Liver Problems: ব্লাড টেস্ট স্বাভাবিক বলে নিশ্চিন্ত? এই ভুল করবেন না! লিভারের অসুখ অনেকসময় রক্ত পরীক্ষায় ধরা পড়ে না, কোন উপসর্গ ভয়ের? জানাচ্ছেন চিকিৎসক
- Reported by:Trending Desk
- Published by:Rukmini Mazumder
Last Updated:
লিভার ফাংশন টেস্টের রিপোর্ট দেখেই নিশ্চিন্তে বসে থাকবেন না! লিভারের রোগের ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকসময় ব্লাড টেস্টে ধরা পড়ে না! কাজেই কোন কোন লক্ষণ দেখলেই সাবধান হবেন?
advertisement
1/5

লিভারের সহ্যক্ষমতা বিপুল! 'টু' শব্দটি না করে সব চাপ শোষণ করে, নিঃশব্দে নিজেকে মানিয়ে নেয় এবং ক্ষতি শুরু হয়ে যাওয়ার পরেও কাজ চালিয়ে যায়। ঠিক এই কারণেই লিভারের রোগ অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেরিতে ধরা পড়ে। কখনও কখনও লিভার বিশেষজ্ঞরা এমন রোগীদের সম্মুখীন হন, যাঁদের রক্ত পরীক্ষার ফলাফল স্বাভাবিক দেখায়, অথচ লিভার ভাল নেই! সাধারণ লিভার-সম্পর্কিত রোগগুলো কী এবং কী কী লক্ষণের দিকে নজর রাখতে হবে? জানালেন ওল্ড এয়ারপোর্ট রোডের মণিপাল হাসপাতালের হেপাটোলজি এবং ট্রান্সপ্ল্যান্ট হেপাটোলজি বিভাগের প্রধান পরামর্শদাতা ডা. সন্দীপ সৎসঙ্গী।
advertisement
2/5
বেড়েছে লিভারের অসুখ। শীর্ষে রয়েছে ফ্যাটি লিভার, যা জীবনযাত্রাজনিত একটি লিভারের রোগ এবং বর্তমানে মেটাবলিক ডিসফাংশন-অ্যাসোসিয়েটেড স্টিয়াটোটিক লিভার ডিজিজ নামে পরিচিত। এর পরেই রয়েছে অ্যালকোহল-সম্পর্কিত লিভারের রোগ। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী ভাইরাল হেপাটাইটিস (বিশেষ করে হেপাটাইটিস বি এবং সি), অটোইমিউন লিভারের রোগ যেখানে শরীর নিজেই নিজের লিভারকে আক্রমণ করে, এবং কিছু জেনেটিক মেটাবলিক রোগ। এই সব কারণ গুলো লিভারের প্রদাহের জন্য দায়ী! কিন্তু সিংহভাগ ক্ষেত্রেই উপসর্গ চোখ এড়িয়ে যায়! কাজে শুরুতেই সচেতন হন!
advertisement
3/5
অ্যালকোহল-জনিত লিভারের রোগ-- বেশি মদ্যপান করেও রোগীদের কোনও উপসর্গ নাও থাকতে পারে এবং বছরের পর বছর ধরে নিয়মিত লিভার ফাংশন টেস্টের ফলাফল স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই থাকতে পারে। বিলিরুবিন, এনজাইম, অ্যালবুমিন এবং রক্ত জমাট বাঁধার মার্কারগুলো আশ্বস্ত করার মতো দেখালেও, ভিতরে ভিতরে নীরবে ক্ষতি বাড়তে থাকে। এখানেই অনেকে বিভ্রান্ত হন।
advertisement
4/5
লিভার ফাংশন টেস্টের ফলাফল স্বাভাবিক থাকা মানেই সবসময় আপনার লিভার ভাল আছে, এমনটা নয়। এর সহজ অর্থ হল, লিভারটি তখনও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। সুতরাং, মূল বিষয় শুধু উপসর্গ বা রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট নয়, বরং ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা। ঝুঁকির কারণগুলো থাকলে, আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন। আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে চর্বি জমা শনাক্ত করা যায় এবং ফাইব্রোস্ক্যানের মতো বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে ফাইব্রোসিস চিহ্নিত করা সম্ভব। আশার কথা হলো, এই পর্যায়ে সময়মতো জীবনযাত্রার পরিবর্তন, ঝুঁকির কারণগুলো নিয়ন্ত্রণ এবং যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে লিভারের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
advertisement
5/5
হেপাটাইটিস বি এবং সি-এর ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রযোজ্য। রোগীরা হয়তো বেশ সুস্থ আছেন এবং তাদের পরীক্ষার ফলাফলও স্বাভাবিক! অথচ এর আড়ালেই নীরবে ফাইব্রোসিস বাড়তে থাকে যা ভবিষ্যতে সিরোসিস বা লিভার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। লিভার খুব কমই প্রাথমিক পর্যায়ে সাহায্যের জন্য আর্তনাদ করে ওঠে। তাই লিভারের সেই আর্তনাদ শোনা যাওয়ার আগেই আমাদের তা শুনতে শেখা শিখতে হবে।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Liver Problems: ব্লাড টেস্ট স্বাভাবিক বলে নিশ্চিন্ত? এই ভুল করবেন না! লিভারের অসুখ অনেকসময় রক্ত পরীক্ষায় ধরা পড়ে না, কোন উপসর্গ ভয়ের? জানাচ্ছেন চিকিৎসক