Safety Pin-এর নীচে এই ছোট্ট গোলাকার 'ছিদ্র' কেন থাকে জানেন...? চমকাবেন শুনলেই আসল 'কাজ'!
- Published by:Sanjukta Sarkar
Last Updated:
Safety Pin: সেফটি-পিন! আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ আর একদম ছোট্ট একটা জিনিস হল এটি। কিন্তু এই ছোট্ট জিনিসটির ছোট্ট এই ছিদ্রটি কোনোদিন মন দিয়ে লক্ষ্য করে দেখেছেন কি? আচ্ছা বলুন তো সেফটি পিনের ঠিক নীচের এই ছিদ্রের আসল কাজটি কী? রোজ রোজ তো ব্যবহার করেন খুব এই সত্যিটা কি জানা আছে আদৌ?
advertisement
1/10

আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন অনেক জিনিস ব্যবহার করি যেগুলি আমরা ব্যবহার প্রায় প্রতিদিনই, কিন্তু তার আসল কাজের কাজ কী তা আমাদের অনেকেরই অজানা। যদিও আপাত দৃষ্টিতে এগুলোর বেশিরভাগই খুব ছোট মনে হয়.. কিন্তু এগুলো যে আদতে কী বড় সাহায্য করে, তা জানলে আপনিও তাজ্জব হয়ে যাবেন!
advertisement
2/10
অনেকেই জানেন না যে ওই জিনিসগুলোর আকৃতির পিছনে বা সেগুলোর গঠনে কিছু ছোট ছোট জিনিস থাকে যার নেপথ্যে থাকে অবাক করা কিছু বড় কারণ। এই যেমন 'সেফটি পিন'। শাড়ি পরতে বা জামা কাপড়ে আমরা প্রায়শই তো এই ছোট্ট জিনিসটি ব্যবহার করে থাকি।
advertisement
3/10
আসলে এটি প্রতিটি বাড়িতে থাকা খুব সাধারণ একটি জিনিস। কিন্তু আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন কেন এই সেফটি পিনের নীচে একটি ছোট গোলাকার গর্ত থাকে..? জানেন, এটি কেবল কিন্তু ডিজাইন নয় মোটেই।
advertisement
4/10
এই ছোট্ট তারের গোল ছিদ্রের পিছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক কারণও রয়েছে। আসুন এখন এই প্রতিবেদনে জেনে নেওয়া যাক এটি সম্পর্কে আকর্ষণীয় সেই তথ্য।
advertisement
5/10
এই ছোট ছিদ্রের রহস্য কী? সেফটি পিন তৈরি করার সময়, নীচের দিকে একটি তার দিয়ে পেঁচানো হয়। একে 'কয়েল' বলা হয়। এই কয়েল বা ছিদ্রটি একটি স্প্রিংয়ের মতো কাজ করে। এই স্প্রিং প্রক্রিয়াটি পিনের ডগাকে সমকোণে রাখে। যখন আমরা পিনটি টিপি, তখন এটিকে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় চাপ এই ছোট্ট ছিদ্র দ্বারা তৈরি হয়।
advertisement
6/10
সেফটি পিনের ইতিহাসও চমকে দেওয়া। সেফটি পিনের ব্যবহার আজ নতুন নয়। এর ইতিহাস হাজার হাজার বছর আগের। প্রাচীনকালে একে ল্যাটিন ভাষায় 'ফাইবুলা' বলা হত। ইতিহাসবিদরা বলেন যে ব্রোঞ্জ যুগে ইউরোপে কাপড় শরীরের সঙ্গে শক্ত করে ধরে রাখার জন্য এগুলো ব্যবহার করা হত। তবে, সেই সময়ে এগুলোর আকৃতি এখনকার মতো সহজ ছিল না।
advertisement
7/10
সেফটি পিনের ইতিহাসও চমকে দেওয়া। সেফটি পিনের ব্যবহার আজ নতুন নয়। এর ইতিহাস হাজার হাজার বছর আগের। প্রাচীনকালে একে ল্যাটিন ভাষায় 'ফাইবুলা' বলা হত। ইতিহাসবিদরা বলেন যে ব্রোঞ্জ যুগে ইউরোপে কাপড় শরীরের সঙ্গে শক্ত করে ধরে রাখার জন্য এগুলো ব্যবহার করা হত। তবে, সেই সময়ে এগুলোর আকৃতি এখনকার মতো সহজ ছিল না।
advertisement
8/10
আজ আমরা যে আধুনিক স্প্রিং সেফটি পিন ব্যবহার করি তা ১৮৪৯ সালে ওয়াল্টার হান্ট নামে একজন ব্যক্তি আবিষ্কার করেছিলেন। তিনি একটি উদ্ভাবনী উপায়ে কেবল একটি তার বাঁকিয়ে এবং এটিকে একটি স্প্রিংয়ের মতো করে তৈরি করে এই অলৌকিক জিনিসটি তৈরি করেছিলেন।
advertisement
9/10
উত্তর ইউরোপে, প্রাথমিকভাবে দুটি পৃথক অংশ দিয়ে পিন তৈরি করা হত। তাদের একটি স্প্রিং ছিল না। কিন্তু মধ্য ইউরোপে, একটিমাত্র তার দিয়ে তৈরি স্প্রিং মেকানিজম-সহ পিন ব্যবহার করা হয়, যেমনটি আমরা আজ ব্যবহার করি। ওয়াল্টার হান্টের ডিজাইনটি মুহূর্তে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং পিনের ব্যবহার অনেক সহজ করে তোলে।
advertisement
10/10
জেনে নিশ্চই অবাক হচ্ছেন আপনার দৈনন্দিন জীবনে প্রায় প্রতিদিন ব্যবহার করা এই একটা ছোট্ট সেফটি পিনের পিছনে কত মজার ও চমকে দেওয়া কৌশল লুকিয়ে আছে। শুধু কাপড় ঠিক করার জন্যই নয়, জরুরি পরিস্থিতিতেও এই পিনটি অনেক কাজে লাগে। অর্থাৎ, পায়ে কাঁটা ফুটলে সেই কাঁটা বের করার জন্যও এটি ব্যবহার করা হয়। আমাদের চারপাশের অনেক জিনিসের মধ্যেই লুকিয়ে আছে এমন আকর্ষণীয় জিনিসটি যার মর্ম হয়ত এমনিতে আমরা বুঝে উঠতে পারি না।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Safety Pin-এর নীচে এই ছোট্ট গোলাকার 'ছিদ্র' কেন থাকে জানেন...? চমকাবেন শুনলেই আসল 'কাজ'!