West Bardhaman News : মুখে দিলেই অমৃত, কুষ্টিয়ার বিখ্যাত তিলের খাজা এবার দুর্গাপুরে
- Reported by:Dipika Sarkar
- hyperlocal
- Published by:Rukmini Mazumder
Last Updated:
শিল্প শহর দুর্গাপুরে মিলছে তিলের খাজা, খাজার স্বাদে মজেছে শহরবাসী
advertisement
1/6

দুর্গাপুর,দীপিকা সরকার: "তিলের খাজা, খেতে লাগবে বড়ই মজা" আজকাল আর শহরের গলিতে-রাস্তায় এই হাঁক শোনা যায় না। গ্রামেগঞ্জে যদিও বা কোথাও কোথাও ভেসে আসে এই ডাক। তবে এবার কুষ্টিয়ার বিখ্যাত তিলের খাজা মিলছে দুর্গাপুরে। শিল্পাঞ্চলে ভিন জেলা থেকে এসেছেন একদল খাজা বিক্রেতা । রয়েছে রকমারি তিলের খাজা।
advertisement
2/6
বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে তিলের খাজা সাধারণত চিনি ও তিল দিয়েই তৈরি হয়। কিন্তু নলেন গুড় দিয়ে তৈরি হলে তিলের খাজা খেতে আরও সুস্বাদু। এবার মুর্শিদাবাদের খাজা বিক্রেতারা চিনির পাশাপশি নলেন গুড় ও আখের গুড়ের তৈরি সুস্বাদু খাজা নিয়ে হাজির হয়েছেন। কড়া থেকে হালকা মিষ্টি স্বাদের রকমারি খাজার ব্যাপক চাহিদা বলে দাবি করেন খাজা বিক্রেতারা। তাঁরা কেবল বিক্রেতা নন, তাঁরাই খাজা তৈরির কারিগর। বংশপরম্পরায় পরিবারের সকলে খাজা তৈরি করে আসছেন
advertisement
3/6
খাজা হাতে তৈরি একটি মিষ্টি, খেতে মুচমুচে। ইতিহাস অনুযায়ী, ভারত অবিভক্ত থাকাকালীন খাজার আবির্ভাব হয় তৎকালীন পূর্ববঙ্গের কুষ্টিয়ায়। ভারত-পাকিস্তান বিভাজনের আগে কুষ্টিয়া শহরের দেশওয়ালী পাড়ায় বেশ কয়েকটি পরিবার তিলের খাজা তৈরি করত। কুষ্টিয়ার স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেই আবার বিশ্বাস করেন,১৯০০ সালের কাছাকাছি অবিভক্ত ভারতে প্রথম এই মিষ্টি তৈরি হয়
advertisement
4/6
তিলের খাজা এখনও অনেক বাসস্ট্যান্ড, বাস ও ট্রেনে বিক্রি হয়। তবে জঙ্গিপুরের খাস্তা মুচমুচে সুস্বাদু খাজা মেলা ভার। একসময় দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের অলিতে-গলিতে খাজাওয়ালারা মাথায় ঝুড়ি করে খাজা বিক্রি করতেন। কিন্তু মিষ্টিপ্রেমীদের আফসোস, গত ১০-২০ বছর ধরে তাঁদের আর সেরকম দেখা মেলে না। কিন্তু এই বছর শীত পড়তেই শহরের রাজপথের পাশে খাজাওয়ালাদের দেখা মিলল। তবে আগেকার মতো আর অলিতে-গলিতে ঘুরে তাঁরা খাজা বিক্রি করছেন না।
advertisement
5/6
খাজা বিক্রেতাদের দাবি, চিনি ও গুড় দিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায়, দীর্ঘ সময় ধরে খাজা তৈরি করতে হয়। খাজা তৈরির প্রক্রিয়াকরণ বেশ পরিশ্রমের। তবে নতুন প্রজন্মের অনেকেই জানেনা তিলের খাজার স্বাদ। মুচমুচে তিলের খাজার চাহিদা তাই শহরাঞ্চলে ফের বেড়েছে৷ শীতের মরশুমে উপরি পাওনা নলেন গুড়ের তিলের খাজা
advertisement
6/6
শহরে আসা খাজা বিক্রেতা বিশাল চৌধুরী জানান, জঙ্গিপুর এলাকায় এখনও বেশ কয়েকটি পরিবার খাজা তৈরি করেন। বর্তমানে অগ্নিমূল্যের বাজারে খাজার মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। চিনি দিয়ে তৈরি খাজার প্রতি কেজির দাম ৫০০ টাকা। নলেন গুড় ও আখের গুড়ের তৈরি খাজার দাম ৬০০ টাকা কেজি। তবে নলেন গুড়ের খাজার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে শহরে৷ প্রতিদিন এক-একজন খাজা বিক্রেতা প্রায় ৫ কেজি করে খাজা বিক্রি করছেন বলে দাবি বিক্রেতাদের
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
West Bardhaman News : মুখে দিলেই অমৃত, কুষ্টিয়ার বিখ্যাত তিলের খাজা এবার দুর্গাপুরে