Milk River: দুধের নদী! রুপকথা নয়...ভারতে কোথায় আছে জানেন? ‘মিল্ক রিভার’ এ যুগেও প্রকৃতির বিস্ময়!
- Published by:Tias Banerjee
Last Updated:
Milk River Of India: ভারতের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড জুড়ে প্রবাহিত একটি নদী ভাষা, ভূতত্ত্ব ও ইতিহাস—তিনেরই আকর্ষণীয় সংমিশ্রণ বহন করে। তিন রাজ্যের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা এই নদীকে অনেকেই ‘মিল্ক রিভার অব ইন্ডিয়া’ নামে চেনেন। নামের উৎস যেমন তামিল ভাষায়, তেমনই এর প্রবাহপথ ও ভূগর্ভস্থ চরিত্র একে করেছে ব্যতিক্রমী। এই নদীর উৎপত্তি, বিস্তার ও বিশেষত্ব নিয়ে নানা তথ্য আজও কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু।
advertisement
1/7

ভারতের ‘মিল্ক রিভার’ নামে পরিচিত কোন নদী? জানেন কি, ভারতে এমন এক নদী রয়েছে যা তিনটি রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং তার ফিকে রঙের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত? ভূগর্ভস্থ প্রবাহ এবং জীবনদায়ী জলের কারণে এটি একটি অনন্য ভূতাত্ত্বিক বিস্ময়। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই বিশেষ নদী সম্পর্কে।
advertisement
2/7
কোন নদী ‘মিল্ক রিভার অব ইন্ডিয়া’ নামে পরিচিত? দক্ষিণ ভারতের Palar River-কেই সাধারণত ভারতের ‘মিল্ক রিভার’ বলা হয়। এর নাম এসেছে তামিল শব্দ ‘পাল’ (দুধ) এবং ‘আরু’ (নদী) থেকে।
advertisement
3/7
পালার নদীর উৎপত্তি কর্নাটকের চিক্কাবল্লাপুরা জেলার নন্দী পাহাড়ে। সেখান থেকে প্রায় ৩৪৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে এটি তামিলনাড়ুর কালপাক্কমের কাছে ভায়ালুর অঞ্চলে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে।
advertisement
4/7
কেন ‘মিল্ক রিভার’? অনেকে মনে করেন, নদীর জল দুধের মতো সাদা বলেই এমন নাম। তবে আসলে এর নামকরণ ভাষাগত উৎস থেকে। তামিল ভাষায় ‘পাল’ অর্থ দুধ এবং ‘আরু’ অর্থ নদী—এই দুই শব্দ মিলেই ‘পালার’। তবে বর্ষাকালে নদীর ফিকে রঙ অনেক সময় দুধের মতো দেখায়, যা এই নামকে আরও জনপ্রিয় করেছে।
advertisement
5/7
কোন কোন রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত? পালার নদী দক্ষিণ ভারতের তিনটি প্রধান রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত— কর্নাটক: প্রায় ৯৩ কিলোমিটার আন্ধ্র প্রদেশ: প্রায় ৩৩ কিলোমিটার তামিলনাড়ু: প্রায় ২২২ কিলোমিটার (ভেল্লোর, রানিপেট, কাঞ্চিপুরম প্রভৃতি জেলার উপর দিয়ে)
advertisement
6/7
পালার নদী সম্পর্কে ৭টি কম-জানা তথ্য--- ১. নদীর অধিকাংশ অংশ গভীর বালির স্তরের নীচ দিয়ে ভূগর্ভস্থভাবে প্রবাহিত হয়। ২. একসময় বিশ্বের অন্যতম গভীর সোনার খনি অঞ্চল কোলার গোল্ড ফিল্ডসের প্রধান জলের উৎস ছিল এই নদী। ৩. বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নদীর তলদেশে ‘রাসায়নিকভাবে অপরিণত’ অবক্ষেপ (যেমন আর্কোজ) রয়েছে, যা ভৌত ক্ষয়ের মাধ্যমে সৃষ্টি—দক্ষিণ ভারতের নদীগুলির ক্ষেত্রে যা বিরল। ৪. কিছু ভূতত্ত্ববিদ মনে করেন, প্রাচীনকালে কাবেরী নদীর প্রবাহপথ হয়তো পালারের মধ্য দিয়েই ছিল। টেকটোনিক পরিবর্তনের ফলে পরে নদীগুলি পৃথক হয়ে যায়। ৫. দীর্ঘ পথ অতিক্রম করলেও পালারের উল্লেখযোগ্য উপনদী খুব কম। বর্ষাকালের বৃষ্টির জলই এর প্রধান উৎস। ৬. বালিময় নদীতল প্রাকৃতিক স্পঞ্জের মতো কাজ করে এবং দুই তীর জুড়ে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর পুনর্ভরতি করতে সাহায্য করে। ৭. ১৮৯২ সালের একটি জল-বণ্টন চুক্তি অনুযায়ী এই নদীর জল তিন রাজ্যের মধ্যে ভাগ করা হয়। এই ঐতিহাসিক চুক্তি এখনও কার্যকর।
advertisement
7/7
পালার নদী কেবল একটি জলধারা নয়, বরং দক্ষিণ ভারতের ভূতত্ত্ব, জলসম্পদ এবং ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত এক গুরুত্বপূর্ণ নদী।
বাংলা খবর/ছবি/পাঁচমিশালি/
Milk River: দুধের নদী! রুপকথা নয়...ভারতে কোথায় আছে জানেন? ‘মিল্ক রিভার’ এ যুগেও প্রকৃতির বিস্ময়!