ক্যান্সারের সঙ্গে যুদ্ধ..., মাত্র ৫৫তেই ছন্দপতন...! ৭ বছর বয়সে প্রথম 'কনসার্ট'! উস্তাদ রাশিদ খানের সঙ্গীত জীবনে পরতে পরতে চমক
- Published by:Sanjukta Sarkar
- news18 bangla
Last Updated:
Ustad Rashid Khan Journey: উস্তাদ রাশিদ খান প্রয়াত। ভারতীয় সঙ্গীতের আকাশ থেকে খসে পড়ল এক বিরল 'তারা'। যে 'তারা' উত্তরপ্রদেশে জন্মগ্রহণ, মুম্বইতে বড় হয়ে ওঠা সত্বেও, একেবারেই 'ভিনদেশি' নন, বরং বাংলা তথা কলকাতার মানুষের বড় কাছের জন, বড় আপন জন। যে 'সাজনা'র সুরমূর্ছনায় বারবারই বৃষ্টি আসে বাংলার 'সঙ্গীতপ্রেমী' মননে।
advertisement
1/8

ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে নক্ষত্র পতন। প্রয়াত প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী উস্তাদ রাশিদ খান। আর সেই সঙ্গেই যেন ভারতীয় সঙ্গীতের আকাশ থেকে খসে পড়ল এক বিরল 'তারা'। যে 'তারা' উত্তরপ্রদেশে জন্মগ্রহণ, মুম্বইতে বড় হয়ে ওঠা সত্বেও, একেবারেই 'ভিনদেশি' নন, বরং বাংলা তথা কলকাতার মানুষের বড় কাছের জন, বড় আপন জন। যে 'সাজনা'র সুরমূর্ছনায় বারবারই বৃষ্টি আসে বাংলার 'সঙ্গীতপ্রেমী' মননে।
advertisement
2/8
তাঁর হাত ধরে বারবার সতেজ অক্সিজেন বুকে ভরে নিয়েছে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত। তাঁর হাতেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম তালিম পেয়েছে। জন্ম নিয়েছে নতুন প্রতিভা। সেই বহুমুখী ব্যক্তিত্ব রাশিদ খান ঠিক কেমন ছিলেন তাঁর জীবনের যাত্রাপথে?
advertisement
3/8
১৯৬৮ সালের ১ জুলাই উত্তরপ্রদেশের বদায়ূঁতে জন্ম হয় উস্তাদ রাশিদ খানের। ছোটবেলা থেকেই রাশিদ তালিম নেন উস্তাদ নিসার হুসেন খাঁয়ের কাছে। রামপুর-সাসওয়ান ঘরানার শিল্পী রাশিদ ছিলেন গুরু উস্তাদ নিসার হুসেন খাঁয়ের স্নেহধন্য। 'রামপুর-সাসওয়ান' ঘরানার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ইনায়েত হুসেন খাঁ।
advertisement
4/8
মাত্র ৭ বছর বয়সেই প্রথম কনসার্ট:উস্তাদ রাশিদ খান ৭ বছর বয়সে তাঁর প্রথম কনসার্ট করেন। ১৯৭৮ সালে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত আইটিসি কনসার্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন বালক রাশিদ। এরপর ১৯৮০ সালে, যখন তাঁর গুরু নিসার হুসেন খাঁ-র কলকাতার আইটিসি সঙ্গীত গবেষণা অ্যাকাডেমিতে যোগদান করেন, সেই সময়ও এর বিশেষ একটি অংশ হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেন রাশিদ খান। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর।
advertisement
5/8
রাশিদের নিজের মামা ছিলেন গোয়ালিয়র ঘরানার উস্তাদ গুলাম মুস্তাফা খাঁ। তাঁর থেকেও তালিম নিয়েছেন রাশিদ। ছোট থেকেই পেয়েছেন উৎসাহ। মূলত ধ্রুপদী সঙ্গীত গাইলেও বলিউড এবং টলিউডের ছবিতে বহু জনপ্রিয় গানও গেয়েছেন শিল্পী। সেগুলিও তাঁকে কম জনপ্রিয়তা দেয়নি।
advertisement
6/8
উত্তর প্রদেশে জন্ম হলেও খুব কম বয়সেই কলকাতা চলে আসেন তিনি। তাঁর যাবতীয় উষ্ণতা দিয়ে শিল্পী আপন করে নেন উষ্ণ হৃদয়ের এই 'তিলোত্তমাকে'। সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কার, পদ্মশ্রী সম্মান যেমন পেয়েছেন, তেমন বাংলা থেকেও পেয়েছেন বঙ্গবিভূষণ সম্মান পেয়েছেন রাশিদ।
advertisement
7/8
দীর্ঘদিন ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারে ভুগছিলেন শিল্পী। কলকাতার একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসায় সাড়াও দিচ্ছিলেন৷ কিন্তু আচমকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হন সঙ্গীত শিল্পী৷ মঙ্গলবার তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়।
advertisement
8/8
তখনই তড়িঘড়ি ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয় তাঁকে৷ রাখা হয় অক্সিজেন সাপোর্টে। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। সুরের অন্য দুনিয়ায় পাড়ি জমালেন উস্তাদ। রেখে গেলেন স্ত্রী, দুই কন্যা এবং এক পুত্রকে। শিল্পীর প্রয়াণে শোকের ছায়া বাংলা তথা ভারতের আপামর সঙ্গীতপ্রেমীদের মধ্যেই।