Massive Earthquake: ১৪ দিনে ৮০০০ কম্পন! 'ম্যাসিভ' ভূমিকম্পে শ্মশান শহর-নগর, লক্ষ-লক্ষ মৃত্যু! হাড়হিম বিপর্যয়ের আশঙ্কা
- Published by:Shubhagata Dey
- news18 bangla
Last Updated:
Massive Earthquake Alert: ভূ-বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামী দিনে এমন লগ্ন আসতে চলেছে, যাতে মাত্র দু'সপ্তাহে প্রায় ৮,০০০ বার ভূমিকম্প হবে ফের। সারা পৃথিবীতে বেশ কয়েকটি জায়গা রয়েছে যেগুলি খুবই ভূমিকম্পপ্রবণ। যেমন, গ্রিসের উপকূল।
advertisement
1/7

*আজ মঙ্গলবার সাত সকালে কলকাতা-সহ বাংলার একাধিক জায়গায় কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.১ ম্যাগনিটিউড। সকাল ৬.১০ নাগাদ কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে কম্পন অনুভূত হয়৷ রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.১৷ কলকাতায় মৃদু কম্পন অনুভূত হয়৷ কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি কম্পন অনুভূত হয়েছে প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশা এবং পড়শি রাষ্ট্র বাংলাদেশেও৷ বহু দিন থেকেই বিজ্ঞানীরা বিশ্বের কয়েকটি জায়গায় বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কা করছেন। মনে করা হচ্ছে, সেই ভূমিকম্পের অভিঘাত এতই তীব্র হতে পারে যে, লক্ষ লক্ষ মানুষ তাতে মারা যেতে পারেন। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
2/7
*ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, এদিনের ভূমিকম্পের উৎসস্থল বঙ্গোপসাগরে ১৯ ডিগ্রি ৫২ মিনিট উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮ ডিগ্রি ৫৫ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশ অবস্থানে ভূত্বকের ৯১ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির খবর আপাতত নেই৷ উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ভূমিকম্পের প্রভাবে হলদিয়া, দিঘা-সহ পূর্ব মেদিনীপুরের কিছু অংশ, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও কলকাতার কিছু অংশ কেঁপে ওঠে। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
3/7
*ওড়িশার উপকূলের এলাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। মাত্র দু'দিন আগেই রবিবার সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে হিমাচল প্রদেশের মান্ডি এলাকা। প্রসঙ্গত মান্ডি প্রাকৃতিক ভাবেই ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল৷ অবস্থানের তুলনায় রবিবারের কম্পনে সেরকম ক্ষয়ক্ষতি হয়নি৷ পাশাপাশি গত সপ্তাহে দিল্লি এবং সংলগ্ন অঞ্চল ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪। দিল্লির ধৌলাকুঁয়া ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল। কম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল মাটি থেকে পাঁচ কিলোমিটার গভীরে। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
4/7
*ভূ-বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামী দিনে এমন লগ্ন আসতে চলেছে, যাতে মাত্র দু'সপ্তাহে প্রায় ৮,০০০ বার ভূমিকম্প হবে। সারা পৃথিবীতে বেশ কয়েকটি জায়গা রয়েছে যেগুলি খুবই ভূমিকম্পপ্রবণ। যেমন, গ্রিসের উপকূল। এখানে একের পর এক ভূমিকম্প হয়েঈ চলেছে শেষ ২০ দিনে। তবে আগের থেকে কম্পনের সংখ্যা কমেছে। গ্রিসের সান্তোরিনির কাছে গত দুই সপ্তাহে বহুবার ভূমিকম্প হয়েছে। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
5/7
*১৫ দিনে প্রায় ৮,০০০ বার কেঁপে উঠেছে সান্তোরিনি। সান্তোরিনি গ্রিসের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। কিন্তু কম্পনের জেরে সেখানে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এই এলাকায় যে কোনও সময় বড় বিপদ নেমে আসতে পারে। তাই মধ্যে বেশ কয়েকদিন খালি করে দেওয়া হয়েছিল দ্বীপ। তবে কম্পনের সংখ্যা কমেছে। দ্বীপে ফিরতে শুরু করেছেন অনেকেই। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
6/7
*জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেসের বিজ্ঞানীর মতে, ভূমিকম্পের মোটামুটি গড় হিসেব দেখলে বোঝা যাবে, ইস্তানবুলে প্রায় প্রতি আড়াইশো বছরে একটি করে বড় মাপের ভূমিকম্প হয়। এখানে সর্বশেষ বিধ্বংসী ভূমিকম্পটি হয়েছিল ১৭৬৬ সালে। ২৫০ বছরে ফের যদি ভূমিকম্প হয়? ২৫০ বছরের ওই সীমা অবশ্য অতিক্রান্ত। ফলে সেখানে যে কোনও সময় বড় ভূমিকম্প হতে পারে। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
7/7
*ভূতত্ত্ব বিভাগের এক অধ্যাপক সতর্ক করে বলেছেন, ইস্তানবুল বড় কোনও ভূমিকম্পের জন্য প্রস্তুত নয়। এ অঞ্চলের ঘরবাড়ির গঠনকাঠামো ভূমিকম্পের ঝুঁকির কথা ভেবে তৈরি করা নয়। ফলে ক্ষয়ক্ষতি যে কত হবে তা অনুমান করাও অসম্ভব। সংগৃহীত ছবি।
বাংলা খবর/ছবি/পাঁচমিশালি/
Massive Earthquake: ১৪ দিনে ৮০০০ কম্পন! 'ম্যাসিভ' ভূমিকম্পে শ্মশান শহর-নগর, লক্ষ-লক্ষ মৃত্যু! হাড়হিম বিপর্যয়ের আশঙ্কা