Scope after HS: বাড়ছে চাহিদা! আয়ুর্বেদ চিকিৎসক হতে চাইলে উচ্চমাধ্যমিকের কীভাবে তৈরি করবেন নিজেকে, জানুন
- Reported by:Madan Maity
- hyperlocal
- Published by:Salmali Das
Last Updated:
Scope after HS: হোমিয়োপ্যাথি ও অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির পাশাপাশি গত কয়েক বছরে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার দিকেও ঝোঁক বাড়ছে। সেই সঙ্গে কাজের সুযোগও বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের অধীনে নিয়মিত আয়ুর্বেদ চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। পেশা হিসাবে আয়ুর্বেদ চিকিৎসাকে বেছে নিতে হলে কী বিষয়ে পড়াশোনা করতে হয়?
advertisement
1/6

হোমিয়োপ্যাথি ও অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির পাশাপাশি গত কয়েক বছরে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার দিকেও ঝোঁক বাড়ছে। সেই সঙ্গে কাজের সুযোগও বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় আয়ুষ মন্ত্রকের অধীনে নিয়মিত আয়ুর্বেদ চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। পেশা হিসাবে আয়ুর্বেদ চিকিৎসাকে বেছে নিতে হলে কী বিষয়ে পড়াশোনা করতে হয়? কোথায় পড়ানো হয় আয়ুর্বেদ চিকিৎসাবিদ্যা? রইল বিস্তারিত তথ্য। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)
advertisement
2/6
আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক হতে চাইলে বিএএমএস বা ব্যাচেলর অফ আয়ুর্বেদ মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি পাশ করা প্রয়োজন। এই ডিগ্রি অর্জনের জন্য দ্বাদশ শ্রেণিতে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বিষয় থাকতেই হবে। পাশাপাশি ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ হতে হয়। এরপর নিট ইউজি প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসতে হয়। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে মেধাতালিকা অনুযায়ী ভর্তি হওয়া যায়।
advertisement
3/6
বিএএমএস ডিগ্রি মোট মেয়াদ সাড়ে পাঁচ বছরের কোর্স। এরমধ্যে দেড় বছর করে মোট তিনটি সেমিস্টার অর্থাৎ সাড়ে চার বছরের ক্লাস। আর এক বছরের ইন্টার্নশিপ করানো হয়। বিএএমএস পাশের পর আয়ুষ মেডিক্যাল কাউন্সিল অথবা স্টেট আয়ুর্বেদিক কাউন্সিল-এর কাছে রেজিস্ট্রেশন করাতে হয়। নাম নথিভুক্ত হলেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক হিসাবে গণ্য হন তিনি।
advertisement
4/6
এখন প্রশ্ন, কোথায় এই কোর্স করানো হয়? পশ্চিমবঙ্গে একাধিক আয়ুর্বেদ কলেজ রয়েছে। তার মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথির রঘুনাথ আয়ুর্বেদ মহাবিদ্যালয় এন্ড হাসপাতাল অন্যতম। এটি ইউজিসি অনুমোদিত এবং দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অফ হেলথ সায়েন্সের অধীনে পরিচালিত একটি মহাবিদ্যালয়।
advertisement
5/6
কোর্সের খরচ কত, কাঁথি রঘুনাথ আয়ুর্বেদ মহাবিদ্যালয় ও হাসপাতালের সেক্রেটারি সুকুমল মাইতি জানান, "মোট কোর্সর ফি প্রায় ৯ থেকে ১২ লক্ষ টাকা। এই কলেজে ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য আলাদা হোস্টেল সুবিধা রয়েছে। বাংলা ছাড়াও আসাম, ত্রিপুরা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা-সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে পড়ুয়ারা এখানে পড়তে আসে।”
advertisement
6/6
বিএএমএস পাশ করার পর সরকারি ও বেসরকারি দুই ক্ষেত্রেই চাকরির সুযোগ রয়েছে। বিভিন্ন আয়ুর্বেদ চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসক বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করা যায়। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সংস্থাগুলিতেও কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকে। চাইলে নিজস্ব চেম্বার খুলে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া যায়। মেডিক্যাল এগ্জিকিউটিভ বা ফার্মাসিস্ট পদেও কাজ শুরু করা সম্ভব। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগও রয়েছে। (তথ্য ও ছবি : মদন মাইতি)