Iran-Israel Tention: রান্নার গ্যাস থেকে পেট্রল-ডিজেল, আমেরিকা-ইরান সংঘাত বেশি দিন চললে ভারতে দাম বাড়তে পারে কোন কোন পণ্যের? পড়ুন
- Published by:Rukmini Mazumder
- news18 bangla
Last Updated:
মধ্যপ্রাচ্যে জ্বলছে আগুন। জারি আমেরিকা-ইরান সংঘাত! যদিও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিয়েছে, দেশে ২৫ দিনের অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। ২৫ দিনের চাহিদা পূরণের মতো শোধিত জ্বালানিও রয়েছে। কিন্তু সংঘাত বেশি দিন চললে ভারতীয় বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়তে পারে
advertisement
1/9

বন্ধ হরমুজ প্রণালী। যুদ্ধের বাজারে আগুন জ্বালানিতেও। ভারতেও বাড়তে পারে অপরিশোধিত তেলের দাম। সিঁদুরে মেঘ দেখছে দেশবাসী। প্রয়োজনের ৮৫ শতাংশ তেল বাইরে থেকে আমদানি করে ভারত। ইরান থেকে খুব বেশি তেল আমদানি না করলেও সেদেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশ তেলই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। এবার বন্ধ সেই পথই।
advertisement
2/9
আমেরিকা-ইরান সংঘর্ষ দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকলে প্রভাব পড়তে পারে ভারতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে। ধাক্কা খেতে পারে সার তৈরির প্রয়োজনীয় সামগ্রী আমদানি। ডিএপি এবং এসএসপি সার তৈরির জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল সালফার এবং সালফিউরিক অ্যাসিড। মোট সালফার আমদানির প্রায় ৭৬ শতাংশই আসে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ওমান থেকে।
advertisement
3/9
সরকারি সূত্রে খবর, দেশে ২৫ দিনের অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। ২৫ দিনের চাহিদা পূরণের মতো শোধিত জ্বালানিও রয়েছে। ফলে কয়েকদিন হরমুজ বন্ধ থাকলে তেমন কোনও চিন্তা নেই। তবে পণ্য পরিবহণের জাহাজ ভাড়া ও বিমার খরচ বৃদ্ধি পাবে। ফলে চড়বে আমদানি খরচও।
advertisement
4/9
দীর্ঘদিন হরমুজ বন্ধ থাকলে ধাক্কা খাবে সিএনজি এবং রান্নার গ্যাসের আমদানি। এক লাফে অনেকটা বৃদ্ধি পাবে দাম। দেশে তেল মজুত। সরকার আশ্বাস দিলেও চিন্তায় দেশবাসী। জ্বালানির দাম কী বাড়বে ? সেই চিন্তাতেই দিন কাটছে সাধারণ মানুষের...
advertisement
5/9
হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে, বিরাট ধাক্কা খাবে ভারতের অর্থনীতি। ভারতে বাড়তে পারে পেট্রোল, ডিজেলের দাম, তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম, বিমানের টিকিটের ভাড়া। বড় ধাক্কা খেতে পারে শেয়ার বাজার
advertisement
6/9
পশ্চিম এশিয়া হয়ে আমদানি-রফতানির জন্য ইতিমধ্যে অতিরিক্ত সারচার্জ নেওয়া শুরু করে দিয়েছে বেশ কিছু পণ্য পরিবহণ সংস্থা। এই পথে সামগ্রী পরিবহণের জন্য ফ্রান্সের পণ্য পরিবহণ সংস্থা ‘সিএমএ সিজিএম’ প্রায় দ্বিগুণ অর্থ নিচ্ছে । কন্টেনারপিছু ২০০০ ডলার থেকে ৪০০০ ডলার বাড়তি অর্থ নিচ্ছে তারা।
advertisement
7/9
দেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ টন ভোজ্যতেল আমদানি হয়। তার মধ্যে সূর্যমুখী তেলই রয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। এই সূর্যমুখী তেল মূলত রাশিয়া, ইউক্রেন এবং আর্জেন্টিনা হয়েই ভারতে আসে। সংঘর্ষ দীর্ঘ দিন চললে সূর্যমুখী তেল আমদানির উপরেও প্রভাব পড়তে পারে।
advertisement
8/9
রফতানি ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়তে পারে। বীজ থেকে তেল নিষ্কাশনের পরে পাওয়া উপজাত পণ্যের প্রায় ২০ শতাংশ ভারত রফতানি করে পশ্চিম এশিয়ায়। প্রায় ১৫ শতাংশ রফতানি হয় ইউরোপে। পিটিআই জানাচ্ছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি বেশি দিন চললে এই ক্ষেত্রগুলির পাশাপাশি কৃষিজ এবং ফুল চাষের পণ্যের রফতানিও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে
advertisement
9/9
শুধু ভারত নয়। হরমুজের উপর নির্ভরশীল এশিয়ার অন্যান্য দেশও। হরমুজের উপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল চিন। তারপরেই রয়েছে ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। প্রয়োজনের ৮০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ইরান থেকে কেনে চিন। চিনের সঙ্গে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি রয়েছে ইরানের। ইরানের অর্থনীতি অনেকাংশে চিনের উপর নির্ভরশীল। সেই প্রভাব কাজে লাগিয়েই হরমুজ খুলে দিতে চাপ দিচ্ছে চিন
বাংলা খবর/ছবি/ব্যবসা-বাণিজ্য/
Iran-Israel Tention: রান্নার গ্যাস থেকে পেট্রল-ডিজেল, আমেরিকা-ইরান সংঘাত বেশি দিন চললে ভারতে দাম বাড়তে পারে কোন কোন পণ্যের? পড়ুন