Credit Cards: মৃত্যুর পর কি পরিবারকে ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া দিতে বাধ্য করতে পারে ব্যাঙ্ক? RBI গাইডলাইন কী বলছে?
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
ক্রেডিট কার্ডধারীর মৃত্যু হলে পরিবার의 ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে টাকা আদায় করতে পারে না ব্যাংক। RBI নিয়ম অনুযায়ী, বকেয়া আদায় সীমাবদ্ধ থাকে শুধু মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির মধ্যেই।
advertisement
1/7

আজকের দ্রুতগামী জীবনে ক্রেডিট কার্ড একটি অপরিহার্য আর্থিক হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। কিছু মানুষ এটি দায়িত্বের সঙ্গে ব্যবহার করেন, আবার অনেকে বিল সময়মতো না দেওয়া, উচ্চ সুদ এবং জরিমানা কারণে ঋণের ফাঁদে পড়ে যান। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে—যদি কোনো ক্রেডিট কার্ডধারী বাকি থাকা বিল পরিশোধ করার আগে মারা যান, তাহলে কী হবে? কি আইনত পরিবারকে সেই বকেয়া পরিশোধ করতে হবে?
advertisement
2/7
ক্রেডিট কার্ডকে একটি অসুরক্ষিত ঋণ (Unsecured Loan) হিসেবে ধরা হয়, যার অর্থ এর বিরুদ্ধে কোনো ধরণের জামিন বা জমানো সম্পত্তি—যেমন বাড়ি, সোনা বা জমি—দেওয়া হয় না। ব্যাংকগুলি কার্ড ইস্যু করে আয়ের পরিমাণ এবং ক্রেডিট স্কোরের ভিত্তিতে। RBI-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই ধরনের ঋণের দায় শুধুমাত্র কার্ডধারীর উপর থাকে। সুতরাং, যদি কার্ডধারী মারা যান, ব্যাংক পরিবারের সদস্য বা বৈধ উত্তরাধিকারীদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে বকেয়া আদায় করতে পারে না।
advertisement
3/7
যদিও পরিবারের সদস্যরা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী নয়, তবুও বাকি থাকা অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মওকুফ হয় না। ব্যাংক আইনত মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে বকেয়া আদায় করতে পারে, যেমন—ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স, ফিক্সড ডিপোজিট, শেয়ার ও অন্যান্য বিনিয়োগ, সোনা বা প্রপার্টি। এই সম্পত্তিগুলি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বিতরণ হওয়ার আগে ব্যাংকের প্রথম আইনি দাবি থাকে।
advertisement
4/7
যদি আইনি উত্তরাধিকারীরা উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদ পান, ব্যাংক তখন শুধুমাত্র উত্তরাধিকারিত সম্পদের মূল্য পর্যন্ত বকেয়া আদায় করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ ৫ লাখ টাকার সম্পদ উত্তরাধিকার সূত্রে পান এবং ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া হয় ৭ লাখ টাকা, ব্যাংক তখন শুধুমাত্র ৫ লাখ টাকা আদায় করতে পারবে। বাকি ২ লাখ টাকাকে লিখে দেওয়া (write-off) করতে হবে। যদি আদায় করার মতো কোনো সম্পদ না থাকে, ব্যাংকের আইনি কোনো উপায় থাকে না। এমন ক্ষেত্রে, বাকি থাকা অর্থকে খারাপ ঋণ (bad debt) বা নন-পারফর্মিং অ্যাসেট (NPA) হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।
advertisement
5/7
জয়েন্ট কার্ডধারী ও গ্যারান্টরের ক্ষেত্রে নিয়ম ভিন্ন: জয়েন্ট ক্রেডিট কার্ড হলে, বেঁচে থাকা কার্ডধারীর দায় থাকে বকেয়া পরিশোধ করার। যদি গ্যারান্টর থাকে, ব্যাংক সেই ব্যক্তির কাছ থেকেও বকেয়া আদায় করতে পারে। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলো—তারাতারি ব্যাংককে তথ্য জানানো, মৃত্যুর সনদ জমা দেওয়া এবং কার্ডটি ব্লক বা ফ্রিজ করার অনুরোধ করা, যাতে অতিরিক্ত সুদ বা চার্জ না যুক্ত হয়।
advertisement
6/7
সময়মতো পদক্ষেপ নিলে অপ্রয়োজনীয় জরিমানা এড়ানো যায়। যদি রিকভারি এজেন্টরা হুমকি দেয় বা ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে টাকা দেওয়ার দাবি করে, তাহলে পরিবার যা করতে পারে— পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা RBI Ombudsman-এর কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানো
advertisement
7/7
কিছু প্রিমিয়াম ক্রেডিট কার্ডে ক্রেডিট লাইফ ইন্স্যুরেন্স অন্তর্ভুক্ত থাকে। যদি কার্ডধারীর দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হয়, তাহলে পলিসির সীমার মধ্যে থেকে বিমা সংস্থা বকেয়া অর্থ পরিশোধ করতে পারে। তাই পরিবারের উচিত, এমন কোনো বিমা কভারেজ রয়েছে কি না তা যাচাই করে নেওয়া।
বাংলা খবর/ছবি/ব্যবসা-বাণিজ্য/
Credit Cards: মৃত্যুর পর কি পরিবারকে ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া দিতে বাধ্য করতে পারে ব্যাঙ্ক? RBI গাইডলাইন কী বলছে?