SIP করে ১০০ কোটি টাকার কর্পাস তৈরি? হিসেব দেখলে মেনে নেবেন আপনিও
- Reported by:BENGALI NEWS18
- Written by:Trending Desk
Last Updated:
SIP Investment Strategies: দেখে নেওয়া যাক মিউচুয়াল ফান্ডের সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যানিং, সংক্ষেপে SIP-এর মাধ্যমে মাসিক বিনিয়োগ কতটা রিটার্ন দিতে পারে!
advertisement
1/8

মিউচুয়াল ফান্ডে মাসিক বিনিয়োগ দিয়ে কত বড় তহবিল তৈরি করা যায়? এই বিষয়টি বোঝার জন্য ১০০ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আলোচনা করা যাক, দেখে নেওয়া যাক মিউচুয়াল ফান্ডের সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যানিং, সংক্ষেপে SIP-এর মাধ্যমে মাসিক বিনিয়োগ কতটা রিটার্ন দিতে পারে!
advertisement
2/8
হিসেব শুরু হল কয়েকটি অনুমান দিয়ে। মাসিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হল। এবার প্রতি বছর ১৫ শতাংশ রিটার্ন ধরে নেওয়া হল, প্রতি মাসে এই হারে চক্রবৃদ্ধি ঘটবে। প্রথমে ৫০ বছরের সময়সীমা এবং প্রতি মাসে কত বিনিয়োগ করতে হবে তা খুঁজে বের করা যাক।
advertisement
3/8
কেস ১: SIP অবদানে কোনও বৃদ্ধি নেইপ্রথম পরিস্থিতিতে বিনিয়োগের পরিমাণ কখনও পরিবর্তিত হল না। SIP পুরো ৫০ বছর ধরে ঠিক একই থাকল। মাসিক বিনিয়োগ এখানে ৭,২৪৭ টাকা। সুতরাং, ১৫ শতাংশ রিটার্ন ধরে ৫০ বছর ধরে প্রতি মাসে ৭,২৫০ টাকা বিনিয়োগ করলে ১০০ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যাবে।
advertisement
4/8
কেস ২: বার্ষিক স্টেপ-আপ সহ SIPএবার SIP-তে বার্ষিক বৃদ্ধির সঙ্গে একই ৫০ বছরের হিসেব দেখা যাক। প্রতি বছর ৫ শতাংশ বৃদ্ধি হলে মাসিক কিস্তির পরিমাণ প্রতি মাসে ৫,০২৩ টাকায় নেমে আসে। বিনিয়োগ প্রতি বছর ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়, প্রাথমিক বোঝা হ্রাস করে এবং ৫০ বছরের শেষে একই ১০০ কোটি টাকায় পৌঁছায়।
advertisement
5/8
আর যদি ৫,০০০ টাকা দিয়ে SIP শুরু করার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ স্টেপ-আপের পরিবর্তে ১০ শতাংশ স্টেপ-আপ ধরে নেওয়া হয়, তাহলে ১০০ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪৬.৬ বছরেই পূরণ হওয়া সম্ভব।
advertisement
6/8
৫০ বছরের লক্ষ্যমাত্রায় বার্ষিক স্টেপ-আপ ১০ শতাংশে বাড়ালে SIP অবদান আরও কমে যায়। এই ক্ষেত্রে শুরুতে মাত্র ২,৯৩৭ টাকার মাসিক বিনিয়োগ যথেষ্ট। অবদানের দ্রুত বৃদ্ধির অর্থ হল আরও বেশি অর্থ পোর্টফোলিওতে প্রবেশ, যা চক্রবৃদ্ধিকে আরও বেশি পরিমাণে কাজ করার জন্য আরও সময় দেয়। সুতরাং, হিসেব অনুসারে প্রতি মাসে প্রায় ২,৯০০ টাকা বিনিয়োগ শুরু করলে এবং প্রতি বছর মাসিক বিনিয়োগ ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করলে ৫০ বছরে ১০০ কোটি টাকার কর্পাস সহজেই তৈরি হবে।
advertisement
7/8
বিশ্লেষণের জন্য এখানে ধরে নেওয়া হয়েছে যে প্রতি বছর ১৫ শতাংশ হারে বেশ ভাল রিটার্ন আসবে। রিটার্নের হারে যে কোনও পরিবর্তন কিন্তু হিসেব বদলে দেবে। এছাড়াও ৫০ বছর একটি দীর্ঘ সময়সীমা, যা একজন ব্যক্তির জীবদ্দশায় সম্ভব নাও হতে পারে, তবে এই ধরনের বিনিয়োগকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে হস্তান্তরের সুযোগ থাকে।
advertisement
8/8
১০০ কোটি টাকার লক্ষ্য পূরণ হোক বা না হোক, বিষয়টা আসলে একজন বিনিয়োগকারীর সম্ভাব্য সম্পদ অর্জন নয়, বরং সম্পদ সৃষ্টির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে একটি সুশৃঙ্খল পদ্ধতি কীভাবে বিস্ময়কর ফল দিতে পারে সেটা তুলে ধরা- অতএব, অধৈর্য না হয়ে সঠিক পরিকল্পনার সঙ্গে এগোতে হবে।