Harish Rana Case: ছেলের 'মৃত্যুভিক্ষা' চেয়ে আদালতে লড়াই, অবশেষে 'জয়' পেলেন হরিশের বাবা-মা, কিন্তু এই জেতা কষ্টের...এক নজরে হরিশ রানা মামলা
- Published by:Rukmini Mazumder
Last Updated:
চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ছিলেন হরিশ রানা। ২০১৩ সালের ২০ অগস্ট, রাখিবন্ধনের দিন। যে বাড়িতে থাকতেন তিনি, তার পাঁচতলা থেকে পড়ে যান নীচে। সেই থেকে ১৩ বছর শয্যাশায়ী ছিলেন হরিশ
advertisement
1/11

বুধবার ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশে প্রথম নিষ্কৃতিমৃত্যুর অনুমতি! ১৩ বছর ধরে শয্যাশায়ী, বছর বত্রিশের হরিশ রানার নিষ্কৃতিমৃত্যুর অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। তাঁর বাবা-মায়ের অনুরোধে জীবনদায়ী ব্যবস্থা খুলে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে আদালত।
advertisement
2/11
২০১৩ সালে হস্টেলের পাঁচতলা থেকে পড়ে গিয়ে চোট পান। সেই থেকে সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী হরিশ রানা। কোয়াড্রিপ্লেজিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৩ বছর ধরে শয্যাশায়ী। শরীরের কোথাও কোনও সার নেই! শুধু প্রাণটুকু আছে! চোখের সামনে ছেলের যন্ত্রণা আর সহ্য করতে পারছিলেন না অসহায় বাবা-মা। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে করতে নিঃস্ব হয়ে পড়ছিলেন
advertisement
3/11
শেষে আদালতের দ্বারস্থ হন বৃদ্ধ দম্পতি। ছেলের মৃত্যুভিক্ষা চেয়ে! সেই লড়াইও কম কঠিন ছিল না। অবশেষে 'জয়' পেলেন তাঁরা, কিন্তু এই জেতা সুখের নয়। বুধবার, ১৩ বছর ধরে শয্যাশায়ী বছর বত্রিশের হরীশ রানার নিষ্কৃতিমৃত্যুর অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৩ থেকে ২০২৫... কী কী ঘটেছিল এই ১৩ বছরে?
advertisement
4/11
২০ আগস্ট, ২০১৩: চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ছিলেন হরিশ। পেয়িং গেস্ট হিসাবে একটি বাড়ির পাঁচতলায় থাকতেন। ২০১৩ সালের ২০ অগাস্ট সেই আবাসনের পাঁচতলা থেকে পড়ে যান হরিশ। সেদিন ছিল রাখি। মাথায় গুরুতর আঘাত পান হরিশ। প্রাণে বাঁচলেও অক্ষম হয়ে পড়েন তিনি।
advertisement
5/11
জুলাই ২০২৪: প্রায় এক দশক বাড়িতে ছেলের চিকিৎসা-সেবা শুশ্রূষার পর হরিশের বাবা-মা ২০২৪ সালের জুলাই মাসে প্যাসিভ ইউথানেসিয়ার অনুমতি চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, হরীশকে যান্ত্রিকভাবে জীবিত রাখা হয়নি (তিনি ভেন্টিলেটরে ছিলেন না) এবং অতিরিক্ত বাহ্যিক সহায়তা ছাড়াই তিনি নিজে থেকে বেঁচে থাকতে সক্ষম।
advertisement
6/11
অগাস্ট ২০২৪: তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ২০২৪-এর অগাস্টে হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। আদালত জানায়, হরিশ লাইফ সাপোর্টে ছিলেন না, তবে টিউবের মাধ্যমে তাঁকে খাবার দেওয়া হচ্ছিল। তাই চিকিৎসা বন্ধ করে দিলে তা সক্রিয় ইউথানেশিয়ার সমতুল্য হবে, যা ভারতে বেআইনি।
advertisement
7/11
নভেম্বর ২০২৪: ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় তাঁর কর্মদিবসের শেষদিনে উত্তর প্রদেশ সরকারকে হরিশের চিকিৎসার খরচ বহনের সম্ভাব্য উপায় খুঁজে দেখতে নির্দেশ দেন। তিনি স্বীকার করেন, দীর্ঘদিন ধরে হরীশের দেখভাল করতে গিয়ে তাঁর পরিবারের উপর চরম আর্থিক ও মানসিক চাপ পড়েছে।
advertisement
8/11
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫: হরীশের বাবা-মা দ্বিতীয়বারের মতো সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি জে বি পাদরিওয়ালা ও কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ হরীশের শারীরিক অবস্থা মূল্যায়নের জন্য একটি প্রাথমিক মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দেয়।
advertisement
9/11
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫: প্রাথমিক মেডিক্যাল বোর্ডের রিপোর্ট পর্যালোচনা করার পর সুপ্রিম কোর্ট AIIMS-কে চূড়ান্ত মূল্যায়নের জন্য একটি সেকেন্ডারি মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দেয়। বেঞ্চ মন্তব্য করে, “আমরা ছেলেটিকে এভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য রাখতে পারি না।”
advertisement
10/11
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬: সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা ব্যক্তিগতভাবে হরিশের বাবা-মা এবং তাঁর ছোট ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করেন। হরীশের বাবা-মা ছেলের জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা (ফিডিং টিউব) প্রত্যাহারের আবেদন জানান
advertisement
11/11
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬: পরিবারের আইনজীবী এবং অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলের বিস্তারিত যুক্তি শোনার পর সুপ্রিম কোর্ট চূড়ান্ত রায় সংরক্ষণ করে।