি )
advertisement
3/6
কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫ এ সাব-জুনিয়র ৬৫ কেজি বিভাগে অংশগ্রহণ করে অনিক মুদি। স্ন্যচ - ১০৩ কেজি এবং ক্লিন এন্ড জার্ক - ১৩৫ কে কেজি মোট ২৩৮ কেজি ভার উত্তোলন করে স্বর্ণপদক জয় করে হাওড়া'র অনিক মুদি। (ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
advertisement
4/6
ভারাত্তোলনে দেশে বাংলা তথা হাওড়ার নাম উজ্জ্বল। সাব-জুনিয়ার এ স্বর্ণপদক জয় অনিকের। সাব -জুনিয়র এবং জুনিয়ার দুই বিভাগে জোড়া স্বর্ণপদক জয় করে কোয়েল বর। অচিন্ত্য শ্রাবনী দের পর কয়েক বছরে নতুন প্রজন্ম ভারাত্তোলনের প্রতি দারুণ আগ্রহ দেখিয়েছে। এই সাফল্য নতুন প্রজন্মকে আরও অনেক উৎসাহ জোগাবে। (ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
advertisement
5/6
অনিকের সোনার পদক জয় প্রসঙ্গে প্রশিক্ষক বাবা শ্রীকান্ত মুদী এবং প্রলয় বাগ জানিয়েছেন, খেলার প্রতি জেদ অনিককে আরও বেশি সফলতার দিকে এগিয়ে রাখে। তবে অনুশীলনে যে পরিমাণ ভার উত্তোলন করে, তা সম্পূর্ণ প্রদর্শন করতে পারেনি এই প্রতিযোগিতায়। এই পদক জয় আরও বেশি আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে ওর। এশিয়ান গেমসেও সাফল্য আসবে। কোয়েল নিজের সেরাটা উজার করে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে সক্ষম হয়েছেন। এই প্রসঙ্গে প্রশিক্ষক অষ্টম দাস জানান, শুধু শক্তি নয়, ভারোত্তলনে টেকনিক্যাল দক্ষতা থাকলে তবেই সফলতা। (ছবি ও তথ্য: রাকেশ মাইতি)
advertisement
6/6
হাওড়ার দেউলপুরে কিন্তু আজও রয়ে গেছে প্রশিক্ষণ শিবিরের দুরবস্থা। বৃষ্টি হলেই একসঙ্গে সমস্ত ছেলে-মেয়ের অনুশীলন বন্ধ হয়ে যায়। প্রশিক্ষণ শিবিরে মাথার শেড নেই, আরও অসুবিধা পায়ের নিচের কাঠের পাটাতন নেই। এই প্রতিকূল অবস্থা থেকেই একের পর এক সাফল্য। গ্রামের প্রশিক্ষকরা জানান, অচিন্ত্য শিউলির সাফল্যের পর অনেক প্রতিশ্রুতি ছিল, কিন্তু বিন্দুমাত্র কাজ হয়নি। উপযুক্ত পরিবেশ হলে হয়তো এই সাফল্য আরো বেশি আসতে পারে, জানাচ্ছেন প্রশিক্ষক অষ্টম দাস, প্রলয় বাগ।