LIC-র ১০ বছরের পলিসি সম্পর্কে জানেন? ডেথ বেনিফিট থেকে ম্যাচিউরিটি, খুঁটিনাটি দেখুন!
- Written by:Trending Desk
- trending desk
- Published by:Dolon Chattopadhyay
Last Updated:
বর্তমানে জীবন বিমার গুরুত্ব বাড়ছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এলআইসি-র ১০ বছর মেয়াদি পলিসিগুলোর জনপ্রিয়তাও।
advertisement
1/7

এলআইসি-র বেশ কিছু ১০ বছর মেয়াদি পলিসি রয়েছে। এগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়। পলিসি হোল্ডারকে ১০ বছর প্রিমিয়াম দিতে হয়। এর বদলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জীবন বিমা কভারেজ মেলে। বর্তমানে জীবন বিমার গুরুত্ব বাড়ছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এলআইসি-র ১০ বছর মেয়াদি পলিসিগুলোর জনপ্রিয়তাও।
advertisement
2/7
১০ বছর মেয়াদি পলিসির বৈশিষ্ট্য: প্রিমিয়ামের মেয়াদ – পলিসি হোল্ডারকে ১০ বছরের জন্য প্রিমিয়াম দিতে হয়। পলিসির মেয়াদ – এই পলিসিতে ১০ বছর কভারেজ পাওয়া যায়। জীবন বিমা কভারেজ – পলিসিতে জীবন বিমা কভারেজ দেওয়া হয়। পলিসি চলাকালীন গ্রাহকের মৃত্যু হলে নমিনি ডেথ বেনিফিট পান।
advertisement
3/7
ম্যাচিউরিটি বেনিফিট – ১০ বছর পর পলিসির মেয়াদ শেষ হলে পলিসি হোল্ডারকে ম্যাচিউরিটি বেনিফিট দেওয়া হয়। সেটা পলিসির উপর নির্ভর করে একক অর্থ প্রদান, নিয়মিত আয় কিংবা উভয়ের সংমিশ্রণ হতে পারে। সঙ্গে বোনাস - পলিসির কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে এলআইসি বোনাস ঘোষণা করে। এই বোনাস সামগ্রিক ম্যাচিউরিটির সুবিধা বাড়ায়।
advertisement
4/7
সঞ্চয় বা বিনিয়োগ উপাদান – কিছু ১০ বছর মেয়াদি পলিসি ভালো বিনিয়োগ মাধ্যম। পলিসির বৈশিষ্টের উপর নির্ভর করে গ্যারান্টিযুক্ত রিটার্ন বা বাজার সংযুক্ত রিটার্ন দেওয়া হয়।
advertisement
5/7
কেন গুরুত্বপূর্ণ: নিরাপদ ভবিষ্যতের স্বার্থে বিনিয়োগ পোর্টফোলিওতে জীবন বিমা রাখতেই হবে। উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হলে পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দেওয়াই এর লক্ষ্য। আগে অনেকেই জীবন বিমাকে বাড়তি খরচ মনে করতেন। কিন্তু করোনা মহামারী এর গুরুত্ব বুঝিয়েছে।
advertisement
6/7
১০ বছর মেয়াদি পলিসি কেনা নিয়ে দোনামনা থাকলে নিজেকে দুটি প্রশ্ন করা উচিত। এক, উপার্জনকারী সদস্য মারা গেলে পরিবার কী করবে? দুই, যদি মৃত ব্যক্তি পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য হয়, তাহলে খরচখরচা কোথা থেকে আসবে? উত্তর হল, ১০ বছর বা তার বেশি মেয়াদের কোনও এলআইসি পলিসি কেনা।
advertisement
7/7
কেনার পদ্ধতি: যে কেউ ১০ বছর মেয়াদি পলিসি কিনতে পারেন। অফলাইন বা অনলাইনে কেনা যায়। শুধু সঠিক ভাবে সমস্ত বিবরণ দিয়ে ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফর্ম জমা দেওয়ার সময় কেওয়াইসি নথি অর্থাৎ পরিচয়ের প্রমাণ, ঠিকানার প্রমানপত্র এবং পাসপোর্ট আকারের ছবি দিতে হবে। আবেদনপত্র পূরণ করে দিতে হবে প্রিমিয়াম। এরপর এলআইসি ফর্মে সব ঠিক আছে কি না দেখে নেবে। তারপরেই চালু হয়ে যাবে জীবন বিমা।
বাংলা খবর/ছবি/ব্যবসা-বাণিজ্য/
LIC-র ১০ বছরের পলিসি সম্পর্কে জানেন? ডেথ বেনিফিট থেকে ম্যাচিউরিটি, খুঁটিনাটি দেখুন!