Golden Girl: বয়স মাত্র ১১, তার মোক্ষম প্যাঁচে কাত বিশ্বের তাবড় প্রতিপক্ষ, বসিরহাটের আরাধ্যার সোনা জয়ের গল্প
- Reported by:JULFIKAR MOLLA
- Published by:Debalina Datta
Last Updated:
Golden Girl: ১১ বছরের আরাধ্যার সোনার জয়, বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল বসিরহাট
advertisement
1/6

দন্ডিরহাটের ছোট্ট মেয়ে, বয়স মাত্র ১১—তবু তার সাফল্যের উচ্চতা আজ বিশ্বমঞ্চ ছুঁয়েছে। বসিরহাটের কৃতি কন্যা আরাধ্যা কুন্ডু থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত মুইয়া থাই ওয়াল্ড চ্যাম্পিয়ানশিপ -এ অসাধারণ পারফরম্যান্স করে জয় করেছে গোল্ড মেডেল। মাএই প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ নিজের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস দিয়ে সকলকে চমকে দিয়েছে।
advertisement
2/6
ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি প্রবল আগ্রহ ছিল আরাধ্যার। পরিবারের উৎসাহ এবং নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মার্শাল আর্টের জগতে নিজের জায়গা তৈরি করে নিতে সক্ষম হয়েছে সে। তার এই সাফল্য শুধু তার ব্যক্তিগত নয়, গোটা বসিরহাট তথা বাংলার গর্ব।
advertisement
3/6
মুয়াই থাই, যা থাইল্যান্ডের অন্যতম জনপ্রিয় মার্শাল আর্ট, সেই কঠিন প্রতিযোগিতামূলক মঞ্চে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করা সহজ নয়। কিন্তু আরাধ্যা তার প্রতিটি মুভে দেখিয়েছে অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ, শক্তি এবং কৌশল। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তার এই জয় সত্যিই প্রশংসনীয়।
advertisement
4/6
এই সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তার প্রশিক্ষক শান্তনু বসুর। মাত্র ৮ মাসের কঠোর প্রশিক্ষণে আরাধ্যাকে এমন উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়া নিঃসন্দেহে এক বড় কৃতিত্ব। নিয়মিত অনুশীলন, শৃঙ্খলা এবং সঠিক গাইডেন্স—এই তিনের মেলবন্ধনেই গড়ে উঠেছে এই সাফল্য।
advertisement
5/6
রাজ্য ও জাতীয় স্তরের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিকভাবে ভাল পারফরম্যান্স করার পরই আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশগ্রহণের সুযোগ পায় আরাধ্যা। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সে প্রমাণ করেছে—পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাস থাকলে বয়স কোনো বাধা নয়।
advertisement
6/6
আরাধ্যা কুন্ডুর এই সাফল্য আগামী প্রজন্মের কাছে এক বড় অনুপ্রেরণা। তার এই অর্জন শুধু একটি পদক নয়, বরং বাংলার ক্রীড়া জগতের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ভবিষ্যতে সে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে—এই প্রত্যাশাই এখন সকলের।