TRENDING:

Knowledge Story: বলুন তো বাঘ-সিংহ কেন 'গর্জন' করে...? আসল 'উত্তর' অনেকেই এতদিন জানতেন না! আপনি জানেন তো?

Last Updated:
বিড়াল প্রজাতির এই দুই ধরণের প্রাণীদের মধ্যে আরও একটি বড় পার্থক্য হল বিড়ালরা যখন আদুরে মিউ মিউ শব্দ করে, বাঘ সিংহ বা চিতাবাঘ কিন্তু গর্জন করতে সক্ষম। এর পিছনে রয়েছে বিরাট কারণ যা অনেকেই আজও জানেন না।
advertisement
1/10
বলুন তো বাঘ-সিংহ কেন 'গর্জন' করে...? আসল 'উত্তর' অনেকেই এতদিন জানতেন না!
আমরা সবাই জানি সিংহ, বাঘ, চিতাবাঘ, জাগুয়ারের মতো প্রাণীরাই শুধু গর্জন করতে পারে। একই গোত্রীয় প্রাণী হলেও বিড়াল কিন্তু কেবল মিউ মিউ এর মতোই শব্দ করতে পারে। শুধু তাই নয়, চিতাবাঘের মতো 'বিগ ক্যাট' প্রজাতির প্রাণীও গর্জন করতে পারে। কিন্তু কেন জানেন?
advertisement
2/10
সিংহ, বাঘ, চিতাবাঘ এবং জাগুয়ারের মতো প্রাণীকে 'বড় বিড়াল' বা 'বিগ ক্যাট' বলা হয়। এই জাতীয় প্রাণীদের কিছু গুণবলীর কারণে বিড়ালের সঙ্গে এদের তুলনা করা হয়। প্রাণীদের শ্রেণীবিভাগে এদেরকে ক্যানাইন বা মাংসাশী প্রাণী বলা হয়।
advertisement
3/10
খুব কম মানুষই জানে যে বর্তমানের গৃহপালিত ছোট বিড়ালগুলি সিংহ-বাঘের মতো বড় বিড়ালের প্রজাতির বংশোদ্ভূত প্রাণী। আর বিড়াল প্রজাতির এই দুই ধরণের প্রাণীদের মধ্যে আরও একটি বড় পার্থক্য হল বিড়ালরা যখন আদুরে মিউ মিউ শব্দ করে, বাঘ সিংহ বা চিতাবাঘ কিন্তু গর্জন করতে সক্ষম। ডিসকভার লাইফের প্রতিবেদন অনুসারে, এর নেপথ্যে বড় কারণ হল এই প্রাণীদের ভয়েসের বিশেষ সংক্রমণ।
advertisement
4/10
বিজ্ঞান বলছে সিংহ, বাঘ, প্যান্থার এবং জাগুয়ার এই চারটি প্রাণীই গর্জন করতে পারে। এগুলি সবই প্যানথেরা গোত্রের প্রাণী। যদিও এগুলি ক্যানাইন পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এই প্রজাতির প্রাণীদের সাধারণত এপিহিয়াল হাড়ের জায়গায় একটি লিগামেন্ট থাকে যা তাদের ভয়েস বক্সের অংশ গঠন করে। এটি দীর্ঘ প্রসারিত হয়।
advertisement
5/10
ভয়েসের গঠনভয়েস বক্সের এই লিগামেন্টের বিশেষ বিষয় হল এটিকে প্রসারিত করলে একটি বড় শব্দ পথ তৈরি হয় এবং এটি একটি বিস্তৃত স্বর তৈরি করে। লিগামেন্ট যত বেশি প্রসারিত হবে, ভোকাল কর্ডের মধ্য দিয়ে বাতাস যাওয়ার সময় শব্দটি তত ধীর হবে। কিন্তু একইসঙ্গে সেই স্বর আরও বেশি গভীর শব্দ তৈরি করতে সক্ষম হয়।
advertisement
6/10
লেপার্ড কিন্তু গর্জন করতে পারে নাদেখা যায় লেপার্ড কিন্তু এই জাতীয় কোনও শব্দ করতে পারে না। কারণ লেপার্ডদের ভয়েস বক্সের হাড় একটি স্থিতিশীল কাঠামো তৈরি করে যা ভোকাল কর্ডগুলিকে বিভক্ত করে। যেখানে শ্বাস নেওয়া এবং শ্বাস ছাড়ার সময় এক ধরণের কম্পন ঘটে। লক্ষণীয় বিষয় হল এই গঠনটি সমস্ত গৃহপালিত ও ছোট জাতের বিড়ালের মধ্যেও একই রকম ভাবে উপস্থিত থাকে।
advertisement
7/10
মিয়াউ-সদৃশ শব্দ:এই বিশেষ ধরণের ভয়েস বক্সের গঠন আবার বিড়ালদের 'ম্যাও' এর মতো শব্দ করতে সাহায্য করে। কিন্তু এর পাশাপাশি এটি অনেক ধরনের শব্দ করতে না পারার কারণও হয়ে দাঁড়ায় এবং সেই সীমাবদ্ধতার কারণেই কিন্তু একটি বিড়াল একই প্রজাতির হওয়া সত্ত্বেও বাঘ-সিংহদের মতো গর্জন করতে পারে না। আবার চিতা বিড়ালের চেয়ে বড় হওয়া সত্ত্বেও তারা গর্জন করতে পারে না। অর্থাৎ ভয়েস বক্সের কারণেই এই অদ্ভুত স্বরের বৈপরীত্ব দেখা যায় একই প্রজাতির বিভিন্ন প্রাণীগুলির মধ্যেও।
advertisement
8/10
তাই সিংহ, বাঘ, চিতাবাঘ এবং জাগুয়ার গর্জন করতে পারে, কিন্তু মিউয়ের মতো শব্দ করতে পারে না। অন্যদিকে, প্রতিটি বিড়াল মিউ শব্দ করতে পারে কিন্তু তারা আবার গর্জন করতে পারে না। 
advertisement
9/10
মজার বিষয় হল স্নো লেপার্ড প্যানথেরা পরিবারের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও কিন্তু গর্জন করতে পারে না। এর ভোকাল কর্ডে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তরের অভাব রয়েছে যার কারণে এই প্রাণীদের কণ্ঠস্বর গর্জনে পরিণত হয় না।
advertisement
10/10
অনেক বিজ্ঞানী দাবি করেন যে এই কারণে তুষার চিতাকে প্যানথেরা বংশের প্রাণী বলা উচিত নয় বরং উনাসিয়া বংশদ্ভুত প্রাণী বলা উচিত। একইসঙ্গে, যেহেতু পাহাড়ী সিংহের ভোকাল কর্ডের অবস্থা চিতার মতো, এটিও গর্জন করতে পারে না, বরং এটি চিতার মতো শব্দ করে। যদিও এরা আদতে সিংহ নয়।
বাংলা খবর/ছবি/পাঁচমিশালি/
Knowledge Story: বলুন তো বাঘ-সিংহ কেন 'গর্জন' করে...? আসল 'উত্তর' অনেকেই এতদিন জানতেন না! আপনি জানেন তো?
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল