বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বদলে যেতে শুরু করে বাগানের চেনা ছবি। হাতে সরঞ্জাম নিয়ে একে একে কাজে যোগ দেন শ্রমিকরা। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে কাজে ফেরার আনন্দ যেন ছাপিয়ে যায় গত দুই বছরের কষ্টের স্মৃতি। বাগান চত্বরে ফিরে আসে চেনা ব্যস্ততা।
advertisement
২০২৪ সালের ১৬ জুন হঠাৎই ‘সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক’ নোটিশ ঝুলিয়ে বাগান বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রায় এক হাজার শ্রমিক রাতারাতি কর্মহীন হয়ে পড়েন। দীর্ঘ এই অচলাবস্থায় এলাকার অর্থনীতিও কার্যত থমকে গিয়েছিল।
বাগানের সাব-স্টাফ শমসের আলী বলেন, “ভোটের আগে বাগান খোলায় শ্রমিকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। সবাই খুব উৎসাহ নিয়ে কাজে ফিরেছেন। এতদিন পর রুজির পথ ফিরে পাওয়াই সবচেয়ে বড় স্বস্তি।”
গত ৯ মার্চ মাটিগাড়ায় তরাই ইন্ডিয়ান প্ল্যান্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনার পর বাগান খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আপাতত কারখানা চালু না হলেও কাঁচা চা পাতা বাইরে বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়েছে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানোর চেষ্টা চলছে।
সব মিলিয়ে, ভোটের আবহে চন্দন চা বাগান খোলা শুধু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই নয়, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকেও বড় তাৎপর্যপূর্ণ। বহুদিনের অন্ধকার কাটিয়ে এবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে হাজারও শ্রমিক পরিবার।
