Alka Yagnik: শ্রবণশক্তি হারিয়েছেন অলকা ইয়াগনিক, গান গাইতে পারছেন না! বিরল রোগে আক্রান্ত গায়িকা কী জানালেন?
- Published by:Raima Chakraborty
- news18 bangla
Last Updated:
Alka Yagnik: শোনার ক্ষমতা হারিয়েছেন, ফেরেননি কাজে! আর কখনও গান গাইবেন না অলকা ইয়াগনিক? বলিউডে শোরগোল...
advertisement
1/11

ভারতীয় সঙ্গীত জগতের জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়িকা অলকা ইয়াগনিক সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, তিনি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে একটি বিরল শ্রবণজনিত সমস্যার সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন।
advertisement
2/11
এই অসুস্থতার কারণে তিনি নতুন কোনও প্রজেক্টে কাজ করতে পারছেন না এবং এখনও এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
advertisement
3/11
সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অলকা জানান, তিনি সেন্সরিনিউরাল নার্ভ হিয়ারিং লস (sensorineural nerve hearing loss)-এ ভুগছেন।
advertisement
4/11
যদিও এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বলতে তিনি কিছুটা অনীহা প্রকাশ করেন, তবুও স্বীকার করেছেন যে তিনি এখনও “এই সমস্যায় ভুগছেন”।
advertisement
5/11
এই শারীরিক সমস্যার কারণে তাঁর পেশাগত জীবনেও বড় প্রভাব পড়েছে। অলকা বলেন, “কম্পোজাররা মাঝেমধ্যে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন, কিন্তু আমি কাজ করতে পারছি না।”
advertisement
6/11
তাঁর শেষ রেকর্ড করা গান ছিল “নারম কালজা”, যা অমর সিং চমকিলা ছবির জন্য তৈরি হয়েছিল। এই ছবির পরিচালক ছিলেন ইমতিয়াজ আলি এবং সুরকার এ আর রহমান।
advertisement
7/11
এদিকে, চলতি বছর তাঁকে ভারতের অন্যতম সম্মানজনক পুরস্কার পদ্মভূষণ প্রদান করা হয়েছে। এই সম্মান প্রসঙ্গে অলকা বলেন, “এমন কিছু ভাবিনি। যখনই আসে, সেটাকে সাদরেই গ্রহণ করি।”
advertisement
8/11
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে একটি আবেগঘন ইনস্টাগ্রাম পোস্টের মাধ্যমে তিনি প্রথম তাঁর অসুস্থতার কথা প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি জানান, একটি আকস্মিক ভাইরাল সংক্রমণের ফলে তাঁর এই বিরল শ্রবণ সমস্যা দেখা দেয়।
advertisement
9/11
তিনি লিখেছিলেন, “একদিন বিমানের বাইরে বেরোনোর পর হঠাৎই বুঝতে পারি আমি কিছুই শুনতে পাচ্ছি না।”
advertisement
10/11
এই কঠিন সময়ে ভক্তদের কাছে সমর্থন ও প্রার্থনা চেয়েছিলেন অলকা। পাশাপাশি, তিনি সকলকে উচ্চ শব্দ এবং অতিরিক্ত হেডফোন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
advertisement
11/11
অলকা ইয়াগনিক তাঁর কণ্ঠে অসংখ্য জনপ্রিয় গান ভারতীয় সিনেমাকে সমৃদ্ধ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য “টিপ টিপ বরসা পানি” (Mohra), “এ মেরে হামসফর” (Qayamat Se Qayamat Tak), “চাঁদ ছুপা বাদল মে” (Hum Dil De Chuke Sanam) এবং “আগর তুম সাথ হো” (Tamasha)।