TRENDING:

‘সাত সমুদ্র পেরিয়ে তোমায় অনুসরণ করেছি’! রাঁচির কনে ও জার্মানির বরের প্রেম কোথায় গড়াল জানেন? 

Last Updated:
প্রেমের মরসুম! রাঁচির বসুধা ও জার্মানির প্যাট্রিক পাঁচ বছরের প্রেমের পর রাঁচিতে ভারতীয় রীতিতে বিয়ে করেন, দুই পরিবার ও সংস্কৃতির সমর্থনে সম্পর্ক নতুন মাত্রা পায়।
advertisement
1/7
‘সাত সমুদ্র পেরিয়ে তোমায় অনুসরণ করেছি’! রাঁচির কনে ও জার্মানির বরের প্রেম কোথায় গড়াল জানেন
সত্যিকারের ভালবাসার কাছে দূরত্ব, দেশ বা সংস্কৃতির কোনও বাধাই শেষ পর্যন্ত টেকে না—এই বিশ্বাসকেই বাস্তবে রূপ দিলেন ঝাড়খণ্ডের রাঁচির বাসিন্দা বসুধা এবং জার্মানির প্যাট্রিক।
advertisement
2/7
বসুধা জানান, পাঁচ বছর তাঁদের সম্পর্ক ছিল। জার্মানিতে তিনি একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। সেখানেই সহকর্মী হিসেবে প্যাট্রিকের সঙ্গে পরিচয়। বন্ধুত্ব থেকেই ধীরে ধীরে প্রেমের সূত্রপাত।
advertisement
3/7
বসুধার বাবা ভূগোলের অধ্যাপক এবং মা গৃহবধূ। তিনি বরাবরই চেয়েছিলেন নিজের শহর রাঁচিতেই বিয়ে করতে।
advertisement
4/7
এক সময় প্যাট্রিককে রাঁচিতে নিয়ে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে পরিচয় করান বসুধা। প্যাট্রিকের পরিবারও রাঁচি ও এখানকার পরিবেশ পছন্দ করেন। ভারতীয় প্রথা অনুযায়ী বরযাত্রা কনের বাড়িতে আসে—এই ধারণাকে সম্মান জানিয়েই প্যাট্রিকের পরিবার জার্মানি থেকে সরাসরি রাঁচিতে এসে বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন করে।
advertisement
5/7
প্যাট্রিক জানান, পাঁচ বছরের সম্পর্কে অনেক ওঠানামা এসেছে। তবে সবচেয়ে বড় বিষয়, দুই পরিবারের সমর্থন। কখনও কেউ প্রশ্ন তোলেনি, কেন অন্য দেশের ছেলেকে বা মেয়েকে বিয়ে করা হচ্ছে। বরং দু’পক্ষই খোলা মনে সম্পর্কটিকে গ্রহণ করেছে। জার্মানি থেকে রাঁচি আসতে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা সময় লাগে, তাই ভবিষ্যতে যাতায়াত নিয়েও কোনও সমস্যা হবে না বলে জানান তিনি।
advertisement
6/7
বিয়ের আসরে পরিবেশন করা হয় ঝাড়খণ্ডের ঐতিহ্যবাহী খাবার—মাটির থালা ও পেয়ালায় বেগুন ভর্তা, ছোলা ডাল, ভাত, মাড়ুয়া রুটি ও বিভিন্ন শাক। এই সব পদ প্রথমবার চেখে দেখেন প্যাট্রিক। তাঁর কথায়, খাবারের স্বাদ ও সংস্কৃতি—দু’টিই তাঁকে মুগ্ধ করেছে। প্রথমবার শেরওয়ানি পরার অভিজ্ঞতাও তাঁর কাছে বিশেষ। ভারতীয় পোশাক ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে তিনি আনন্দিত।
advertisement
7/7
বসুধা জানান, প্যাট্রিকের প্রতি তাঁর পূর্ণ আস্থা ছিল। সম্মান ও ভালবাসা দিয়ে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন প্যাট্রিক। তাঁদের দৃঢ় সিদ্ধান্তের সামনে সমাজও শেষ পর্যন্ত সায় দিয়েছে। বসুধার কথায়, “আমরা যখন একসঙ্গে থাকার ব্যাপারে এতটাই নিশ্চিত ছিলাম, তখন পৃথিবীকেই মাথা নত করতে হয়েছে।” পাঁচ বছরের সম্পর্কের পর সম্প্রতি রাঁচিতে ধুমধাম করে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
বাংলা খবর/ছবি/পাঁচমিশালি/
‘সাত সমুদ্র পেরিয়ে তোমায় অনুসরণ করেছি’! রাঁচির কনে ও জার্মানির বরের প্রেম কোথায় গড়াল জানেন? 
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল