Cyclone Alert: একের পর এক সাইক্লোনের জাল! ১৭ রাজ্যে ৮০ কিমি গতিতে চলবে ধ্বংস যজ্ঞ, আইএমডি-র মেগা অ্যালার্ট
- Published by:Debalina Datta
- news18 bangla
Last Updated:
Cyclone Alert তৈরি হচ্ছে অ্যাক্টিভ সিস্টেম, ১৭ রাজ্যে শুধুই ধ্বংসযজ্ঞ,চলবে রাজ্যের পর রাজ্যে৷ পশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় কী হবে৷
advertisement
1/12

কলকাতা: মার্চ মাসের শুুরুতেই একটা গরমের বড় স্পেল হয়ে গিয়েছিল৷ কিন্তু মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে দিয়েই এটা শেষ হচ্ছে। মার্চের শেষ দিনগুলিতে আবহাওয়ায় নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। মানুষ যখন গ্রীষ্মের শুরুর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক তখনই হঠাৎ করে প্রবল বৃষ্টি, বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়া আবহাওয়ার দিক থেকে স্বস্তি দিলেও ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও থাকছে। এই মুহূর্তে সাগরে যে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হচ্ছে তা একেবারে জলবায়ু পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে৷ Photo Courtesy- Representative (Meta AI)
advertisement
2/12
দেশ জুড়ে অনেক জায়গায় মেঘলা আবহাওয়া, প্রবল বাতাস এবং বজ্রপাত প্রমাণ করছে যে আগামী দিনগুলি সহজ হবে না। আবহাওয়া অধিদফতরের (আইএমডি) সর্বশেষ সতর্কবার্তা এই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
advertisement
3/12
১৭ রাজ্যে প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা অনেক এলাকায় ধ্বংসাত্মক প্রমাণিত হতে পারে। এটি চরম সতর্কতার সময়, বিশেষ করে কৃষক, ভ্রমণকারী এবং খোলা জায়গায় বসবাসকারী মানুষের জন্য।
advertisement
4/12
পশ্চিমবঙ্গের হিমালয় পাদদেশবর্তী জেলায় ৩০-১ তারিখ পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভবনা৷ বজ্র-বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত একাধিক জেলায়৷ তার সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিমি গতিতে বইবে ঝোড়ো হাওয়া৷
advertisement
5/12
গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গেও আগামী ৪৮ ঘণ্টাতেও হালকা থেকে মাঝারি ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা৷ ৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে সর্বাধিক ঝোড়ো হাওয়া বইবে৷ বজ্র বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে৷
advertisement
6/12
সারা দেশে একটি সক্রিয় আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাব এখন স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। রাজস্থান থেকে মধ্য ভারত পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুপ্রবাহ, ওড়িশা ও অসমের নিকটবর্তী ঘূর্ণিঝড় ব্যবস্থা এবং দক্ষিণ ভারতের পরিবর্তনশীল বায়ুপ্রবাহ—এই সবগুলি একত্রিত হয়ে একটি বৃহত্তর আবহাওয়া ব্যবস্থা গঠন করছে। এর ফলে অনেক এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটছে। এই কারণেই দেশের বিভিন্ন অংশে একই সাথে আবহাওয়ার অবনতি হচ্ছে এবং প্রবল বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি দেখা যাচ্ছে।
advertisement
7/12
উত্তর ভারতে সক্রিয় এবং ক্রমাগত আবহাওয়াকে প্রভাবিত করা পশ্চিমা ঝঞ্ঝা এই পুরো ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। জেট স্ট্রিম থেকে আসা প্রবল বাতাসও এই ব্যবস্থাটিকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে। এই সমস্ত কারণের ফলে, দেশের অনেক অংশে আগামী তিন থেকে পাঁচ দিন এই তীব্র আবহাওয়া অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
advertisement
8/12
উত্তর-পূর্ব ভারতের আবহাওয়া সক্রিয় থাকবে। অসম, মেঘালয় এবং অরুণাচল প্রদেশে আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অনেক এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, যা জলাবদ্ধতা এবং ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলবে। প্রবল বাতাস এবং বজ্রপাতের কারণে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করে জনগণকে নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
advertisement
9/12
ঘূর্ণিঝড় সঞ্চালন হল এমন একটি অবস্থা যেখানে বায়ু একটি কেন্দ্রকে ঘিরে আবর্তিত হয়। এই ব্যবস্থাটি বায়ুমণ্ডলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে এবং এর ফলে বৃষ্টিপাত, ঝড় ও প্রবল বাতাস বয়ে যায়। যখন এই ধরনের একাধিক ব্যবস্থা একই সাথে সক্রিয় থাকে, তখন এর প্রভাব আরও ব্যাপক ও বিপজ্জনক হতে পারে।
advertisement
10/12
উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, পঞ্জাব, হরিয়ানা এবং রাজস্থানের মতো উত্তর ভারতীয় রাজ্যগুলি বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। বিহার, মধ্যপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্রের কিছু অংশেও প্রবল বাতাস এবং শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
advertisement
11/12
আবহাওয়া দফতরের মতে, এই সিস্টেমটি আগামী তিন থেকে পাঁচ দিন সক্রিয় থাকবে। এরপর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে পারে, তবে এপ্রিলের শুরুতে আরেকটি পশ্চিমা লঘুচাপ আসতে পারে।
advertisement
12/12
বাইরের কার্যকলাপ পরিহার করুন, বিশেষ করে বজ্রপাত ও বিদ্যুৎ চমকানোর সময়। গাছপালা ও দুর্বল স্থাপনা থেকে দূরে থাকুন। কৃষকদের ফসল সুরক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং ভ্রমণের আগে আবহাওয়ার সর্বশেষ খবর জেনে নেওয়া উচিত।