advertisement
1/7

কথা ছিল দিনে ফেরার ৷ কিন্তু পদ্ধতিকারণে দেরি হওয়াতে দিন পেরিয়ে রাত ৷ অবশেষে আটারি-ওয়াঘা সীমানা পেরিয়ে ৬০ ঘণ্টা পর পাকিস্তান থেকে দেশে ফিরলেন বায়ুসেনার উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান ৷ ভারতের মাটিতে পা রাখতেই উচ্ছ্বাসের জোয়ার ৷ তেরঙায় ভারতে স্বাগত জানানো হল বীর অভিনন্দনকে।
advertisement
2/7
দেশের সুরক্ষা করতে গিয়ে শত্রুর হাতে আটক হয়েছিলেন। যুদ্ধবন্দি হওয়ার দু’দিন পর ঘরে ফিরলেন অভিনন্দন বর্তমান। শুক্রবার সকালে প্রথমে ইসলামাবাদ থেকে বিমানে লাহোরে আনা হয় তাঁকে । সেখান থেকে সড়কপথে ওয়াঘা রওনা হয় পাক রেঞ্জার্সের কনভয় । সঙ্গে ছিলেন এয়ার অ্যাটাশে জে ডি কুরিয়ন। অভিনন্দনকে নিয়ে ওয়াঘা সীমান্তে ঢোকে কনভয়। তারপর সীমান্তের কাস্টমস অফিসে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ। সেখানেই একপ্রস্থ শারীরিক পরীক্ষা হয় অভিনন্দনের। তাঁকে চা খেতে দেয় পাক রেঞ্জার্স। ফেরত দেওয়া হয় অভিনন্দনের সার্ভিস রিভলবারও।
advertisement
3/7
পাক রেঞ্জার্সের ‘বিটিং দ্য রিট্রিট’-এর পরও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করানো হয় অভিনন্দনকে । ওয়াঘা সীমান্তেই কেটে যায় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ৷ ইন্টারন্যাশনাল রেড ক্রশ অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করতে হয়। তার জন্য প্রয়োজন বিস্তর নথিপত্র তৈরির কাজ। বন্দিকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরানো হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করতেই তৈরি হয় নথিপত্র!
advertisement
4/7
অবশেষে নো ম্যানস ল্যান্ড পেরিয়ে দেশে ফিরলেন অভিনন্দন। আটারি সীমান্তে তাঁকে স্বাগত জানান বায়ুসেনার প্রতিনিধিরা। সেখান থেকে সড়কপথে অমৃতসর এয়ারবেস এবং তারপর বিশেষ বিমানে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয় অভিনন্দনকে। এবার কয়কটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে বায়ুসেনাকে--
advertisement
5/7
অভিনন্দনকে সরাসরি ভারতীয় বায়ুসেনার ইনটালিজেন্স ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হবে। ফিটনেস লেভেল পরীক্ষা করতে করা হবে কিছু শারীরিক পরীক্ষা বা মেডিক্যাল টেস্ট।
advertisement
6/7
তাঁর শরীরের স্ক্যান করা হবে এটা নিশ্চিত করতে যে কোনওভাবে পাকিস্তানি সেনা তাঁর শরীরের মধ্যে চরবৃত্তির জন্য কোনও গোপন যন্ত্র প্রতিস্থাপন করেছে কী না!
advertisement
7/7
করা হবে মনোস্তাত্বিক পরীক্ষা বা সাইকোলজিক্যাল টেস্ট । Intelligence Bureau (IB) and Research and Analysis Wing (R&AW) অভিনন্দকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। তবে সাধারণত এই ধাপটা এড়িয়ে যাওয়া হয়।