Benjamin Netanyahu: নেতানিয়াহু কি আর বেঁচে নেই? রহস্যময় ভিডিও ঘিরে ইন্টারনেট তোলপাড়!
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জীবিত না মৃত? কী জানা যাচ্ছে?
advertisement
1/5

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-কে নিয়ে শনিবার নানা জল্পনা শুরু হয়, কারণ তিনি যে একটি ভিডিও শেয়ার করেছিলেন সেখানে অনেকের দাবি ছিল তার হাতে নাকি অতিরিক্ত একটি আঙুল দেখা যাচ্ছে। ফলে কেউ কেউ সন্দেহ করতে শুরু করে যে ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দিয়ে তৈরি বা সম্পাদনা করা হয়েছে।
advertisement
2/5
নেতানিয়াহু শুক্রবার তার X (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে ভিডিওটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েল ও ইরানের সংঘাত নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এই সংঘাত শুরু হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি, যখন হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়তোল্লাহ আলি খামেনেই নিহত হন বলে জানানো হয়, এবং এরপর মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
advertisement
3/5
ভিডিওটিতে বক্তৃতা দেওয়ার সময় নেতানিয়াহু হাত দিয়ে ইশারা করছিলেন। তখন কিছু ব্যবহারকারী দাবি করেন যে তার ডান হাতে ছয়টি আঙুল দেখা যাচ্ছে। এই দাবি দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক পোস্টে লক্ষ লক্ষ ভিউ হয়। কেউ কেউ স্ক্রিনশট শেয়ার করে লিখেছেন “classic AI finger glitch”, আবার কেউ অন্যদের বলছেন “তার হাতটা ভালো করে দেখো”।
advertisement
4/5
কিছু অপ্রমাণিত অ্যাকাউন্ট আরও গুজব ছড়াতে শুরু করে যে নেতানিয়াহু নাকি মারা গেছেন। হিব্রু ভাষায় একজন ব্যবহারকারী লিখেছিলেন: “হে বিবি (নেতানিয়াহুর ডাকনাম), তুমি কি এতই বিশেষ যে তোমার ছয়টা আঙুল, নাকি তুমি অনেক আগেই আমাদের ছেড়ে চলে গেছ?”
advertisement
5/5
তবে পরে এসব ভাইরাল দাবি খণ্ডন করা হয়। X-এর AI চ্যাটবট Grok বিভিন্ন পোস্টের জবাবে জানায়, অতিরিক্ত আঙুলের মতো যে জিনিসটি দেখা যাচ্ছে তা আসলে একটি দৃষ্টিভ্রম (optical illusion)।Grok ব্যাখ্যা করে: নেতানিয়াহুর দুই হাতেই স্বাভাবিকভাবেই পাঁচটি করে আঙুল আছে। ভিডিওতে তিনি পডিয়ামে দাঁড়িয়ে ইশারা করছিলেন, আর ছবির কোণ ও লাল বৃত্ত দিয়ে চিহ্নিত করার কারণে মনে হচ্ছে যেন অতিরিক্ত আঙুল আছে।চ্যাটবটটি আরও জানায়, নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুজবও ভুল। ইরানের কিছু মিডিয়া ও সোশ্যাল পোস্টে এসব দাবি ছড়ালেও তা নির্ভরযোগ্য সূত্র দ্বারা নিশ্চিত নয় এবং বিভিন্ন ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা সেগুলো ভুয়া বলে উল্লেখ করেছে।