Heatwave Alert: পয়লা বৈশাখের আগেই চরম গরম রাজ্যে, কলকাতায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা! আবহাওয়ার আপডেটে চামড়ায় 'জ্বালাতঙ্ক'
- Written by:BISWAJIT SAHA
- news18 bangla
- Published by:Raima Chakraborty
Last Updated:
Heatwave Alert: বুধবার থেকে শনিবার কলকাতাতেও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। ৪০ ডিগ্রির ঘরে কলকাতার তাপমাত্রা। আশঙ্কা আবহাওয়া দফতরের।
advertisement
1/7

চরম গরমের খবর দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, সোমবার থেকে আরও বাড়বে তাপমাত্রা। চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণে তাপপ্রবাহের আশঙ্কা! বুধবার থেকে শনিবার কলকাতাতেও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। ৪০ ডিগ্রির ঘরে কলকাতার তাপমাত্রা। আশঙ্কা আবহাওয়া দফতরের। (তথ্য-- বিশ্বজিৎ সাহা)
advertisement
2/7
১০ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলা-সহ উপকূল সংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে এবং উত্তরবঙ্গের মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপমাত্রা বাড়বে। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা।
advertisement
3/7
বাংলার ৬ থেকে ৭ জেলায় স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি বা তারও বেশি থাকতে পারে তাপমাত্রা। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। দক্ষিণবঙ্গের দু এক জেলায় খুব সামান্য সম্ভাবনা ছিটে-ফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে।
advertisement
4/7
দক্ষিণবঙ্গে আগামী কয়েকদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। গরম ও শুকনো আবহাওয়া থাকবে। পশ্চিমের রাজ্যগুলির মতো শুকনো গরম হাওয়া দেবে। ১৫ এপ্রিলের মধ্যে বেশ কয়েকটি জেলায় ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাবে পারদ। এই গরমে ত্বকে জ্বলুনি ভাব আসতে পারে।
advertisement
5/7
উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। ক্রমশ বাড়বে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গের মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা।
advertisement
6/7
কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ রবিবার। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে। আগামী কয়েকদিন শুকনো গরম থাকবে। আগামী সপ্তাহে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে কলকাতার তাপমাত্রা।
advertisement
7/7
রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি বেশি তাপমাত্রা। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৩১ থেকে ৮৭ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা শহরে তাপমাত্রা থাকবে ২৮ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। (তথ্য-- বিশ্বজিৎ সাহা)