আবর্জনার স্তূপে মিলল বাবার ৬২ বছরের পুরোনো পাসবই, এক রাতেই কোটিপতি হল ছেলে!
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
চিলির এক্সেসিল হিনোজোসা নামের ব্যক্তি বাড়ি পরিষ্কার করার সময় তাঁর প্রয়াত বাবার একটি পুরোনো ব্যাংক পাসবুক খুঁজে পান। আর এই পাসবুইই বদলে দেয় তাঁর ভাগ্য।
advertisement
1/6

চিলির বাসিন্দা এক্সেসিল হিনোজোসা কূড়েদান থেকে তাঁর প্রয়াত বাবার একটি পুরোনো ব্যাংক পাসবই খুঁজে পান। এই একটি পাসবইই বদলে দেয় তাঁর ভাগ্য—এক রাতের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন কোটিপতি। চলুন, এই অবিশ্বাস্য ঘটনার বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
advertisement
2/6
আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন—আপনার বাড়ির কূড়েদানে পড়ে থাকা কোনও পুরোনো জিনিস একদিন আপনার ভাগ্য বদলে দিতে পারে? চিলিতে বসবাসকারী এক্সেসিল হিনোজোসার জীবনে ঠিক এমনই এক অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে। সাধারণত আমরা বাড়ির এদিক-ওদিক ছড়িয়ে থাকা পুরোনো কাগজ বা কাগজের টুকরোকে গুরুত্ব দিই না। কখনও টেবিলের ওপর, কখনও বিছানার নিচে, আবার কখনও সোফার তলায় পড়ে থাকতে দেখি সেগুলো। কিন্তু আপনি কি জানেন—এই ছোট্ট, অবহেলিত কাগজের টুকরোগুলিই কখনও কখনও পুরো জীবনটাই বদলে দিতে পারে?
advertisement
3/6
ঘর পরিষ্কার করার সময় এক্সেসিল হিনোজোসার হাতে উঠে আসে তাঁর প্রয়াত বাবার একটি পুরোনো ব্যাংক পাসবুক। আর সেখান থেকেই বদলে যায় তাঁর ভাগ্য। প্রায় ৬২ বছর পুরোনো সেই পাসবুকের মূল্য আজ পৌঁছেছে কোটি কোটি টাকায়। ১৯৬০–৭০-এর দশকে বাড়ি কেনার উদ্দেশ্যে হিনোজোসার বাবা ব্যাংকে প্রায় ১.৪০ লক্ষ টাকা জমা রেখেছিলেন। সময়ের সঙ্গে সেই টাকার কথা সবাই ভুলে গেলেও, সুদসহ সেই আমানতই আজ তাঁর ছেলের জীবনে এক অবিশ্বাস্য আর্থিক সৌভাগ্য এনে দিয়েছে।
advertisement
4/6
সে সময় এই অঙ্কটি ছিল অত্যন্ত বড়। তবে হিনোজোসার বাবা কয়েক বছর আগেই মারা গিয়েছিলেন এবং তাঁর সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে পরিবারের কেউই কিছু জানতেন না। অনেক বছর পরে, বাড়ি পরিষ্কার করতে গিয়ে হিনোজোসার হাতে একটি পুরোনো পাসবুক আসে। প্রথমে তিনি এটিকে তেমন গুরুত্ব দেননি, কারণ যে ব্যাংকের পাসবুকটি ছিল, সেই ব্যাংকটি ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
advertisement
5/6
তবে পাসবুকে লেখা একটি লাইনই হিনোজোসার ভাগ্য বদলে দেয়। আসলে তাঁর চোখ পড়ে পাসবুকে লেখা ‘স্টেট গ্যারান্টি’ (State Guarantee) কথাটির ওপর। এর অর্থ ছিল, যদি ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যায়, তাহলে সরকার সেই টাকা ফেরত দেবে। এই কথাটি পড়েই হিনোজোসা ভীষণ খুশি হয়ে ওঠেন।
advertisement
6/6
এরপর তিনি জানান, “এটি আমার বাবার কঠোর পরিশ্রমের অর্থ, এবং ব্যাংক দেউলিয়া হলেও সেই টাকার দায়িত্ব সরকারের ওপর, তাই এই টাকা আমাকে তাঁর উত্তরাধিকারী হিসেবে দেওয়া উচিত।” সেই অনুযায়ী, আদালতও সুদসহ সেই টাকা হিনোজোসাকে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। সব মিলিয়ে, এই অঙ্ক দাঁড়ায় ৯ কোটি টাকা।
বাংলা খবর/ছবি/পাঁচমিশালি/
আবর্জনার স্তূপে মিলল বাবার ৬২ বছরের পুরোনো পাসবই, এক রাতেই কোটিপতি হল ছেলে!