Curd Rice vs Dal Rice : দই-ভাত বনাম ডাল-ভাত: কোনটা খেলে কমে পেটের রোগ? গ্যাস-অম্বলের ছুটি হয়ে গায়েব বদহজম? জানুন
- Published by:Arpita Roy Chowdhury
- news18 bangla
Last Updated:
Curd Rice vs Dal Rice : ভাবছেন দই ভাত নাকি ডাল-ভাত আপনার পেটের জন্য বেশি সহজপাচ্য? এই নির্দেশিকায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে প্রতিটি খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য এবং হজমের উপর প্রভাব ফেলে।
advertisement
1/7

দই ভাত এবং ডাল-ভাত এমনই দুটি প্রধান খাবার, যা সারা দেশে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। দুটিই মৃদু, তৃপ্তিদায়ক এবং সহজে হজমযোগ্য, যে কারণে অসুস্থতা বা হজমের অস্বস্তির সময় প্রায়ই এগুলো খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু যখন অন্ত্রের স্বাস্থ্যের কথা আসে, তখন এগুলো শরীরকে ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে সহায়তা করে। আপনি যদি কখনও ভেবে থাকেন যে এই দুটির মধ্যে কোনটি আপনার অন্ত্রের জন্য বেশি ভাল, তবে এই তুলনাটি বিষয়টিকে ভেঙে ব্যাখ্যা করে, যাতে আপনি বুঝতে পারেন প্রতিটি খাবার আসলে কী কী সুবিধা দেয়। বলছেন বিশেষজ্ঞ প্রিয়াঙ্কা রোহতাগী।
advertisement
2/7
অন্ত্রের স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়াকে সহায়তা করে দই-ভাত। দইয়ে জীবন্ত কালচার থাকার কারণে দই ভাতে প্রচুর পরিমাণে প্রোবায়োটিক থাকে। এই উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা হজম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং পুষ্টি শোষণের জন্য অপরিহার্য। নিয়মিত এটি গ্রহণ করলে মলত্যাগ সহজ হয় এবং পেট ফাঁপা কমে।
advertisement
3/7
পরিপাকতন্ত্রকে আরাম দেয় দই-ভাত। গাঁজানো দইয়ে দুধের চেয়ে কম ল্যাকটোজ থাকে, ফলে এটি অনেকের জন্য হজম করা সহজ হয়। প্রোবায়োটিকগুলো অন্ত্রে ল্যাকটোজকে আরও ভালভাবে ভাঙতে সাহায্য করে। দইয়ে উপস্থিত প্রোবায়োটিক পরিপাকতন্ত্রের মৃদু প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। দই ভাত সাধারণত সামান্য পাতলা করে এবং হালকা লবণ দিয়ে খাওয়া হয়, যা শরীরে জলের পরিমাণ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
advertisement
4/7
ডালে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য-ফাইবার থাকে, যা অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে। এই প্রিবায়োটিকগুলো অন্ত্রের জীবাণুদের বংশবৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে, যা অন্ত্রের আস্তরণের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা করে। এই কারণে দীর্ঘমেয়াদী অন্ত্রের পুষ্টির জন্য ডাল-ভাত চমৎকার।
advertisement
5/7
ডালের ফাইবার এবং ভাতের জটিল কার্বোহাইড্রেটের সংমিশ্রণ মলের পরিমাণ ও ঘনত্ব উন্নত করে। এটি নিয়মিত সেবনে মলত্যাগ নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়। ডাল-ভাত প্রায়ই অন্ত্রের স্থিতিশীলতার জন্য উপকারী। ডাল থেকে প্রাপ্ত প্রোটিন পরিপাকতন্ত্রের মসৃণ পেশীসহ অন্যান্য পেশীর মেরামতে সাহায্য করে। বিভিন্ন ডালে বিভিন্ন পরিমাণে ফাইবার, অ্যামিনো অ্যাসিড এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট থাকে। এই বৈচিত্র্য কম উপাদানযুক্ত খাবারের তুলনায় অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমকে আরও সমৃদ্ধ করতে উৎসাহিত করে, যা সামগ্রিক হজমশক্তিকে শক্তিশালী করে।
advertisement
6/7
দই ভাত এবং ডাল ভাত উভয়ই অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য চমৎকার, কিন্তু এদের কার্যকারিতা ভিন্ন। যখন অন্ত্রকে শান্ত ও পুনরুদ্ধার করার প্রয়োজন হয়, যেমন অ্যাসিডিটি, ডায়রিয়া বা অসুস্থতার পরে, তখন দই ভাত বিশেষভাবে উপকারী। এর প্রোবায়োটিক উপাদান অন্ত্রে তাৎক্ষণিক ভারসাম্য ও স্বস্তি প্রদান করে। অন্যদিকে, ফাইবার, প্রোটিন এবং দীর্ঘস্থায়ী হজমের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী অন্ত্র শক্তি তৈরিতে ডাল ভাত বেশি উপযোগী।
advertisement
7/7
আপনার অন্ত্র সংবেদনশীল বা উত্তেজিত বোধ করলে, দই ভাত একটি ভাল বিকল্প হতে পারে। আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদী হজম-সুস্বাস্থ্য চান, তবে ডাল-ভাত কিছুটা এগিয়ে আছে। আদর্শগতভাবে, আপনার খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন সময়ে উভয়ই অন্তর্ভুক্ত করলে তা আপনার অন্ত্রকে সুস্থ, ভারসাম্যপূর্ণ এবং শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করতে পারে।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Curd Rice vs Dal Rice : দই-ভাত বনাম ডাল-ভাত: কোনটা খেলে কমে পেটের রোগ? গ্যাস-অম্বলের ছুটি হয়ে গায়েব বদহজম? জানুন