TRENDING:

লন্ডনের প্রাসাদ, দুবাইয়ের ভিলা থেকে ইউরোপে একাধিক হোটেল ! সারা বিশ্বে কীভাবে ২৭,৫০০ কোটি টাকার বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন মোজতবা খামেনেই?

Last Updated:
How Mojtaba Khamenei built a global asset empire worth Rs 27,500 crore: ব্লুমবার্গ নিউজ-এর একটি সাম্প্রতিক তদন্তে আবারও উঠে এসেছে যে, কীভাবে মোজতবা খামেনেই-এর সঙ্গে যোগ থাকা সম্পত্তি বিশ্বের একাধিক দেশে ডালপালা মেলেছে।
advertisement
1/18
লন্ডনের প্রাসাদ, দুবাইয়ের ভিলা থেকে ইউরোপে একাধিক হোটেল ! সারা বিশ্বে কীভাবে ২৭,৫০০ কোটি টাকার বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন মোজতবা খামেনেই?
আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-এর মৃত্যুর পরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেইকে। আর এই বিষয়টা কেবল ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোর জন্যই নয়, তার পাশাপাশি সেখানকার শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত বিশাল আর্থিক নেটওয়ার্কগুলির জন্যও নতুন করে এক তদন্তের জন্ম দিয়েছে। বছরের পর বছর ধরে হয়ে আসা তদন্ত থেকে উঠে এসেছে যে, খামেনেই পরিবারের প্রভাব শুধু রাজনীতির ক্ষেত্রেই নয়, তার বাইরেও আন্তর্জাতিক সম্পত্তি, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মতো জটিল ক্ষেত্রেও ছড়িয়ে পড়েছে।
advertisement
2/18
ব্লুমবার্গ নিউজ-এর একটি সাম্প্রতিক তদন্তে আবারও উঠে এসেছে যে, কীভাবে মোজতবা খামেনেই-এর সঙ্গে যোগ থাকা সম্পত্তি বিশ্বের একাধিক দেশে ডালপালা মেলেছে। এর মধ্যে লন্ডনের বিলাসবহুল রিয়েল এস্টেট থেকে শুরু করে ইউরোপ এবং গালফ জুড়ে থাকা আর্থিক সংযোগ পর্যন্ত রয়েছে। Photo: AP
advertisement
3/18
বিশ্বব্যাপী আর্থিক নেটওয়ার্কের অভিযোগ: প্রায় এক বছর ধরে একটি তদন্ত চালিয়ে গিয়েছে ব্লুমবার্গ নিউজ। আর সেই তদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, মোজতবা খামেনেই এমন এক গভীর আর্থিক এবং সম্পত্তির নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে, যার জাল ছড়িয়ে রয়েছে ব্রিটেন, ইউরোপের বেশ কিছু অংশ এবং গালফ অঞ্চল জুড়ে।  তদন্তের ওই রিপোর্টটি রিয়েল এস্টেট সংক্রান্ত রেকর্ড, গোপনীয় ব্যবসায়িক নথি এবং পশ্চিমি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছিল। (File Photo Reuters)
advertisement
4/18
সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, এই গোটা সিস্টেমটি আসলে মালিকানা কাঠামোর একাধিক স্তর এবং আর্থিক লেনদেনের উপর নির্ভরশীল। যেখানে ইরানি নেতার সঙ্গে মালিকানা কিংবা সমস্ত আর্থিক লেনদেনের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, সেই বিষয়টা স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাবে না।(Photo: AP)
advertisement
5/18
আসলে এর মধ্যে বেশ কিছু সম্পত্তি মধ্যস্থতাকারী এবং এমন সমস্ত কোম্পানির মাধ্যমে রাখা হয়েছে, যেগুলির তেমন ব্যবসায়িক সক্রিয়তা নেই। এগুলি আবার শেল কোম্পানি হিসেবে পরিচিত। তাই মোজতবা খামেনেইয়ের সঠিক সম্পদের পরিমাণটা ঠিক কত, সেটা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। যদিও অনুমান ব্যাপক ভাবে পরিবর্তিত হয়। তবে কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, মোজতবা খামেনেইয়ের ব্যক্তিগত সম্পদ ৩ বিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২৭,৫০০ কোটি টাকা) ছাড়িয়ে যেতে পারে। (Photo: AP)
advertisement
6/18
লন্ডনের সম্পত্তি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত: ব্লুমবার্গ-এর তদন্তে সবচেয়ে আকর্ষণীয় তথ্যগুলির মধ্যে অন্যতম হল - উত্তর লন্ডনের বিশপস অ্যাভিনিউয়ে থাকা বিলাসবহুল সম্পত্তি। প্রসঙ্গত বিশপস অ্যাভিনিউ এমন একটি রাস্তা, যা ‘বিলিওনেয়ার্স রো’ নামে পরিচিত। সংশ্লিষ্ট তদন্তের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, এই রাস্তার বেশ কয়েকটি প্রাসাদ মোজতবা খামেনেইয়ের বৃহত্তর আর্থিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত বলেই মনে করা হচ্ছে। সম্পত্তিগুলির মধ্যে একটি ২০১৪ সালে ৩৩.৭ মিলিয়ন পাউন্ডে কেনা হয়েছিল। (Photo: AP)
advertisement
7/18
কড়া নজরদারি ব্যবস্থায় মোড়া প্রধান ফটকগুলিতে রয়েছে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আর এই উচ্চ নিরাপত্তায় মোড়া প্রধান ফটকের আড়ালে থাকা বাড়িগুলির বেশিরভাগই কিন্তু খালি রয়ে গিয়েছে বলে খবর। তবে কখনও কখনও কালো কাচে ঢাকা এসইউভি গাড়িতে নিরাপত্তা কর্মীদের প্রাসাদের বাইরে অবস্থানরত অবস্থায় দেখা যায়।
advertisement
8/18
জানা গিয়েছে যে, লন্ডনের এই বাড়িগুলির মোট আনুমানিক মূল্য ১৩০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবে এই সম্পত্তিগুলি আনুষ্ঠানিক ভাবে মোজতবা খামেনেইয়ের নামে রেজিস্টার্ড নয়। মালিকানার রেকর্ড দেখে বোঝা যায় যে, ইরানের তেল ব্যবসায়ী আলি আনসারির সঙ্গে যোগ রয়েছে, এমন একটি শেল কোম্পানির নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এগুলি পরিচালিত হচ্ছে। এদিকে আবার ওই শেল কোম্পানির বিরুদ্ধেই নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে ব্রিটেন।
advertisement
9/18
এখানেই শেষ নয়, ব্রিটেন সরকার ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে আনসারির উপরেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যদিও নিজের আইনজীবীর মাধ্যমে আনসারি আবার মোজতবা খামেনেইয়ের সঙ্গে আর্থিক বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক অস্বীকার করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি এ-ও বলেছেন যে, তিনি নিষেধাজ্ঞাগুলিকে চ্যালেঞ্জ করার পরিকল্পনা করছেন। (Photo: AP)
advertisement
10/18
ইউরোপ, দুবাই এবং কানাডা জুড়ে থাকা বিপুল সম্পত্তি: ব্লুমবার্গ-এর তদন্তে আরও বেশ কয়েকটি দেশের সম্পত্তি এবং আর্থিক যোগগুলিও উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে দুবাইয়ের একটি ধনী অভিজাত এলাকায় থাকা একটি বিলাসবহুল ভিলা। এই এলাকাটি আবার ‘দুবাইয়ের বেভারলি হিলস’ নামেও পরিচিত। এখানেই শেষ নয়, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগ রয়েছে, এমন অন্যান্য সম্পদের মধ্যে অন্যতম হল- ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং স্পেনের ম্যালোর্কা উপকূল বরাবর থাকা অভিজাত হোটেল। এছাড়াও ওই প্রতিবেদনে টরন্টোর ফোর সিজনস প্রাইভেট রেসিডেন্সেসের একটি পেন্টহাউসের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। যা ২০২০ সালে ১০.৫ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারে বিক্রি হয়েছিল। (Photo: AP)
advertisement
11/18
ব্লুমবার্গ দ্বারা পর্যালোচনা করা নথিতে প্যারিসের একটি বিল্ডিংয়ের একটি অংশের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা ২০২৩ সালে বিক্রি হয়েছিল। তদন্ত থেকে জানা যাচ্ছে, এই সমস্ত সম্পত্তির সঙ্গে যোগ থাকা আর্থিক লেনদেনগুলি ব্রিটেন, সুইৎজারল্যান্ড, লিকটেনস্টাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হয়েছে। পর্যালোচনা করা নথিগুলি থেকে এ-ও ইঙ্গিত মিলেছে যে, ওই লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ফান্ড ইরানি তেল বিক্রয় থেকে এসেছে। মোজতবা খামেনেইয়ের আর্থিক প্রভাব সম্পর্কে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? যেসব বিশেষজ্ঞ ইরানের রাজনৈতিক এবং আর্থিক নেটওয়ার্ক নিয়ে পড়াশোনা করেন, তাঁরা বলেন যে, দেশের অভ্যন্তরে এবং বাইরে অর্থনৈতিক সম্পদের উপর মোজতবা খামেনেইয়ের উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। (Photo: AP)
advertisement
12/18
ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসি-র একজন সিনিয়র ফেলো ফারজিন নাদিমি ব্লুমবার্গ-কে বলেন যে, মোজতবা খামেনেই ফিনান্সিয়াল প্রক্সির একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন। নাদিমির কথায়, “ইরান এবং বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মোজতবার প্রধান অংশীদারিত্ব বা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। যখন কেউ তাঁর আর্থিক নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণ করবেন, তখন দেখা যাবে যে, তাঁর হয়ে প্রধান অ্যাকাউন্টধারীর কাজ করেন আলি আনসারি। যার জেরে আজ দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী অভিজাতদের মধ্য অন্যতম হিসেবে স্থান পেয়েছেন আনসারি।”
advertisement
13/18
ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসি-র একজন সিনিয়র ফেলো ফারজিন নাদিমি ব্লুমবার্গ-কে বলেন যে, মোজতবা খামেনেই ফিনান্সিয়াল প্রক্সির একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন। নাদিমির কথায়, “ইরান এবং বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মোজতবার প্রধান অংশীদারিত্ব বা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। যখন কেউ তাঁর আর্থিক নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণ করবেন, তখন দেখা যাবে যে, তাঁর হয়ে প্রধান অ্যাকাউন্টধারীর কাজ করেন আলি আনসারি। যার জেরে আজ দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী অভিজাতদের মধ্য অন্যতম হিসেবে স্থান পেয়েছেন আনসারি।”
advertisement
14/18
আজ সংস্থাটি ব্যাঙ্কিং, টেলিযোগাযোগ, ওষুধ, জ্বালানি, পেট্রোকেমিক্যাল এবং রিয়েল এস্টেটের সঙ্গে যুক্ত শত শত অনুমোদিত কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এর হোল্ডিং সংক্রান্ত তদন্তে দেখা গিয়েছে যে, এর মোট সম্পদের মূল্য কয়েক বিলিয়ন ডলার। (Photo: AP)
advertisement
15/18
বিশাল অর্থনৈতিক শক্তিসম্পন্ন ধর্মীয় ভিত্তি: ইরানের অর্থনৈতিক কাঠামোর আর একটি প্রধান উপাদান হল - ধর্মীয় সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের একটি সমষ্টি। যা বনিয়াদ নামে পরিচিত। ইরানি বিপ্লবের পর যুদ্ধের প্রবীণ এবং সুবিধাবঞ্চিত নাগরিকদের সহায়তা করার জন্যই মূলত এই প্রতিষ্ঠানগুলি তৈরি করা হয়েছিল। তবে এই প্রতিষ্ঠানগুলি সাধারণত সাধারণ সরকারের তত্ত্বাবধান এবং করের বাইরে কাজ করে। এর বৃহত্তম প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে অন্যতম হল - মোস্তাজাফান ফাউন্ডেশন। যা শত শত কোম্পানিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং উৎপাদন, কৃষি, নির্মাণ এবং হসপিটালিটির মতো একাধিক সেক্টরে সম্পদের মালিক। অনুমান থেকে জানা যায় যে, ফাউন্ডেশনের সম্পদের পরিমাণ ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে, মোজতবা খামেনেই এখন এই প্রতিষ্ঠানগুলির উপর কর্তৃত্ব ফলান এবং তাঁদের নেতৃত্ব নিয়োগের ক্ষমতাও রাখেন। (Photo: AP)
advertisement
16/18
আইআরজিসি-র বিশাল অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য: রানের অর্থনীতির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের সঙ্গেও যুক্ত, যা সাধারণত আইআরজিসি নামে পরিচিত।বছরের পর বছর ধরে এই সংস্থাটি নির্মাণ সংস্থা, পরিকাঠামো প্রকল্প এবং জ্বালানি কোম্পানিগুলির মাধ্যমে একটি বিশাল ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। (Photo: AP)
advertisement
17/18
এর সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক বাহিনীগুলির মধ্যে একটি হল খতম আল-আম্বিয়া কনস্ট্রাকশন হেডকোয়ার্টার্স। যা তেল ও গ্যাস উন্নয়ন, মহাসড়ক, বাঁধ এবং টেলিযোগাযোগ পরিকাঠামোর মতো প্রকল্পের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের চুক্তি অর্জন করেছে। যদিও আইআরজিসি আনুষ্ঠানিক ভাবে সর্বোচ্চ নেতার মালিকানাধীন নয়, তবে এর নেতৃত্বকে শেষ পর্যন্ত তাঁর কাছেই জবাবদিহি করতে হয়। (Photo: AP)
advertisement
18/18
ইরানের পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবস্থার উপর নিয়ন্ত্রণ: সর্বোচ্চ নেতা একটি বৃহৎ পৃষ্ঠপোষক নেটওয়ার্কের তদারকি করেন। যা ধর্মীয় মাদ্রাসা, সেবামূলক সংস্থা, মিডিয়া আউটলেট এবং রাজনৈতিক সমর্থকদের আর্থিক সম্পদ বণ্টন করে। আর এই সমস্ত কাজকর্মের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আসে ধর্মীয় অনুদান, ফাউন্ডেশন রেভিনিউ এবং রাষ্ট্র-সংযুক্ত বিনিয়োগ-সহ একাধিক উৎস থেকে। মোজতবা খামেনেই এখন সর্বোচ্চ নেতার পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই বিস্তৃত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ কার্যকর ভাবে তাঁর হাতেই চলে গিয়েছে, যা ইরানের রাজনৈতিক ও আর্থিক ব্যবস্থায় অফিসের মুখ্য ভূমিকাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
বাংলা খবর/ছবি/পাঁচমিশালি/
লন্ডনের প্রাসাদ, দুবাইয়ের ভিলা থেকে ইউরোপে একাধিক হোটেল ! সারা বিশ্বে কীভাবে ২৭,৫০০ কোটি টাকার বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন মোজতবা খামেনেই?
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল