এমনিতেই রস জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরি করা হয় দীর্ঘক্ষণ ধরে। আগুনের তাপে ভাইরাস থাকলেও নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়াও রসে যাতে বাদুড় মুখ দিতে না পারে সেজন্য মাটির পাত্রের মুখে জাল লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বংশী মণ্ডল নামের এক গুড় প্রস্তুতকারক। কিন্তু তাতেও ভয় কাটছে না ক্রেতাদের। এ নিয়ে সমীরন দাস জানিয়েছেন, খবরে দেখার পর থেকে ভয় করছে। ফলে এবছর তিনি রস ও গুড় কেনা থেকে এড়িয়ে চলছেন। অনেকেই আবার সেসব কিছুই মানছেন না।
advertisement
নিপা নিয়ে সতর্ক থাকতে খেজুরের কাঁচা রস সরাসরি পান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অনেকেই এখনও রস পান করছেন। এই রস ছাঁকনি দিয়ে ছাঁকা হচ্ছে। এদিকে এই সতর্কতার জেরে সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। শীতের মরশুমে পিঠে-পুলির জন্য যে খেজুরের গুড়ের চাহিদা থাকে, তা এবার অনেকটাই কমেছে। বাজারে খেজুরের গুড় বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে জানাচ্ছেন বিক্রেতারা। তবে আতঙ্ক নয় এই মুহূর্তে সচেতন থাকাই সবথেকে বেশি জরুরি।