Holi 2026: ধন-সম্পদের জন্য দোলে কী আনবেন ঘরে? জানলে অবাক হবেন
- Published by:Soumendu Chakraborty
Last Updated:
২০২৬ সালের ৩ মার্চ উদযাপিত হতে যাওয়া হোলি উৎসবটি নাকি এবার চন্দ্রগ্রহণের সঙ্গে এক বিরল আধ্যাত্মিক যোগ তৈরি করছে—এমনটাই কিছু জ্যোতিষ মতামতে বলা হচ্ছে। বিশ্বাস করা হয়, এই পবিত্র দিনে কিছু বিশেষ প্রতিকার বা আচার পালন করলে লক্ষ্মীদেবীর কৃপা, আর্থিক স্থিতি এবং সুখ-সমৃদ্ধি লাভ করা সম্ভব। তাই অনেক জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞ এই দিনটিকে আধ্যাত্মিক সাধনা ও শুভ কর্মের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ সময় হিসেবে বিবেচনা করছেন।
advertisement
1/6

হিন্দু ধর্মশাস্ত্র অনুযায়ী হোলি উৎসবকে আনন্দ, উচ্ছ্বাস এবং নতুন সূচনার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। ২০২৬ সালের ৩ মার্চ উদযাপিত হতে যাওয়া এই রঙের উৎসব জ্যোতিষশাস্ত্রের দিক থেকেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।কিছু জ্যোতিষীদের মতে, এবারের হোলির দিনে চন্দ্রগ্রহণের একটি বিরল যোগ তৈরি হতে পারে। গ্রহণকালকে অনেকেই আধ্যাত্মিক শক্তির বিশেষ সময় বলে মনে করেন। বিশ্বাস করা হয়, এই সময়ে করা পূজা, জপ বা প্রতিকারমূলক আচার বহুগুণ ফল দিতে পারে।যাঁরা আর্থিক সমস্যা কাটিয়ে উঠতে বা ধন-সম্পদ বৃদ্ধি কামনা করেন, তাঁদের জন্য হোলির দিনে কিছু বিশেষ নিয়ম বা করণীয় পালন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। নিচে সেসব সম্ভাব্য নির্দেশিকার কথা তুলে ধরা হল।
advertisement
2/6
হোলির দিনে লক্ষ্মীর কৃপা পেতে যা কিনবেন:সাধারণত উৎসবের দিনে কিছু শুভ বস্তু বাড়িতে নিয়ে এলে নেতিবাচক শক্তি দূর হয় এবং লক্ষ্মীদেবীর আশীর্বাদ লাভ হয়—এমন বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে।এই হোলিতে বাড়িতে অষ্টঐশ্বর্য আনার উদ্দেশ্যে যেসব বস্তু শুভ বলে মনে করা হয়, সেগুলি হলো…
advertisement
3/6
হোলিকা দহন সম্পন্ন হওয়ার পর সেই পবিত্র ছাই বাড়িতে নিয়ে আসা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। দহনের পরের দিন সকালে সেই পবিত্র ভস্ম বাড়িতে এনে ঘরের চার কোণে ছিটিয়ে দিলে বাস্তুদোষ ও অশুভ শক্তি দূর হয়—এমন বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে।এছাড়াও, সেদিন সকালেই বাড়ির প্রধান দরজায় আমপাতা বা অশোক পাতার তৈরি তোরণ বাঁধা শুভ মনে করা হয়। পূর্ণিমা তিথি লক্ষ্মীদেবীর অত্যন্ত প্রিয় বলে ধরা হয়। তাই এই নিয়ম পালন করলে দেবীর কৃপা লাভ হয় এবং তিনি গৃহে প্রবেশ করেন—এমনটাই বিশ্বাস করা হয়।
advertisement
4/6
হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী কচ্ছপকে ভগবান বিষ্ণুর কূর্ম অবতারের প্রতীক এবং ঐশ্বর্যের চিহ্ন হিসেবে মানা হয়।হোলির দিনে ধাতুর—বিশেষ করে রূপা, তামা বা পিতলের তৈরি একটি কচ্ছপ বাড়িতে আনা শুভ বলে বিশ্বাস করা হয়।যদি সেই কচ্ছপের পেছনের অংশে শ্রীযন্ত্র বা কুবের যন্ত্র খোদাই করা থাকে, তাহলে সেটিকে আরও শক্তিশালী ও শুভফলদায়ক বলে মনে করা হয়। এমন প্রতীককে বাড়িতে স্থাপন করলে সমৃদ্ধি ও ধনবৃদ্ধি ঘটে—এমনটাই প্রচলিত বিশ্বাস।
advertisement
5/6
কচ্ছপটি বাড়িতে আনার পর ভালোভাবে পরিষ্কার করে পূজাঘরে জলভরা একটি পাত্রে উত্তরমুখী করে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। বিশ্বাস করা হয়, এতে ঘরে ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটে।আপনি যদি দীর্ঘদিন ধরে অর্থসংক্রান্ত সমস্যায় ভুগে থাকেন, তবে এই হোলিতে একটি রূপোর মুদ্রা কেনাও শুভ বলে মনে করা হয়।পূজা শেষ হওয়ার পর সেই মুদ্রাটি লাল বা হলুদ কাপড়ে মুড়ে আলমারি বা যেখানে টাকা রাখা হয় সেখানে সংরক্ষণ করতে বলা হয়। রূপা চন্দ্র ও লক্ষ্মীদেবীর প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। গ্রহণের প্রভাবযুক্ত সময়ে রূপোর মুদ্রা পূজা করলে আর্থিক স্থিতি আসে—এমনটাই প্রচলিত বিশ্বাস।বাস্তু শাস্ত্র অনুযায়ী, পিরামিড আকৃতির বস্তু নাকি মহাজাগতিক শক্তি আকর্ষণ করার বিশেষ ক্ষমতা রাখে বলেও অনেকে মনে করেন।
advertisement
6/6
পিরামিড আকৃতির বস্তু রয়েছে এমন বাড়ি বা অফিসে নাকি ধন আকর্ষণ বাড়ে—এমন বিশ্বাস অনেকের মধ্যে প্রচলিত। হোলির দিনে স্ফটিক বা অন্য কোনো ধাতুর তৈরি পিরামিড বাড়িতে এনে ঈশান (উত্তর-পূর্ব) বা উত্তর দিকে স্থাপন করলে লক্ষ্মীদেবীর কৃপা লাভ হয় বলে মনে করা হয়। এতে চাকরি ও ব্যবসার বাধা দূর হয়—এমনটাই বিশ্বাস।আস্থার সঙ্গে করা ছোট একটি প্রচেষ্টাও জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। হোলি শুধু রঙ খেলার উৎসব নয়, বরং প্রকৃতির শক্তিকে নিজের অনুকূলে আনার একটি প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়। উপরে উল্লেখিত উপায়গুলি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে জীবনে সুখ-সমৃদ্ধিকে আমন্ত্রণ জানান—এমনই পরামর্শ দেওয়া হয়।