এ বিষয়ে নীলকন্ঠ চট্টোপাধ্যায় প্রপৌত্র রাজর্ষি চট্টোপাধ্যায় বলেন, এই দিনটি তাঁদের কাছে এক গৌরবময় দিন। দুই পরিবারের মিলন উৎসব হল এর মধ্যে দিয়ে। এছাড়াও অন্যান্য স্বাধীনতা সংগ্রামীদের উত্তরসূরিরাও একত্রিত হয়েছিল। যা আগামী প্রজন্মের কাছে বড় ছাপ ফেলে যাবে। এ বিষয়ে ঋষি নিবারণচন্দ্র দাশগুপ্তের পৌত্র তথা নাতি প্রসাদ দাশগুপ্ত বলেন, এই বাড়িতে বসেই ঋষি নিবারণচন্দ্র দাশগুপ্ত ও নীলকণ্ঠ চট্টোপাধ্যায় একাধিক মিটিং করেছেন। সেখানে ঋষি নিবারণ চন্দ্রর দাশগুপ্তের জন্ম সার্ধশতবর্ষ পালিত হচ্ছে এটা তার কাছে গর্বের। পাশাপাশি ঋষি নিবারণচন্দ্র দাশগুপ্তের সংগ্রহশালা তৈরিরও দাবি রাখেন তিনি।
advertisement
ঋষি নিবারণচন্দ্র দাশগুপ্ত রাজনীতিবিদের পাশাপাশি ছিলেন পুরুলিয়ার জেলা স্কুলের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক। শিক্ষকতা থেকে অবসর নিয়ে নীলকণ্ঠ চট্টোপাধ্যায়ের কথায় জাতীয় কংগ্রেসের মানভূমের সভাপতি পদ গ্রহণ করেন তিনি। এরপর স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম অঙ্গ গান্ধিজির অসহযোগ আন্দোলনে পা বাড়িয়ে মানভূমের মাটিতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাই তিনি মানভূমের গান্ধি নামেও পরিচিত। পুরুলিয়াবাসীর গর্ব তিনি। গোটা মানভূম তাঁর কাছে চিরঋণী হয়ে থাকবে।