Durga Puja Special: অষ্টমীর অঞ্জলি কিংবা দশমীর ভাসান,শাড়ি মাস্ট! আলমারিতে বাংলার এই ৬ শাড়ি আছে তো?
- Reported by:Trending Desk
- Published by:Rukmini Mazumder
Last Updated:
ভারতের সংস্কৃতি, ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে শাড়ি...মায়ের আঁচল, অষ্টমীর অঞ্জলি, প্রথম সরস্বতী পুজো, বিয়ের সাজ। আমাদের দেশে হরেক কিসিমের শাড়ির ছড়াছড়ি। প্রতিটি রাজ্যেই শাড়ির বুননের অনন্য এবং নিজস্ব পরিচয় রয়েছে। বিশেষ করে বাংলার শাড়ির জয়জয়কার গোটা বিশ্বেই।
advertisement
1/7

ভারতের সংস্কৃতি, ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে শাড়ি...মায়ের আঁচল, অষ্টমীর অঞ্জলি, প্রথম সরস্বতী পুজো, বিয়ের সাজ। আমাদের দেশে হরেক কিসিমের শাড়ির ছড়াছড়ি। প্রতিটি রাজ্যেই শাড়ির বুননের অনন্য এবং নিজস্ব পরিচয় রয়েছে। বিশেষ করে বাংলার শাড়ির জয়জয়কার গোটা বিশ্বেই। বাংলার কোন কোন শাড়ি আপনার ওয়ার্ডরোবে থাকা মাস্ট?
advertisement
2/7
তাঁতের শাড়ি: প্রায় প্রত্যেক বাঙালি মেয়ের আলমারিতে তাঁতের শাড়ি থাকবেই থাকবে। সুতি থেকে তৈরি হয় তাঁতের শাড়ি। হালকা ওজনের কারণে যে-কোনও সময়ে, যে-কোনও অনুষ্ঠানে পরা যায়। বাংলায় রয়েছে ৫ ধরনের তাঁতের শাড়ি।
advertisement
3/7
গরদ শাড়ি: লাল চওড়া পাড়ের সাদা অথবা অফ-হোয়াইট গরদ প্রত্যেক মেয়েরই স্বপ্ন। বলা ভাল, লাল পেড়ে সাদা শাড়ি বলতে গরদের শাড়িকেই বোঝায়। এই ধরনের শাড়ি তৈরি হয় মুর্শিদাবাদ জেলায়। মূলত দুর্গাপুজো কিংবা অন্যান্য পুজোয় এই শাড়ি চাই-ই চাই। তবে আজকাল বাজারে লাল-সাদা ছাড়াও অনেক ধরনের গরদ পাওয়া যায়।
advertisement
4/7
কোরিয়াল শাড়ি: গরদ শাড়িরই আরও রিফাইন করা সংস্করণ হল কোরিয়াল। কোরিয়াল শাড়ির আঁচল জুড়ে থাকে আকর্ষণীয় মোটিফ। গরদের মতো কোরিয়াল শাড়িও যেন পবিত্রতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
advertisement
5/7
মুর্শিদাবাদের সিল্ক শাড়ি: নাম শুনে বোঝাই যাচ্ছে যে, এই শাড়ির জন্মস্থানও মুর্শিদাবাদ জেলা। এই শাড়ির বিশেষত্ব হল - রঙের বৈচিত্র্য। আঁচল জুড়ে থাকে অসাধারণ এবং অতুলনীয় প্যাটার্ন, যা শিল্পীদের হাতে আঁকা।
advertisement
6/7
বালুচরি শাড়ি: জমকালো সিল্ক শাড়ির মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় বালুচরি। আলমারিতে একটা বালুচরি থাকা মানে, সম্পদের থেকে কিছু কম নয়। পশ্চিমবঙ্গের হাতে তৈরি বালুচরি উত্তরপ্রদেশের বেনারসি শাড়ির প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, আঠারো শতকে বালুচর নামের একটি গ্রামে বালুচরি বুননের প্রবর্তন করেছিলেন বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ। এই বুনন শিল্পের ধারার উৎপত্তি ঢাকায়। বালুচরি শাড়ি জুড়ে ফুটিয়ে তোলা হয় রামায়ণ এবং মহাভারতের গল্প। ভাগীরথী নদীর তীরে অবস্থিত বালুচর বারবার বন্যার কবলে পড়েছিল। ফলে সেখানকার তাঁতি বা বুনন শিল্পীরা বিষ্ণুপুরে চলে এসেছিলেন।
advertisement
7/7
কাঁথা শাড়ি: কাঁথা শাড়ি জুড়ে ফুটিয়ে তোলা হয় সুতোর কাজ। মূলত রানিং স্টিচকেই কাঁথা এমব্রয়ডারি হিসেবে ধরা হয়। বাতিল করা লেপ-কম্বল এবং পুরনো জামাকাপড় রিসাইকেল করে ব্যবহারযোগ্য কিছু তৈরি করার জন্য এই শিল্প তৈরি করা হয়েছিল। শিল্পীরা সেখান থেকেই আইডিয়া নিয়ে শাড়িতেও কাঁথার জাদু ফুটিয়ে তুলেছিলেন।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Durga Puja Special: অষ্টমীর অঞ্জলি কিংবা দশমীর ভাসান,শাড়ি মাস্ট! আলমারিতে বাংলার এই ৬ শাড়ি আছে তো?