নিজের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে তিনি এমনভাবে গাড়িটি পরিবর্তন করেছেন, যাতে বড় মাপের ব্যাটারি বসানো যায়। এর ফলে একবার চার্জেই অনেক দূর পথ অতিক্রম করা সম্ভব হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, একবার দক্ষিণেশ্বরে ডিউটি পড়ায় তিনি কল্যাণী থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত যাত্রা করেছেন নিজের তৈরি ইলেকট্রিক গাড়িতেই।
গাঁদা গাছে ফুল আসে না? ‘সিক্রেট’ টিপস আছে! সহজ উপায় জানলেই বড় বড় ফুলে ভরবে বাগান
advertisement
পেশায় পুলিশ কর্মী বিমল মন্ডলের পড়াশোনা মাধ্যমিক পর্যন্ত হলেও তিনি পাশ করতে পারেননি। অষ্টম শ্রেণি পাশ করেই চাকরিতে যোগ দেন। তবে পড়াশোনায় সীমাবদ্ধতা থাকলেও খেলাধুলা ও দৌড় ঝাঁপে পারদর্শিতার জন্যই তিনি পুলিশবাহিনীতে সুযোগ পান।
ইলেকট্রিক মোটরসাইকেলের পাশাপাশি তিনি একটি বিশেষ তিন চাকার বৈদ্যুতিক গাড়িও তৈরি করেছেন, যা বর্তমানে তাঁর ভাই পরিমল মন্ডল চালান। বর্ষাকালে দুই চাকার গাড়ি চালানোর অসুবিধা দূর করতেই এই গাড়ি তৈরি করা হয়েছে। একবার চার্জ দিলে এই যান প্রায় ১৩০ কিলোমিটারের বেশি চলতে পারে। এই মডেলের গাড়ি এখনও অন্য কারোর কাছে নেই বলেই দাবি তাঁর। সবচেয়ে বড় কথা, বিমল মন্ডলের স্বপ্ন ভবিষ্যতে এমন একটি জেনারেটর তৈরি করা, যার জন্য কোনও জ্বালানির প্রয়োজন হবে না।
২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি এই প্রকল্পে কাজ করলেও আর্থিক সংকটের কারণে তা আপাতত থমকে গেছে। তবুও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রতি তাঁর নিষ্ঠা ও আগ্রহ আগামী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলেই মনে করছেন এলাকাবাসী।